Saturday, 9 July 2016

সাবধান হোন! যেসব নম্বর থেকে আসা ফোন ধরবেন না! জেনে নিন এখনই

সাবধান হোন! যেসব নম্বর থেকে আসা ফোন ধরবেন না! জেনে নিন এখনই

সাবধান হোন ; যেসব নম্বর থেকে আসা ফোন ধরবেন না! জেনে নিন

মোবাইল কল রিসিভ করা সংক্রান্ত সতর্কতামূলক একটি পোস্ট ৪ জুলাই সোমবার থেকে, ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। পোস্টটি হচ্ছে:

‘বন্ধুরা আশা করি আপনারা প্রত্যেকেই এই রকম কিছু ফোন নাম্বার থেকে মিস কলের শিকার হয়েছেন। +375602605281, +37127913091 +37178565072 +56322553736 +37052529259+25 5901130460…অথবা, এমন কিছু নম্বর যার শুরুতে এই code গুলো ছিল +375 +371 +381, এই টাইপের নম্বর থেকে একটা মিসড কল হলে অথবা কিছুক্ষণ রিং বেজে বন্ধ হয়ে গেলে, আপনি যদি এই সকল নম্বরের মধ্যে কোনো একটায় কল ব্যাক করেন তবে আপনার ব্যালেন্স থেকে 15-30$ কেটে নেওয়া হবে, আর তিন সেকেন্ডের মধ্যে আপনার কনট্যাক্ট লিস্ট এর সম্পূর্ণ কপি তাদের কাছে পৌঁছে যাবে।

আপনার ফোনে যদি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেলস্ অথবা ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডের তথ্য সেভ করা থাকে তবে সেগুলোও তারা কপি করতে সক্ষম হবে। জেনে নিন এই সকল ফোন কোন কোন জায়গা থেকে করা হয় ও কোন জঙ্গিগোষ্ঠি করে থাকে… এই সকল ফোন ISIS জঙ্গিরা করে থাকে।

সবাই সাবধান হোন। ভুল করেও ফোন রিসিভ করবেন না ও কল ব্যাক করবেন না। আপনার ফোন থেকে কখনও #90 ও #09 প্রেস করবেন না। কোনো নম্বর থেকে ফোন করে আপনাকে প্রলোভন মূলক কোনো কথা বলে যদি #90 ও #09 চাপতে বলা হয়, দয়া করে তা কখনওই করবেন না। এতে আপনার ফোনের সিম কার্ড ক্লোনিং করে, আপনার নম্বরের আর একটি সিম কার্ড বানিয়ে নেবে তারা। তারপর আপনার নম্বর ব্যবহার করে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি বিভিন্ন অসামাজিক কাজ করবে, যার বিন্দুমাত্রও আপনি টের পাবেন না। ফোন ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন, সর্বদা সতর্ক থাকুন।’

– ফেসবুকে অনেক ব্যবহারকারী এই পোস্টটি শেয়ার করছেন। অনেকে এই তথ্যের সূত্র হিসেবে ‘সৌজন্য: র‌্যাব-১’ উল্লেখ করে শেয়ার করছেন। একাধিক অনলাইন পত্রিকা র‌্যাবের সতর্কতা উল্লেখ করে এই পোস্ট নিয়ে নিউজও করেছে।
ফেসবুকে অনেক ব্যবহারকারী পোস্টটি শেয়ার করছেন। তেমনি একজন।

বর্তমানে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার এই পোস্টটির তথ্য র‌্যাবের ওয়েবসাইট কিংবা র‌্যাবের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে গিয়ে দেখা যায়নি। ফলে পোস্টটির তথ্যগুলো সঠিক নাকি ভুল তা নিয়ে বিভ্রান্তিও তৈরি হচ্ছে। অনেকে তথ্যগুলো সঠিক বলে শেয়ার করছেন আবার অনেকে ভুল তথ্য বলে বিশ্বাস না করার জন্য মতামত দিচ্ছেন। বলছেন, বিষয়টি যাচাই করার জন্য। কেননা এটি নাকি ধোকাবাজি তথ্যের।

তবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার অফিসিয়াল ফেসবুকে পেজে এই পোস্ট নিয়ে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের করা নিউজ শেয়ার করায়, অনেকে বিশ্বাস না করে পারছেন না।
ভাইয়ের মরদেহ দেখে অঝোরে কাঁদছেন মুস্তাফিজ, বাড়িতে তাদের শোকের মাতম

ভাইয়ের মরদেহ দেখে অঝোরে কাঁদছেন মুস্তাফিজ, বাড়িতে তাদের শোকের মাতম

ভাইয়ের মরদেহ দেখে অঝোরে কাঁদছেন মুস্তাফিজ, বাড়িতে তাদের শোকের মাতম

ঈদ আনন্দ উদযাপন করার জন্য গ্রামের বাড়িতে যান মুস্তাফিজুর রহমান। পরিবারের সাথে ঈদ করবেন বলে মুখিয়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু ঈদ আনন্দ মাটি হয়ে গেলো তার পরিবারের।

মুস্তাফিজুর রহমান অঝোরে কাঁদছেন। মিষ্টি হাসির মুস্তাফিজের পরিবারে শোকের ছায়া। ঈদের নামাজও আদায় করতে পারেননি মুস্তাফিজের পরিবারের সদস্যরা। নামাজের জন্য গোসলের আগে মুস্তাফিজদের বাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট
হয়ে মারা যান তার চাচাতো ভাই।

বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত ঘটণা ঘটে। মুস্তাফিজদের পরিবারে রান্নাঘরে চলছে ঈদে নানা ধরনের খাবার দাবার তৈরির কাজ। চলছে অতিথির জন্য অপেক্ষাও। ঠিক এমনই এমন মুহূর্তে বিপদ।

মুস্তাফিজের নতুন দোতলা ভবনের উপরে পানি তুলবার জন্য বসানো একটি বৈদ্যুতিক মোটরে গোলমাল দেখা দেয়। মুস্তাফিজের চাচাতো ভাই মোতাহার হোসেন সেটি সারতে নিজেই কাজ শুরু করেন।

ক্যাবলে সংযোগ দিতে গিয়েই হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। দ্রুত তাকে নিয়ে যাওয়া হয় নলতা হাসপাতালে । কিন্তু ডাক্তারের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এক ছেলের বাবা ২৮ বছরের কৃষক মোতাহার হোসেন।

নিথর মরদেহ এসেছে মুস্তাফিজের বাড়িতে। মরদেহ দেখে অঝোরে কাঁদছেন মুস্তাফিজ। তাদের বাড়িতে এখন শোকের মাতম। শোকাহত জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।
বাজারে আসছে ‘গাঁজা কনডম’!

বাজারে আসছে ‘গাঁজা কনডম’!

বাজারে আসছে ‘গাঁজা কনডম’!

কনডমের বাজারে এসেছে এসেছে এক অদ্ভূত পরিবর্তন। স্ট্রবেরি ফিলিংস থেকে ঠান্ডা অনুভূতির কনডম! তালিকায় কি না নেই। কিন্তু তা বলে গাঁজা ফ্লেভার কনডম। শুনেছেন কখনও? হ্যাঁ, এবার শুনবেন। খুব দ্রুত বাজারে আসতে চলেছে গাঁজা ফ্লেভার কনডম। আর তা বাজারে আসলেই প্রেম আর ধোঁয়া সবকিছুই মিলেমিশে এক হয়ে যাবে। যার ফলে নেশা-গন্ধে রাত হয়ে উঠবে আরও মধুময়।

গাঁজাপ্রেম, নেশাপ্রেম, শরীরপ্রেম সঙ্গে অবশ্যই সচেতনতা! ‘ক্যানাডোমস’ নামের কোম্পানি প্রথম তৈরি করেছে এই কনডম। চাহিদা থাকলেও দাম কিন্তু বেশ চড়া। ৫০টি কনডমের মূল্য ৫৪ ডলার।
গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশি উদ্ভাবকের বিদ্যুৎবিহীন এসি

গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশি উদ্ভাবকের বিদ্যুৎবিহীন এসি

গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশি উদ্ভাবকের বিদ্যুৎবিহীন এসি

কোমলপানীয় ও বোতলজাত পানির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে প্লাস্টিকের বোতল এখন সহজলভ্য। অনেকেই প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে ফুলদানি কিংবা টব বানাচ্ছেন। কিন্তু কখনও ভেবেছেন এই প্লাস্টিকের বোতল দিয়েই তৈরি করা সম্ভব শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) যন্ত্র? শুধু তাই নয়, এই এসিতে কোনও বিদ্যুৎ লাগবে না। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- খুব সহজেই এটা তৈরি করে ঘর শীতল রাখা যাবে। অসম্ভব মনে হলেও অভিনব বিদ্যুৎবিহীন ও পরিবেশবান্ধব এমনই এসি উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশি ‍উদ্ভাবক আশীষ পাল। সেই এসি এখন ছড়িয়ে যাচ্ছে গ্রাম থেকে গ্রামে।
বিজ্ঞানমনস্ক আশীষ পাল কাজ করেন সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞাপনী সংস্থা গ্রে গ্রুপে। প্রতিষ্ঠানটিতে তিনি ক্রিয়েটিভ সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত। তিনিই প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে স্বল্প খরচে এ বিদ্যুৎবিহীন ও পরিবেশবান্ধব এসি উদ্ভাবন করেছেন। তার এই উদ্ভাবনের পর গ্রে গ্রুপ কল্যাণমূলক কাজ হিসেবে গ্রামীণ বাংলার হাজার হাজার মানুষকে এই যন্ত্র তৈরি শেখানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
গ্রে গ্রুপের প্রশিক্ষক দল বেসরকারি সংস্থা গ্রামীণ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইন্টেলের মিলিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ-ইন্টেলের সহায়তায় গ্রামে গ্রামে যাচ্ছে ও গ্রামবাসীদের এই যন্ত্র তৈরির পদ্ধতি শেখাচ্ছে। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইকো কুলার’। এ প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি করা যন্ত্রগুলো বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। গ্রামীণ-ইন্টেল যৌথভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

গ্রে গ্রুপের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর জাইয়ানুল হক জানান, বাংলাদেশের গ্রামীণ মানুষদের কথা সব সময় ভাবতেন আশীষ পাল। একদিন তিনি শুনতে পান তার মেয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক ব্যাখ্যা করছেন, দ্রুত গতিতে গ্যাস চলাচলের ফলে তা শীতল হয়। গ্যাস শীতল হওয়ার এই ব্যাখ্যা তার মনে দাগ কাটে। বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কাজ করলেও আশীষ পালের উদ্ভাবনী মন ছিল। তাছাড়া বিজ্ঞানের প্রতিও ছিল বেশ আসক্তি। এরপর থেকেই তিনি পরীক্ষা শুরু করেন। যখন সফল হলেন আমাদের তা জানালেন। প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে পরিবেশ বান্ধব এসি বানানোর কৌশলটি অভিনব এবং খুব সহজ।
জাইয়ানুল হক আরও জানান, বন্যাপ্রবণ দেশ হওয়ায় গ্রামের অনেক মানুষই বাড়ি তৈরির জন্য মাটির বদলে ব্যবহার করেন টিন। এই টিনের ঘরবাড়িগুলো গরমের সময় অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি নিজেও এ ধরনের বাড়িতে থেকেছেন। ফলে কী ভয়াবহ কষ্টে টিনের ঘরের মানুষদের দিন কাটাতে হয় তা তিনি জানেন। ফলে তারা গ্রামীণ মানুষদের জন্য ‘ইকো কুলার’ প্রকল্প শুরু করেছেন। গত বছর মার্চ মাসে প্রথম ইকো কুলার তৈরি করা হয়। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে গ্রামে গ্রামে এই যন্ত্র বানানো শেখানো শুরু হয়েছে। এই যন্ত্র চালাতে কোনও বিদ্যুৎ সংযোগ প্রয়োজন হয় না। ফলে, এর সাহায্যে সহজেই ঘর শীতল রাখতে পারবেন গ্রামের মানুষ।
সংস্থাটি জানায়, এই যন্ত্র দিয়ে ঘরের তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত কমিয়ে আনা যায়। যখন ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা কমে ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে নেমে আসে তা মানুষকে অনেক স্বস্তি দেয়।
যেভাবে তৈরি করা যায় এই কুলার:
বাতাস শীতল করার এই যন্ত্রের নির্মাণ কৌশল বিস্ময়কর সাদামাটা। এটি তৈরি করতে হলে কয়েকটি প্লাস্টিকের বোতল মাঝ বরাবর কেটে বোতলগুলোর গলা একটি শক্ত কাগজে আটকে দিতে হবে। বোতলের গলার সরু অংশ ঘরের দিকে মুখ করে কাগজের বোর্ডটি জানালায় স্থাপন করলেই হয়ে যায় একটি কুলার। কাটা অংশ দিয়ে বাতাস এসে সরু অংশ দিয়ে বের হওয়ার সময় চাপের ফলে শীতল হয়ে পড়ে।এই কুলারের কর্মকৌশলটির সহজ ব্যাখ্যা হচ্ছে, আমরা মুখ হা করে যদি জোরে শ্বাস ছাড়ি তাহলে গরম বাতাস বের হয়ে আসে। কিন্তু ঠোঁট সরু করে শ্বাস ছাড়লে তা ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। এ প্রক্রিয়াতেই ঘরের বাতাস শীতল করে ‘ইকো কুলার’।
সংস্থাটির আশা, বাংলাদেশে প্লাস্টিকের বোতল খুব সহজলভ্য হওয়ার কারণে এই ইকো কুলার তৈরি একেবারে সহজ। এর মধ্য দিয়ে গ্রামের মানুষরা প্রচণ্ড গরমে কিছু স্বস্তি পাবেন।

ভিডিওতে ইকো কুলার বানানোর কৌশল:


Wednesday, 6 July 2016

মেয়েদের উত্তেজিত তোলার অতি সহজ পদ্ধতিগুলো জেনে নিন!

মেয়েদের উত্তেজিত তোলার অতি সহজ পদ্ধতিগুলো জেনে নিন!

মেয়েদের উত্তেজিত তোলার অতি সহজ পদ্ধতিগুলো জেনে নিন!

কটা মেয়েকে উত্তেজিত এর জন্য রেডি করা বা হর্ণি করার জন্য প্রথমে যে পদ্ধতিটা প্রয়োগ করা উচিত বা করবেন তা হল স্পর্শ৷ এটিকে শুনতে যেন তেন ব্যপার মনে হলেও এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ঠিকমত স্পর্শ করতে পারলে আপনি খুব সহজেই কোনো মেয়েকে কামুকি করে তুলতে পারবেন৷

প্রথমে অবশ্যই আপনাকে আপনার মনের মধ্য থেকে ভয় টা দূর করতে হবে৷ মনে ভয় থাকলে এগুলো অনেক কঠিন হয়ে যাবে৷ যার সাথে করার উদ্দেশ্য আপনার, তাকে আপনি বিভিন্ন সময় টাচ করুন৷ এটি কিন্তু নরমাল হাত ধরা না। চেষ্টা করবেন কাঁধের দিকটায় বেশি ধরার। ধরে রেখে দিতে হবে এমন না, ধরুন – ছাড়ুন। বিভিন্ন কথা প্রসঙ্গে, অবচেতন ভাবে ভান করে ধরুন।

খুব ভাল হয় যদি দু – তিন বার পিঠের দিকের ব্রা টা স্পর্শ করেন জামার উপর দিয়ে। এটি তাকে যথেষ্টই হর্নি করবে। এসময় যদি একটু ফ্লার্ট করেন তাহলে আরো ভাল হয়। মেয়ের সাথে ভাল ফ্রেন্ডলি রিলেশন থাকলে

গালে কিস করবো ইত্যাদি মজা করার স্টাইলে বলেও তাকে নিজের দিকে টান দিন। চেষ্টা করবেন না তার বুকের দিকে হাত দেওয়ার৷ তবে গলা,পিঠ এগুলো ছাড়বেন না। খেয়াল করুন সে এগুলোর প্রেক্ষিতে কেমন আচরণ করে। যদি অন্যরকম হাসি বা একটু ইতস্তত বোধ থাকে তার মধ্যে তো ধরে নেবেন আপনি ঠিক পথেই আছেন।

কিন্তু যদি এমন হয় যে সে দূরে সরে যায় আপনি ধরতে গেলে, কথা ঘোরায় তবে এভাবে চেষ্টা করবেন না। মাঝে মধ্যে তার বুকের দিকে তাকিয়ে থাকবেন তাকে বুঝতে দিয়েই। লজ্জা বা ভয় পাবেন না৷

মনে রাখবেন, পৃথিবী ব্যাপী সবচেয়ে সহজে এবং সুন্দরভাবে মেয়েদের সেক্স তোলা যায় স্পর্শ এর মাধ্যমে। এটিতেই সবচেয়ে সহজে সফল হন বেশিরভাগ মানুষ৷
দ্রুত বীর্যপাতের সমাধান

দ্রুত বীর্যপাতের সমাধান

দ্রুত বীর্যপাতের সমাধান

অনেক পুূরুষই আছেন যারা দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা নিয়ে লজ্জার কারনে কারও সাথে কথা তো দূরের কথা ডাক্তারের কাছেও যেতে চাননা ।মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়ার কারনে এগুলো নিয়ে ডাক্তারের সাথে আলাপ করছে এবং তারা সুস্থতা লাভ করছে। আজকে আমোদের আলোচনা কিভাবে দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা কমানো্ যায় ।

সাধারন ভাবে ডায়বেটিস বা অন্য ধরনের সমস্যা যেমন মানসিক অস্থিরতা বা দূশ্চিন্তা জনিতকারনে এ সমস্যা হতে পারে।

  1. সেরাটোজেনিক এর মাত্রা জন্মগত ভাবে বা কোন কারনে কমে গেলেেএ সমস্যা হতে পারে।
  2. বয়স বাড়ার সাথে সাথে ইজাকুলেশন এর মাত্রা বাড়ে কিন্তু যারা পি ই তে ভূগছেন তাদের ক্ষেত্রে তা নয়।

  3. পরীক্ষায় দেখা গেছে যে সব পুরুষ মিলোনের সময় লিঙ্গ ঠিকমোত ঊথিত হচ্ছে কিনা বা কতক্ষন উথিত থাকবে তা নিয়ে চিন্তা করে তাদের বীর্য পতন তাড়াতাড়ি হয়।

  4. এ সমস্যা থেকে সমধান পেতে হলে সর্বপ্রথম মাদকেকে না বলতে হবে।

  5. অধিক যৌন আবেগ খেকে দুরে থাকতে হবে।

  6. দু জনকেই দুজনকে সঠিক ভাবে বুঝতে চেষ্টা করতে হবে।

  7. প্রথম থেকেেই মৈতুন করা থেকে বিরত থাকতে হবে প্রথমে চুমু দিয়ে শুরু করতে হবে।

  8. সময় নিয়ে এক অপরকে বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

  9. বিভিন্ন থেরাপি দিয়ে ও যাদের কাজ হচ্ছেনা তারা হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সাহায্য নিলে ভাল হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে চিকিৎসকরা দাবি করছে।
গর্ভাবস্থায় যে খাবার গুলো খেলে বাচ্চা ফর্সা হবে

গর্ভাবস্থায় যে খাবার গুলো খেলে বাচ্চা ফর্সা হবে

গর্ভাবস্থায় যে খাবার গুলো খেলে বাচ্চা ফর্সা হবে

বিশেষজ্ঞদের মতে খাদ্য নির্বাচনের উপর সন্তানের শরীরের বর্ণ কেমন হবে তা নির্ভর করে না, এটা নির্ভর করে তাঁর বাবা-মা এর কাছ থেকে যে জিন পেয়েছে তার উপর। তবে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী গর্ভবতী অবস্থায় যে খাবার গুলো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হতে পারে।

আসুন জেনে নেই সেই খাবার গুলির নাম –

১। জাফরান দুধ

অনেক মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় জাফরান দেয়া দুধ পান করে থাকেন। মনে করা হয় জাফরান গর্ভের শিশুর গায়ের রঙ ফর্সা করে।

২। নারিকেল

প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী নারিকেলের সাদা শাঁস গর্ভের শিশুর বর্ণ ফর্সা করে। তবে গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত নারিকেল খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। খেতে পারেন, তবে পরিমিত।

৩। দুধ

গর্ভবতী মহিলাদের দুধ পান করা অত্যাবশ্যকীয়। দুধ শিশুর শরীর গঠনের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। প্রচলিত ধারণা মোটে দুধও ত্বকের রঙ ফর্সা করতে সহায়ক।

৪। ডিম

প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী বিশ্বাস করা হয় যে, যদি ফর্সা বাচ্চা চান তাহলে গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় তিনমাসে ডিমের সাদা অংশ গ্রহণ করা উচিৎ।তবে সত্য এই যে গর্ভাবস্থায় নিয়মিত গোটা ডিম খাওয়া মায়ের জন্য খুব জরুরী। ডিমের অধিকাংশ পুষ্টি গুণ এর কসুমের মাঝেই থাকে। তাই কুসুম খাওয়া বাদ দেয়া চলবে না।
৫। চেরি ও বেরি জাতীয় ফল

চেরি ও বেরি জাতীয় ফলে উচ্চমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের ক্ষতি রোধ করে। তাই স্ট্রবেরি, ব্ল্যাক বেরি, ব্লু বেরি ইত্যাদি ফল খাওয়া হয় সুন্দর ত্বকের জন্য।

৬। টমেটো

টমেটোতে লাইকোপেন থাকে যা ক্ষতিকর আল্ট্রা ভায়োলেট রে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে। বিশ্বাস করা হয় যে, গর্ভাবস্থায় টমেটো খেলে বাচ্চার বর্ণ ফর্সা হয়।

৭। কমলা

কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাই শিশুর শরীর গঠনের জন্য অপরিহার্য। গর্ভাবস্থায় কমলা খেলে শিশুর ত্বক ভালো হবে।

শুধুমাত্র ত্বকের সৌন্দর্যই কোন মানুষের একান্ত আকাঙ্ক্ষিত বিষয় হতে পারে না। তাই গর্ভবতী মায়েদের উচিত একটি সুস্থ্য, মেধাবী ও স্বাভাবিক শিশুর জন্মের জন্য চেষ্টা করা। এজন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের পাশাপাশি নিজের জীবনাচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। অ্যালকোহল গ্রহণের অভ্যাস থাকলে বর্জন করা উচিত। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, খুব বেশি ওজন হলে প্রি ম্যাচিউর বেবির জন্ম হয় যা বাচ্চার আইকিউ এর উপর প্রভাব ফেলে।

নিয়মিত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। এতে বাচ্চার ব্রেইন এর গঠন ও অন্যান্য অঙ্গের গঠনে সহায়তা করে। বিজ্ঞানীদের মতে গর্ভের শিশু শুনতে পায় এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দেয়। গর্ভের শিশুর সাথে কথাবলুন, গান করুন এবং ধর্মীয় বই ও বিখ্যাত মনীষীদের জীবনী পড়ুন।কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, গর্ভে থাকতে শিশু যে কণ্ঠস্বর শুনেছে জন্মের পর সেই কণ্ঠস্বর শুনলে শিশু শান্ত হয়।
ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে কয়েকটি ভুল ধারণা

ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে কয়েকটি ভুল ধারণা

ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে কয়েকটি ভুল ধারণা

কোনো নতুন খবর আছে নাকি? বিয়ের পর নতুন বউকে এ কথা জিজ্ঞেস করে থাকেন অনেকেই৷ এতে কোনো লজ্জাবোধ না থাকলেও, ঋতুস্রাব নিয়ে কথা বলতে লজ্জার যেন শেষ নেই৷ তাছাড়া এ মাসিক নিয়ে আমাদের সমাজে রয়েছে নানা কুসংস্কারও৷ চুল ধোয়া ঋতুস্রাব হলে বলা হয়, মেয়েদের দু’দিন চুল ধোয়া উচিত নয়৷ এটার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই৷ বরং চিকিৎসকরা বলে থাকেন মাথায় পানি দিলে মাসিকের ব্যথা অনেকটা কমে এবং এতে আরাম পাওয়া যায়৷ মাসিকের দিনে সাঁতার আগেরকার দিনে পুকুরে গোসল করতো অনেকেই৷ তাই হয়ত পানি নোংরা হওয়ার ভয়ে এ নিয়ম চালু হয়েছিল যে, মাসিক হলে গোসল করা যাবে না৷

কিন্তু এখনকার গোসলখানায় সে ধরনের কোনো অসুবিধা নেই৷ এমনকি ট্যাম্পন পরে অনেকে সাঁতারও কাটে এ সময়ে৷ অচ্ছুৎ ও অভিশপ্ত মাসিকের চারদিন মেয়েদের সাথে এমন ব্যবহার করা হয়, যেন তারা অচ্ছুৎ এবং অভিশপ্ত৷ তাদের গাছে পানিও দিতে দেয়া হয় না৷ আমাদের সমাজে প্রচলিত ধারণা, তাদের দেয়া পানিতে গাছ নাকি মরে যাবে৷ মসলাযুক্ত খাবার মাসিকের সময় হরমোন বেশি সক্রিয় থাকে৷ মসলাযুক্ত খাবার তাই না খাওয়া ভালো৷ কিন্তু অনেক বাড়িতে আচার ছুঁতে দেয়া হয় না মেয়েদের, এতে নাকি আচারও নষ্ট হয়ে যাবে৷ এমনকি আচার খেতেও দেয়া হয় না তাদের৷ যৌন সম্পর্ক নয় মাসিক চলাকালীন মেয়েদের শরীর কিছুটা দুর্বল থাকে৷ অনেকের খুব ব্যথা হয়৷ তাই এ সময়ে মেয়েদের বিশ্রাম করা দরকার৷ মনে করা হয়, এ সময় যৌন সম্পর্কে লিপ্ত না হওয়াই ভালো৷ স্বামীর উচিত স্ত্রীকে এ সময় বিশ্রাম দেয়া ও যত্ন নেয়া, যাতে তার কাজের চাপ বেশি না হয়৷

রান্নাঘরে ঢুকতে মানা অনেক হিন্দু পরিবারে মাসিক চলাকালীন মেয়েদের রান্না ঘরে ঢুকতে দেয়া হয় না৷ বিশেষ করে বড় পরিবারে এ ধরনের কুসংস্কার লক্ষ্য করা যায়, তারা মনে করে এতে খাবার দূষিত হয়৷ এই ধারণা একেবারেই ভুল৷ বিছানায় শুতে না দেয়া অনেক পরিবারে মাসিক চলাকালীন মেয়েদের বিছানায় শুতে দেয়া হয় না৷ মাটিতে শুতে বলা হয়৷ কোনো কোনো পরিবারে তো ঘরে নয়, বরং বাইরে,অর্থাৎ বারান্দায় শুতে দেয়া হয় তাদের৷ অথচ এতে যে ঐ মেয়েটির কষ্ট আরো বেড়ে যায়, তা কেউই লক্ষ্য করে না৷ নাপাক রক্ত! অনেকেই বলে থাকেন, মাসিকের রক্ত নাপাক, মানে অপবিত্র৷ তাদের ধারণা এই রক্ত দিয়ে জাদু, ঝাড়ফুকও করা যায়৷ আশ্চর্যের বিষয়, শুধুমাত্র অশিক্ষিত পরিবারে নয়, অনেক শিক্ষিত পরিবারেও এ ধারণা প্রচলিত আছে৷
সপ্তাহের কোন দিন মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সব থেকে বেশি?

সপ্তাহের কোন দিন মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সব থেকে বেশি?

সপ্তাহের কোন দিন মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সব থেকে বেশি?

সপ্তাহের শনিবার নারীরা বিছানায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন বলে দাবি করা হয়েছে সদ্য প্রকাশিত এক গবেষণায়। আড়াই হাজারেরও বেশি নারীর উপর জরিপ চালিয়ে এ তথ্য দিয়েছে হেলথ এন্ড বিউটি রিটেইলার ‘সুপারড্রাগ’।

জরিপের ফলাফলে বলা…

হয়, বেশিরভাগ নারীরই সপ্তাহের অন্তত: একটি রাতে যৌন চেতনা তীব্রতর হয়। আর সে রাতটি হলো শনিবার রাত। জরিপ ফলাফলে আরো বলা হয়, নিজেদের আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য নারীরা একাধিক পন্থা অবলম্বন করেন। এক্ষেত্রে উষ্ণ পানিতে গোসল তাদের বিশেষ পছন্দ। পছন্দের প্রথমে রয়েছে বডি স্প্রে’র ব্যবহার। তবে চুলের স্টাইল এবং মুখের হাসির প্রতিও তারা এ রাতে একটু বেশি যত্নশীল হন।

এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ‘সুপারড্রাগ’-এর সারা বোলওয়ারসন বলেন, ‘আমরা একটি ভোটের ব্যবস্থা করেছিলাম। সেই ভোটের ফলের ভিত্তিতে আমরা জরিপটি চালাই। তাতে দেখা গিয়েছে, নিজেদেরকে আকর্ষণীয় দেখাতে কী কী করতে হবে, সেটা নারীরাই সব থেকে ভালো বোঝেন। কিন্তু সাধারণত নারীরা সর্বদা সে সব করেন না। সপ্তাহে যে কোনো একটি বিশেষ দিনে তাঁরা সেই সব পন্থা নেন। এবং সেটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শনিবার।’

Sunday, 3 July 2016

নকল স্যামসাং ফোন কিভাবে চিনবেন?

নকল স্যামসাং ফোন কিভাবে চিনবেন?

নকল স্যামসাং ফোন কিভাবে চিনবেন?

বিভিন্ন বাজার এবং অনলাইন কেনাকাটার ওয়েবসাইটে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে স্যামসাংয়ের নকল স্মার্টফোন। দামি স্মার্টফোন গুলোর নকলই মূলত দেশের বাজারে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে অ্যাপলের আইফোন এবং স্যামসাংয়ের বিভিন্ন মডেলের নকল ফোন প্রকাশ্যে, এমনকি নকল ঘোষণা দিয়েই বিক্রি হচ্ছে। নকল হওয়া স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে স্যামসাংয়ের ফোনের সংখ্যাই বেশি। তবে সনি ও এইচটিসির দু-একটি মডেলের স্মার্টফোনের নকলও বাজারে দেখা যায়।

নকল স্যামসাং ফোন চিনবেন যেভাবে

পর্দার চারপাশে একটি কালো আকৃতির খালি অংশ থাকে।
আসল স্মার্টফোনের হোম বাটনটি পর্দার নিচে খুব কাছাকাছি থাকবে। নকলগুলোতে একটু নিচে থাকে, যা খেয়াল না করলে বোঝা যায় না।
নকল ফোনে স্যামসাংয়ের লোগোতে নখ বা অন্য কিছু দিয়ে আঁচড় কাটলে সেটি উঠে যায়।
নকল স্মার্টফোনের প্যাকেটের সঙ্গে সাধারণত একটি ফ্লিপ কভার বিনা মূল্যে দেওয়া হয়, যা আসল ফোনের সঙ্গে থাকে না।
ওপরের পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ করেও যদি বুঝতে না পারেন যে সেটি আসল না নকল ফোন সে ক্ষেত্রে ‘এলসিডি টেস্ট’ করে নিতে পারেন। ফোনটিতে *#০*# চাপুন। ফোন আসল হলে সঙ্গে সঙ্গে পর্দায় এলসিডি টেস্ট দেখা যাবে। নকল সেটে এটি কখনোই আসবে না।
আসল ফোনে *#১২৩৪# চাপলে ভার্সন এপি, সিপি ও সিএসসি সিরিয়াল নম্বর, *#০ *# চাপলে জেনারেল টেস্ট মোড এবং *# ০২২৮# দিয়ে ব্যাটারি স্ট্যাটাস দেখা যাবে। নকল ফোনে এসব ‘কোড’ কাজ করে না।
সহজেই এফএম (FM) ট্রান্সমিটার বানাবেন যেভাবে...

সহজেই এফএম (FM) ট্রান্সমিটার বানাবেন যেভাবে...

সহজেই এফএম (FM) ট্রান্সমিটার বানাবেন যেভাবে...

এফ এম কথার পুরো মানে হল ফ্রিকুয়েন্সি মডিউলেশন। সোজা কথায় একটা ফ্রিকুয়েন্সি কে আর একটা ফ্রিকুয়েন্সির প্যাকেটের ভিতর পুরে সাপ্লাই দেওয়া। এই ফ্রিকুয়েন্সির রেঞ্জ টা পড়ে ভেরী হাই ফ্রিকুয়েন্সী রেঞ্জে(VHF). ৮৮ থেকে ১০৮ মেগা সাইকেলস প্রতি সেকেন্ড।



পুরো সারকিট টা কে কয়েক টা ভাগে ভাগ করে নিলে বুঝতে সুবিধা হবে।
১।অসিলেটর পারট- এই পারট তা মূলত ক্যারিয়ার ফ্রিকুয়েন্সী  তৈরী করে। একটা ক্যাপাসিটর আর একটা ইন্ডাক্টার এর প্যারালাল কানেকশন এই কাজ টা করে থাকে। এটাই ট্রান্সমিটারের সবচেয়ে সেন্সিটিভ অংশ। এবার অসিলেটর এর ফ্রিকুয়েন্সী কত হবে সেটা বের করতে হবে নিচের সূত্র দিয়ে

f = 1 / 2 x √LC = Hz 
 Where f is the frequency in hertz, x is the coil length, C is the capacitance of trimmer in Farads, and L is the inductance of coil in Hendry.  
 
সাধারন মাল্টিমিটার গুলোতে ইন্ডাকটেন্স মাপার অপশন থাকে না। হাতে তৈরি কয়েল
(২২ গজ এর তার) এর ইন্ডাক্টেন্স বের করতে হবে নিচের সূত্র দিয়ে।
The inductance of the coil can be calculated using the formula 
L = n^2 r^2 / 9r + 10 x 
Where r is the inner radius of the coil, x is the length of the coil and n, number of turns. The resulting value is in Micro Henry. 
এখানে ক্যাপাসিটর টি ভেরিয়েবল।নব টি ঘুরিয়ে ফ্রিকুয়েন্সি ঠিক করে নিতে হবে।
এবার আসি ভয়েস ইনপুট অংশে। এখানে একটা কনডেন্সার মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়েছে, এটা শব্দ কে এসি সিগ্নালে পরিনত করে ট্রানজিস্টারের বেসে চালান করে। এই অংশে কয়েকটি ক্যাপাসিটর দেওয়া হয়েছে ডিকাপ্লিং এর জন্য। রেজিস্ট্যান্স গুলো ব্যবহার করা হয়েছে উপযুক্ত বায়াসিং করার জন্য।
মিক এর পজিটিভ প্রান্তের সাথে ভেরিয়েবল রেজিস্ট্যান্স টি দেওয়া হয়েছে সেন্সিটিভিটি নিয়ন্ত্রনের জন্য।
এবার আসি মডিউলেশনে ।একটি এন পি এন ট্রানজিস্টর এই কাজ টি করে থাকে। 2N 2222A  ট্রানজিস্টর টির গুনাবলি দেখে নিই
2N 2222A is the common NPN transmitter used in general purpose amplifications. It has maximum power rating of 0.5 Watts. Over powering of 2N 2222A can generate heat and destroy the device. So maximum power output should be around 125 milli watt.  Pin assignment of 2N 2222 A is 1 Emitter - 2 Base - 3 Collector (EBC) from the front side (Flat side on which the number is printed).
এই পরিমান পাওয়ার ৩০ থেকে ৫০ ফুট এরিয়া কভার করতে পারে, এর পরে সিগ্ন্যাল দুরবল হয়ে পড়ে।
এবার কাজ হল ট্রান্সমিটিং সেকশনের, একটা সাধারন তারকে বা টেলিস্কোপিক এন্টেনা কে এন্টেনা হিসাবে ব্যবহার করা জায়। এখানে এন্টেনার লেন্থ টা খুব ইম্পরট্যান্ট। এটা বের করার একটা রুল আছে
As a rule, the length of the antenna should be ¼ of the FM wave length. To determine the length of antenna, use the following equation. 
By multiplying the Wave frequency and wave length will give the speed of light. 
Speed of Light = Frequency of Oscillation x Wavelength = in Kms/ Sec 
Wave length = Speed of light / Frequency = in meters Antenna length = 0.25 x wavelength = in meters  ।

সবি তো হল হল এবার আসল জিনিসটাই বাকি , পাওয়ার সাপ্লাই। এর জন্য একটা ৯ ভোল্টের ব্যাটারি ব্যবহার করাই সবথেকে ভালো। ট্রান্সফরমার দিয়ে সাপ্লাই দিলে নয়েজ আসবে।

এবার যে কথাগুলো না বললেই নয়-

১।ঠিকঠাক ক্যালিব্রেট না করতে পারলে ফ্রিকুয়েন্সি এফ এম রেঞ্জ এর বাইরে চলে যেতে পারে।
২।ফ্রিকুয়েন্সির স্ট্যাবিলিটির জন্য কমারশিয়াল ট্রান্সমিটার গুলো তে ক্রীস্টাল অসিলেটর ব্যবহার করা হয়।

বেশি রেঞ্জ আর ক্লিয়ারিটির জন্য প্রয়োজন হয় মাল্টিস্টেজ এম্পলিফিকেশন, ফিল্টারিং আরও অনেক কিছু।এগুলি নিজের হাতে বানানো বেস কঠিন।তাও একবার আসুন চেস্টা করে দেখি।
স্লো কম্পিউটার ফাস্ট করার ছোট এবং খুবই কার্যকরী টিপস

স্লো কম্পিউটার ফাস্ট করার ছোট এবং খুবই কার্যকরী টিপস

স্লো কম্পিউটার ফাস্ট করার ছোট এবং খুবই কার্যকরী টিপস

বিস্ময়করভাবে কিছু প্রোগ্রাম স্টার্টআপের সময় চালু হয়, যেগুলো স্টার্টআপ ফোল্ডার লিস্টের বাইরে। এগুলো দেখতে চাইলে সিস্টেম কনফিগারেশন টুল রান করুন। এক্সপির ক্ষেত্রে Start→Run-এ ক্লিক করে MSconfig টাইপ করে এন্টার চাপতে হবে। উইন্ডোজ ৭ এবং ভিস্তার ক্ষেত্রে Start-এ ক্লিক করে সার্চ বক্সে MSconfig টাইপ করুন এন্টার চাপার আগে। এবার Startup ট্যাবে ক্লিক করুন সব স্টার্টআপ আইটেম উন্মোচন করার জন্য। স্টার্টআপের সময় চালু হয় এমন আইটেম থামানোর উদ্দেশ্যে বক্সের টিক অপসারণ করার জন্য ক্লিক করুন। কোনো আইটেম অপসারণ করার আগে চেক করে দেখুন প্রতিটি আইটেম কিসের জন্য। প্রোগ্রামের নামের জন্য ওয়েব সার্চ পারফরম করলে সাধারণত উন্মোচিত হয় আইটেমটি কী কাজ করে। যদি কোনো সন্দেহ থাকে, তাহলে ওই বিষয় এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

নুতন Computer কিনেছেন। কিনার সময় যে স্পিড ছিল তার অর্ধেকও নেই এখন। মানে আপনার PC Slow হয়ে গেছে। প্রোগ্রাম খুলতে দেরী করে, ক্লিক করার পর দীর্ঘক্ষণ ঝিমাতে থাকে, একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম খুলে কাজ করা যায়না যা আগে যেত, প্রায় সময় হ্যাং করে ইত্যাদি সমস্যায় ভুগেন প্রায় ইউজার। কম্পিউটারের এ আচরণ নিশ্চয় কারো ভাল লাগে না। কাউকে বললে RAM বাড়ানোর পরামর্শই দেন শুধু। আসুন কিছু কাজ করে দেখি।
Computer এর Speed বাড়ানোর জন্য যে কথাটি সর্বপ্রথম আসে তার নাম হলো RAM এবং Processor এবং তার সাথে সামঞ্জপূর্ণ মাদারবোর্ড। অর্থাৎRAM বাড়িয়েএবং Processor আপডেট করে স্পীড বাড়ানো যায় RAM হয়তো কিছুটা বাড়ানো যায় কিন্তু Processorবাড়াতে গেলে আসে Motherboard এর কথা কারণ পুরাতন Motherboard নতুন Processor কে সাপোর্ট নাও করতে পারে তাই পুরাতনমডেলের পিসি যাতে RAM বা Processor আপডেট করার সুযোগ নেই তাতে নিচের কাজগুলো করা যেতে পারে। এতে Slow Computerবা Slow PC কিছুটা হলেও স্পীড পাবে।
Step 1:
Run এ গিয় লেখুন prefetch তারপর OK দিন যা আসবে সব ডিলিট করুন একইভাবে temp, %temp%, recent লিখে এন্টার দিনএবং সব ডিলিট করুন
Search গিয়েলেখুন  *.tmp এবং সার্চ দিন যা পাবেন সব ডিলিট করেদিন এভাবে  *bac,*.bak, *.bck, *.bk!, *.bk$ গুলোও সার্চদিয়ে Delete করুন। কাজটি উইন্ডোজ এবং নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টল করার পর সাধারণত একবার করলেই হয় অবশ্য অনেক সময় উক্তফাইলগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগে তবে তা এডভান্স ব্যাবহার কারীদের জন্য। RAM যদি বেশি হয় তাহলে কাজটি করে তেমনপার্থক্য বুঝা যাবেনা

৩. সবড্রাইভে Disk Cleanup চালান

৪. সব Drive এ Check Disk চালান

৫. Defragment চালানপ্রতি Drive 

. .৬রেজিস্ট্রি ক্লিন করুন সপ্তাহে অন্তত একবার

৭. CDROM এ কোন CD/DVD থাকলে বের করে ফেলুন।

Step 2:
 Windows এর Automatic Update অপশন Enable থাকলে Disable করে দিন

২। কোন ড্রাইভার বা সফটওয়ারেরর Automatic Update হচ্ছে কি না চেক করে দেখুন Automatic Update অপশন Enable থাকলেDisable করে দিন
বিশেষ করে নেট কানেকশন পাওয়ার পর পিসি স্লো হলে এ অপশনগুলোকে সন্দেহ করতে পারেন


৩। পিসি যদি Virus, Mal-wareSpyware ইত্যাদি Malicious Tools বা ক্ষতিকারক টুল দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে এগুলো পিসিতে ইউজারের অজান্তে বা গোপনে কাজ করে। ইউজার যতই সচেতন হোক তা বুঝতে পারে না। যতক্ষণ পিসি চালু থাকে এ কাজ চলতে থাকে এবং এতে পিসি স্লো হয়ে পড়ে। তাই পিসিতে শক্তিশালী AntivirusFirewall ব্যবহার করতে হবে। এগুলো নিয়মিত Updateকরতে হবে এবং মাঝে মাঝে পিসি স্ক্যান করে দেখতে হবে।তাই আপনার পিসি স্ক্যান করে দেখুন। প্রয়োজনে নতুনভাবে Windows Setup করুন। তারপর অন্য কোন সফটওয়ার ইনস্টল করার আগে নতুন ডাউনলোড করা একটি Antivirus ইন্সটল করুন এবংAntivirusUpdate করে Full Scan দিন। তারপর ড্রাইভার সহ অন্যান্য সফটওয়ার ইনস্টল করুন।
৪। অপ্রয়োজনীয় সফটওয়ার Uninstall করে ফেলুন। C Drive বা Windows ড্রাইভে কমপক্ষে অর্ধেক জায়গা খালি রাখুন। প্রতিটি ড্রাইভে কমপক্ষে ১৫% জায়গা খালি রাখুন। অর্থাৎ কোন ড্রাইভ যেন ডাটায় Full হয়ে না যায়।
Step 3:
 আপনার এন্টিভাইরাস অটোমেটিক স্ক্যান বা সিডিউল স্ক্যান হচ্ছে কি না চেক করে দেখুন যদি এরকম হয় তাহলে সিডিউল স্ক্যান পুরোটা শেষ হতে দিন বা বন্ধ করে দিন সিডিউল স্ক্যান একবারে পুরোটা হতে না পারলে পিসি চালু হওয়ার সাথে সাথে পুণরায় শুরু থেকে হতে পারে এতে পিসি স্লো হয়ে পড়েসিডিউল স্ক্যান সাধারণত সপ্তাহে একবার হয়। যদিও বিভিন্ন এন্টিভাইরাসে বিভিন্ন রকম সেটিংস থাকে বা ইউজারেরা নিজের মত করে সেটিংস করে নেই প্রয়োজনে এন্টিভাইরাসটা UnInstall করে দেখুন।

২। Motherboard এর ড্রাইভারগুলো সঠিকভাবে ইন্সটল না থাকলেও পিসি স্লো হতে পারে বিশেষ করে Graphics আর Chip Set Driverএ জন্য Device Manager চেক করে দেখুন

৩। Start Menu থেকে Run এ গিয়ে (Windows+R) এ গিয়ে msconfig লিখে এন্টার চাপুন। ওখান থেকে Non Microsoft Service গুলো বন্ধ করে দিন। অপরিচিত সার্ভিস পেলে Google এ সার্চ দিয়ে জেনে নিন। তারপর Start-up থেকে অপ্রয়োজনীয় Shortcut গুলো বন্ধ করে দিন।
৪। অনেক সময় ভাইরাস, সফটওয়ার Install/Uninstall বা অন্যান্য কারণে উইন্ডোজের কিছু ফাইল করাপ্ট হয়। এতে হয়ত স্বাভাবিক কাজকর্ম করা যায় তবে কম্পিউটারের স্পিড কমে যায়। এ জন্য sfc কমান্ড চালান। কাজ না হলে Windows Repair বা নতুন করে উইন্ডোজ দিন। এতে ও আপনার কম্পিউটারে স্পিড আসবে।

Step 4:
১। পুরনো পার্টিশন ভেঙে হার্ডডিস্কটিকে নতুন করে পার্টিশন তৈরি করুন। তবে কাজটি করার আগে প্রয়োজনীয় ডাটা বেকআপ নিতে ভুলবেননা।
২। সবশেষে আপনার হার্ডডিস্কে Bad Sector চেক করুন এবং প্রয়োজনে হার্ডডিস্ক পরিবর্তন করুন।
এটিএম (ATM) বুথে নকল টাকা পেলে কী করবেন?

এটিএম (ATM) বুথে নকল টাকা পেলে কী করবেন?

বুথে নকল টাকা পেলে কী করবেন?

আমাদের দেশের অনেক এটিএম বুথে নকল টাকা পাওয়া যাচ্ছে। এই নকল টাকা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিপাকে পড়েছে অনেকে। তাই এটিএম থেকে টাকা তুলেই চলে আসবেন না। সেখানে কিছুক্ষণ দাড়িয়ে টাকা ঠিক আছে কিনা দেখে নিবেন।

বুথ থেকে টাকা তোলার পরপরই যদি নকল টাকার বিষয়ে জানতে পারেন, তাহলে তৎক্ষণাৎ আপনি কিছু ব্যবস্থা নিতে পারেন। এতে পরবর্তীতে ঝামেলা পোহাতে হবে না।

১. বুথের গার্ডকে জানান গার্ডের নিকট বুথের রেজিস্টার খাতা থাকে। আপনি তার সাথে কথা বলে ট্রান্সেকশন আইডি নাম্বার ও টাকার নাম্বার লিখে নিতে পারেন। এরপর সেখান থেকে দ্রুত ব্যাংকে যোগাযোগ করুন। আর টাকা তোলার রিসিপ্টও সাথে বহন করুন।

২. ব্যাংকে টাকা জমা দিলে ব্যাংকের নিজস্ব মেশিন থাকে যা নকল টাকা ধরতে পারে। ব্যাংকের নিকট জানালে আপনার সেই নকল টাকা তারা ছিরে ফেলবে এবং তার পরিবর্তে আসল টাকা ফেরত দিবে।

৩. যদি ব্যাংক মেনে নিতে রাজি না হয় অনেক সময় ব্যাংক কর্মকর্তারা উল্টো আপনাকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। এরকম কিছু হলে সরাসরি আইনের আশ্রয় নিন। ব্যাংকের নামে ও কর্মকর্তাদের আচরণের ব্যাপারে একটি মামলা করে ফেলুন