Showing posts with label সারাদেশ. Show all posts
Showing posts with label সারাদেশ. Show all posts

Saturday, 9 July 2016

সাবধান হোন! যেসব নম্বর থেকে আসা ফোন ধরবেন না! জেনে নিন এখনই

সাবধান হোন! যেসব নম্বর থেকে আসা ফোন ধরবেন না! জেনে নিন এখনই

সাবধান হোন ; যেসব নম্বর থেকে আসা ফোন ধরবেন না! জেনে নিন

মোবাইল কল রিসিভ করা সংক্রান্ত সতর্কতামূলক একটি পোস্ট ৪ জুলাই সোমবার থেকে, ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে উঠেছে। পোস্টটি হচ্ছে:

‘বন্ধুরা আশা করি আপনারা প্রত্যেকেই এই রকম কিছু ফোন নাম্বার থেকে মিস কলের শিকার হয়েছেন। +375602605281, +37127913091 +37178565072 +56322553736 +37052529259+25 5901130460…অথবা, এমন কিছু নম্বর যার শুরুতে এই code গুলো ছিল +375 +371 +381, এই টাইপের নম্বর থেকে একটা মিসড কল হলে অথবা কিছুক্ষণ রিং বেজে বন্ধ হয়ে গেলে, আপনি যদি এই সকল নম্বরের মধ্যে কোনো একটায় কল ব্যাক করেন তবে আপনার ব্যালেন্স থেকে 15-30$ কেটে নেওয়া হবে, আর তিন সেকেন্ডের মধ্যে আপনার কনট্যাক্ট লিস্ট এর সম্পূর্ণ কপি তাদের কাছে পৌঁছে যাবে।

আপনার ফোনে যদি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেলস্ অথবা ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডের তথ্য সেভ করা থাকে তবে সেগুলোও তারা কপি করতে সক্ষম হবে। জেনে নিন এই সকল ফোন কোন কোন জায়গা থেকে করা হয় ও কোন জঙ্গিগোষ্ঠি করে থাকে… এই সকল ফোন ISIS জঙ্গিরা করে থাকে।

সবাই সাবধান হোন। ভুল করেও ফোন রিসিভ করবেন না ও কল ব্যাক করবেন না। আপনার ফোন থেকে কখনও #90 ও #09 প্রেস করবেন না। কোনো নম্বর থেকে ফোন করে আপনাকে প্রলোভন মূলক কোনো কথা বলে যদি #90 ও #09 চাপতে বলা হয়, দয়া করে তা কখনওই করবেন না। এতে আপনার ফোনের সিম কার্ড ক্লোনিং করে, আপনার নম্বরের আর একটি সিম কার্ড বানিয়ে নেবে তারা। তারপর আপনার নম্বর ব্যবহার করে জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি বিভিন্ন অসামাজিক কাজ করবে, যার বিন্দুমাত্রও আপনি টের পাবেন না। ফোন ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন, সর্বদা সতর্ক থাকুন।’

– ফেসবুকে অনেক ব্যবহারকারী এই পোস্টটি শেয়ার করছেন। অনেকে এই তথ্যের সূত্র হিসেবে ‘সৌজন্য: র‌্যাব-১’ উল্লেখ করে শেয়ার করছেন। একাধিক অনলাইন পত্রিকা র‌্যাবের সতর্কতা উল্লেখ করে এই পোস্ট নিয়ে নিউজও করেছে।
ফেসবুকে অনেক ব্যবহারকারী পোস্টটি শেয়ার করছেন। তেমনি একজন।

বর্তমানে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার এই পোস্টটির তথ্য র‌্যাবের ওয়েবসাইট কিংবা র‌্যাবের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে গিয়ে দেখা যায়নি। ফলে পোস্টটির তথ্যগুলো সঠিক নাকি ভুল তা নিয়ে বিভ্রান্তিও তৈরি হচ্ছে। অনেকে তথ্যগুলো সঠিক বলে শেয়ার করছেন আবার অনেকে ভুল তথ্য বলে বিশ্বাস না করার জন্য মতামত দিচ্ছেন। বলছেন, বিষয়টি যাচাই করার জন্য। কেননা এটি নাকি ধোকাবাজি তথ্যের।

তবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক তার অফিসিয়াল ফেসবুকে পেজে এই পোস্ট নিয়ে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের করা নিউজ শেয়ার করায়, অনেকে বিশ্বাস না করে পারছেন না।
ভাইয়ের মরদেহ দেখে অঝোরে কাঁদছেন মুস্তাফিজ, বাড়িতে তাদের শোকের মাতম

ভাইয়ের মরদেহ দেখে অঝোরে কাঁদছেন মুস্তাফিজ, বাড়িতে তাদের শোকের মাতম

ভাইয়ের মরদেহ দেখে অঝোরে কাঁদছেন মুস্তাফিজ, বাড়িতে তাদের শোকের মাতম

ঈদ আনন্দ উদযাপন করার জন্য গ্রামের বাড়িতে যান মুস্তাফিজুর রহমান। পরিবারের সাথে ঈদ করবেন বলে মুখিয়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু ঈদ আনন্দ মাটি হয়ে গেলো তার পরিবারের।

মুস্তাফিজুর রহমান অঝোরে কাঁদছেন। মিষ্টি হাসির মুস্তাফিজের পরিবারে শোকের ছায়া। ঈদের নামাজও আদায় করতে পারেননি মুস্তাফিজের পরিবারের সদস্যরা। নামাজের জন্য গোসলের আগে মুস্তাফিজদের বাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট
হয়ে মারা যান তার চাচাতো ভাই।

বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত ঘটণা ঘটে। মুস্তাফিজদের পরিবারে রান্নাঘরে চলছে ঈদে নানা ধরনের খাবার দাবার তৈরির কাজ। চলছে অতিথির জন্য অপেক্ষাও। ঠিক এমনই এমন মুহূর্তে বিপদ।

মুস্তাফিজের নতুন দোতলা ভবনের উপরে পানি তুলবার জন্য বসানো একটি বৈদ্যুতিক মোটরে গোলমাল দেখা দেয়। মুস্তাফিজের চাচাতো ভাই মোতাহার হোসেন সেটি সারতে নিজেই কাজ শুরু করেন।

ক্যাবলে সংযোগ দিতে গিয়েই হঠাৎ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। দ্রুত তাকে নিয়ে যাওয়া হয় নলতা হাসপাতালে । কিন্তু ডাক্তারের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এক ছেলের বাবা ২৮ বছরের কৃষক মোতাহার হোসেন।

নিথর মরদেহ এসেছে মুস্তাফিজের বাড়িতে। মরদেহ দেখে অঝোরে কাঁদছেন মুস্তাফিজ। তাদের বাড়িতে এখন শোকের মাতম। শোকাহত জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।
গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশি উদ্ভাবকের বিদ্যুৎবিহীন এসি

গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশি উদ্ভাবকের বিদ্যুৎবিহীন এসি

গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশি উদ্ভাবকের বিদ্যুৎবিহীন এসি

কোমলপানীয় ও বোতলজাত পানির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে প্লাস্টিকের বোতল এখন সহজলভ্য। অনেকেই প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে ফুলদানি কিংবা টব বানাচ্ছেন। কিন্তু কখনও ভেবেছেন এই প্লাস্টিকের বোতল দিয়েই তৈরি করা সম্ভব শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) যন্ত্র? শুধু তাই নয়, এই এসিতে কোনও বিদ্যুৎ লাগবে না। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- খুব সহজেই এটা তৈরি করে ঘর শীতল রাখা যাবে। অসম্ভব মনে হলেও অভিনব বিদ্যুৎবিহীন ও পরিবেশবান্ধব এমনই এসি উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশি ‍উদ্ভাবক আশীষ পাল। সেই এসি এখন ছড়িয়ে যাচ্ছে গ্রাম থেকে গ্রামে।
বিজ্ঞানমনস্ক আশীষ পাল কাজ করেন সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞাপনী সংস্থা গ্রে গ্রুপে। প্রতিষ্ঠানটিতে তিনি ক্রিয়েটিভ সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত। তিনিই প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে স্বল্প খরচে এ বিদ্যুৎবিহীন ও পরিবেশবান্ধব এসি উদ্ভাবন করেছেন। তার এই উদ্ভাবনের পর গ্রে গ্রুপ কল্যাণমূলক কাজ হিসেবে গ্রামীণ বাংলার হাজার হাজার মানুষকে এই যন্ত্র তৈরি শেখানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
গ্রে গ্রুপের প্রশিক্ষক দল বেসরকারি সংস্থা গ্রামীণ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ইন্টেলের মিলিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ-ইন্টেলের সহায়তায় গ্রামে গ্রামে যাচ্ছে ও গ্রামবাসীদের এই যন্ত্র তৈরির পদ্ধতি শেখাচ্ছে। প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইকো কুলার’। এ প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি করা যন্ত্রগুলো বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। গ্রামীণ-ইন্টেল যৌথভাবে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

গ্রে গ্রুপের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর জাইয়ানুল হক জানান, বাংলাদেশের গ্রামীণ মানুষদের কথা সব সময় ভাবতেন আশীষ পাল। একদিন তিনি শুনতে পান তার মেয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক ব্যাখ্যা করছেন, দ্রুত গতিতে গ্যাস চলাচলের ফলে তা শীতল হয়। গ্যাস শীতল হওয়ার এই ব্যাখ্যা তার মনে দাগ কাটে। বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কাজ করলেও আশীষ পালের উদ্ভাবনী মন ছিল। তাছাড়া বিজ্ঞানের প্রতিও ছিল বেশ আসক্তি। এরপর থেকেই তিনি পরীক্ষা শুরু করেন। যখন সফল হলেন আমাদের তা জানালেন। প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে পরিবেশ বান্ধব এসি বানানোর কৌশলটি অভিনব এবং খুব সহজ।
জাইয়ানুল হক আরও জানান, বন্যাপ্রবণ দেশ হওয়ায় গ্রামের অনেক মানুষই বাড়ি তৈরির জন্য মাটির বদলে ব্যবহার করেন টিন। এই টিনের ঘরবাড়িগুলো গরমের সময় অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি নিজেও এ ধরনের বাড়িতে থেকেছেন। ফলে কী ভয়াবহ কষ্টে টিনের ঘরের মানুষদের দিন কাটাতে হয় তা তিনি জানেন। ফলে তারা গ্রামীণ মানুষদের জন্য ‘ইকো কুলার’ প্রকল্প শুরু করেছেন। গত বছর মার্চ মাসে প্রথম ইকো কুলার তৈরি করা হয়। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে গ্রামে গ্রামে এই যন্ত্র বানানো শেখানো শুরু হয়েছে। এই যন্ত্র চালাতে কোনও বিদ্যুৎ সংযোগ প্রয়োজন হয় না। ফলে, এর সাহায্যে সহজেই ঘর শীতল রাখতে পারবেন গ্রামের মানুষ।
সংস্থাটি জানায়, এই যন্ত্র দিয়ে ঘরের তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত কমিয়ে আনা যায়। যখন ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা কমে ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে নেমে আসে তা মানুষকে অনেক স্বস্তি দেয়।
যেভাবে তৈরি করা যায় এই কুলার:
বাতাস শীতল করার এই যন্ত্রের নির্মাণ কৌশল বিস্ময়কর সাদামাটা। এটি তৈরি করতে হলে কয়েকটি প্লাস্টিকের বোতল মাঝ বরাবর কেটে বোতলগুলোর গলা একটি শক্ত কাগজে আটকে দিতে হবে। বোতলের গলার সরু অংশ ঘরের দিকে মুখ করে কাগজের বোর্ডটি জানালায় স্থাপন করলেই হয়ে যায় একটি কুলার। কাটা অংশ দিয়ে বাতাস এসে সরু অংশ দিয়ে বের হওয়ার সময় চাপের ফলে শীতল হয়ে পড়ে।এই কুলারের কর্মকৌশলটির সহজ ব্যাখ্যা হচ্ছে, আমরা মুখ হা করে যদি জোরে শ্বাস ছাড়ি তাহলে গরম বাতাস বের হয়ে আসে। কিন্তু ঠোঁট সরু করে শ্বাস ছাড়লে তা ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। এ প্রক্রিয়াতেই ঘরের বাতাস শীতল করে ‘ইকো কুলার’।
সংস্থাটির আশা, বাংলাদেশে প্লাস্টিকের বোতল খুব সহজলভ্য হওয়ার কারণে এই ইকো কুলার তৈরি একেবারে সহজ। এর মধ্য দিয়ে গ্রামের মানুষরা প্রচণ্ড গরমে কিছু স্বস্তি পাবেন।

ভিডিওতে ইকো কুলার বানানোর কৌশল:


Saturday, 18 June 2016

যারা জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করবেন কিংবা হাতে পাননি তাদের জন্য সুখবর

যারা জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করবেন কিংবা হাতে পাননি তাদের জন্য সুখবর

নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে স্বল্প সময়ের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ত্রুটিপূর্ণ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) কারণে নানা ধরনের সেবা পেতে সমস্যা হচ্ছে নাগরিকদের।

যারা জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করবেন কিংবা হাতে পাননি তাদের জন্য সুখবর

এ অবস্থায় এনআইডির তথ্য সংশোধন, ভোটার এলাকা স্থানান্তরসহ অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে নাগরিকদের থানা ও উপজেলা অফিস থেকেই সব সেবা দিতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের আওতাধীন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত দুই পৃষ্ঠার একটি চিঠি সব থানা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সেবা নিয়ে নাগরিক ভোগান্তির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
এমনকি যারা জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করেছেন কিন্তু এখনো হাতে পাননি তারাও যেন কোন ভোগান্তিতে না পড়ে সেই ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সবকিছুই অতিদ্রুত শেষ করতে হবে।
কাক্সিক্ষত সেবা পেতে মাসের পর মাস ঘুরতে হয় সেবা গ্রহীতাদের। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল সিম রেজিস্ট্রেশনে লাখ লাখ নাগরিকের আঙুলের ছাপ না মেলায় তারাও ভোগান্তিতে পড়েন। এছাড়া নতুন বেতন স্কেলে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করায় জাতীয় পরিচয়পত্রে তথ্য ভুল থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেক সরকারি কর্মকর্তা। এমনকি কোথাও কোথাও এ সেবা দিতে টাকা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া এনআইডি কার্ড জালিয়াতির ঘটনা ঘটছে অহরহ। এমন পরিস্থিতিতে মাঠ পর্যায়ে নির্দিষ্ট সময়ে সেবা দেয়ার নির্দেশনা দিল ইসি। ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উপজেলা ও থানা অফিসে নতুন ভোটার নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, ভোটার এলাকা স্থানান্তর সংক্রান্ত আবেদনপত্র গ্রহণ এবং এ সংক্রান্ত সেবা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ও প্রযুক্তিগত সুবিধা, এনআইডি এপ্লিকেশন্স এবং বিভিআরএস সফটওয়্যারের প্রয়োজনীয় আপডেট করে আপলোডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


এতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনের তফসিল হলেও যে কোনো আবেদন গ্রহণ করতে হবে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই ওই সব আবেদন প্রক্রিয়া করতে হবে। আবেদনকারীকে প্রাপ্তি রসিদ দিতে হবে এবং ওই রসিদে বিধি মোতাবেক সেবা প্রদানের সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ করতে হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, অনলাইনে জমাকৃত আবেদন উপজেলা বা থানা অফিসে জমা হলে তা গ্রহণ করে সাধারণ আবেদনের মতো ওই আবেদনকারীকে সেবা দিতে হবে।

Friday, 17 June 2016

সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ করল ৬৫ বছরের বৃদ্ধ

সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ করল ৬৫ বছরের বৃদ্ধ

সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ করল ৬৫ বছরের বৃদ্ধ

কেরানীগঞ্জের মান্দাইল খালেরঘাট এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে কয়েক দফা  ধর্ষণ করেছে নুরুল ইসলাম নামে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ। 
  
শিশুটির মায়ের অভিযোগ, নুরুল ইসলাম জোর করে কয়েক দফা ধর্ষণ করে তার মেয়েকে। কিন্তু ভয়ে মেয়ে কাউকে কিছু বলেনি। 
  
সর্বশেষ বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের মাঠে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণের সময় প্রতিবেশী আরেক শিশু ঘটনাটি দেখে ফেলে। ওই শিশুর মাধ্যমে ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যায়। 
  
জঘন্য এ ঘটনার পর স্থানীয়দের চাপের মুখে অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম পরিবারসহ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে। 
  
তবে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী এ ব্যাপারে বাইরের কারো কাছে মুখ খুলতে শিশুটির মাকে বারন করে দেন। 
  
তিন দিন পর শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় এক যুবক ঘটনাটি সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেন। 
  
সরেজমিন দেখা যায়, মান্দাইল খালেরঘাট এলাকার ফকিরের বাড়িতে ছোট একটি ঝুপড়ি ঘরে মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকেন স্বামী পরিত্যক্তা আঁখি। যন্ত্রনায় কাতর তার শিশু সন্তানটি বিছানায় শুয়ে কান্নাকাটি করছে। মেয়ের চিকিৎসার খরচ চালানোর সামর্থ্যও তার নেই। 
  
দুই বছর আগে আরেকটা বিয়ে করে এক মেয়েসহ আঁখিকে ফেলে মেয়ে চলে গেছেন তার স্বামী। একমাত্র মেয়েকে নিয়ে থাকেন তিনি। রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের একটি প্লাস্টিক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন শিশুটির মা। 
  
আঁখি বলেন, নুরুল ইসলামকে তিনি চাচা বলে ডাকেন। আর মেয়ে নানাভাই বলে ডাকে। পাশাপাশি তারা ভাড়া থাকেন। কাজে গেলে মেয়েকে ঘরে রেখে যান। 
  
এ সুযোগে প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম প্রায়ই তার মেয়ের সঙ্গে আশালীন আচরণ করতো। কয়েকবার ধর্ষণও করে। 
  
তিনি বলেন, নুরুল ইসলামের ভয়ে মেয়ে কাউকে কিছু বলেনি। গত বুধবারও বস্তির পাশের মাঠে নিয়ে ধর্ষণ করে। তখন এক শিশু ঘটনাটি দেখে ফেলে। ওই শিশু এসে সব বলে দেয়। 
  
ঘটনা জানাজানি হলে পাশবিক নির্যাতনের শিকার শিশুটি আগাগোড়া সব  মায়ের কাছে বলে দেয়। 
  
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি ফেরদাউস হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তাছাড়া কেউ কোনো অভিযোগও করেনি।
যশোরে জোড়া লাগানো দুই কন্যার জন্ম

যশোরে জোড়া লাগানো দুই কন্যার জন্ম

যশোরে জোড়া লাগানো দুই কন্যার জন্ম

যশোরের চৌগাছা উপজেলার উজিরপুর গ্রামের মিন্টু হোসেন নামের এক কৃষকের স্ত্রী জোড়া লাগানো কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

কন্যা শিশু দুটির হাত, পা, মাথা আলাদা রয়েছে। তবে তাদের পেট জোড়া লাগানো রয়েছে।

রিনা খাতুন (৩৫) নামের ওই গৃহবধূ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে চৌগাছার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে অপারেশনের মাধ্যমে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। প্রসূতি ওই ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোড়া শিশুকে সকাল ১০টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জোড়া লাগানো শিশু সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন সেবিকা ও চিকিৎসকরা।

নবজাতকের চাচা আকতারুজ্জামান বলেন, কৃষক মিন্টু হোসেন ও গৃহিনী রিনা খাতুনের তিন সন্তান রয়েছে।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, জোড়া লাগানো শিশুকে এক নজর দেখার জন্য মানুষ শিশু ওয়ার্ডে ভিড় করছে।

শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা সেবিকা শারমিন নাহার বলেন, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহফুজুর রহমানসহ কয়েকজন ডাক্তার শিশুটিকে কয়েক দফায় দেখেছেন। তারা শিশুকে ঢাকায় নেয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন, শিশু দুটির শরীরের অর্গানগুলো যদি আলাদ থাকে, তবে তাদের ঢাকা নিয়ে আলাদা করা সম্ভব হবে।
বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে পা হারালেন ছোট ভাই

বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে পা হারালেন ছোট ভাই

বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে পা হারালেন ছোট ভাই

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বড়ভাইয়ের দায়ের কোপে পা হারিয়েছেন ছোট ভাই খাজা মিয়া। 
  
মুমুর্ষ অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
  
বৃহষ্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার গোবর্ধনপুরে এ ঘটনা ঘটে। 
  
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের গোবর্ধনপুরের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে রাজা মিয়া (৬৩) ও খাজা মিয়া (৬০)। পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে বিরোধ চলছে। 
  
বৃহস্পতিবার বিকালে বড় ভাই রাজা মিয়া তার দুই ভাগিনা- শরিফুল ইসলাম ও আজিজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ছোট ভাই খাজা মিয়াকে চককরিম গ্রামের পাথারে জমির মধ্যে ধরে ধারালো দা দিয়ে বাম পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রেখে যায়। 
  
স্থানীয়রা তাকে মুমুর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়। 
  
এ ব্যাপারে আরএমও ডা. জিয়াউল ইসলাম বলেন, প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় রোগীর অবস্থা আশংকাজনক। তাই তাকে রংপুরে প্রেরণ করা হয়েছে। 
  
পীরগঞ্জ থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কোচিং বিরোধী অভিযান, পালালেন শিক্ষকেরা

কোচিং বিরোধী অভিযান, পালালেন শিক্ষকেরা

কোচিং বিরোধী অভিযান, পালালেন শিক্ষকেরা

কোচিং বিরোধী অভিযান টের পেয়ে বাগেরহাটে কোচিং সেন্টারে তালা ঝুলিয়ে পালালেন বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। 
  
বৃহস্পতিবার সকালে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর আকস্মিকভাবে বাগেরহাটের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে অভিযান চালালে এই চিত্র দেখতে পান কর্মকর্তারা। 
  
বাগেরহাটের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের কয়েকজন শিক্ষক শহরের দশানী, সম্মিলন স্কুলের মোড়, পুরাতন পুলিশ লাইন, বালিকা বিদ্যালয় সড়ক, আমলাপাড়াসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় কোচিং সেন্টার গড়ে তুলে শিক্ষা বানিজ্য চালিয়ে আসছেন। 
  
এসব কোচিং সেন্টারের পরিচালকরা প্রতি শিক্ষার্থী মাসে এক থেকে দেড় হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। 
  
বাগেরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অরুণ কুমার গোস্বামী, সেলিম, মহসিন আলী, কবীর হোসেন আকন, মোহম্মদ আলী, উত্তম কুমার দাস, দেবাশীষ দাস, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের আঞ্জুমান আরা, জুয়েল এবং যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের আলা উদ্দিনের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্য চালানোর অভিযোগ রয়েছে। 
  
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিভাবকরা বলেন, শহরের দুটি সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাশাপাশি প্রতিটি স্কুলের শিক্ষকরা কোচিং বানিজ্য জড়িয়ে পড়েছেন। স্কুলগুলোতে তারা ঠিক মতো ক্লাস নেন না। ফলে আমরা বাধ্য হয়ে ছেলে মেয়েদের কোচিং এ পড়াচ্ছি। 
  
কোচিং বিরোধী এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে অভিভাবকরা তা অব্যাহত রাখার দাবী জানান। 
  
বাগেরহাট সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রী  বলেন, আমরা বাধ্য হয়ে কোচিং সেন্টারে পড়ি। স্যারেরা ক্লাসে ঠিক মতো পড়ালে আর কোচিং সেন্টারে পড়ার প্রয়োজন হয়না। কোচিং সেন্টার বন্ধের দাবী জানান ওই শিক্ষার্থী। 
  
অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের উপ-পরিচালক টিএম জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধের জন্য আমরা কোচিং সেন্টারগুলোতে অভিযান শুরু করেছি। অভিযান টের পেয়ে কয়েকজন শিক্ষক তাদের কোচিং সেন্টার রেখে পালিয়ে যান। 
  
পর্যায়ক্রমে অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও কোচিং বানিজ্য বিরোধী অভিযান চালানো হবে বলে তিনি জানান। 
  
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনার সহকারী পরিচালক হেদায়েত হোসেন,বাগেরহাট শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিচালক ফয়সাল হাবিব, বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ আকরাম হোসেন, যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ অজয় চক্রবর্ত্তী এসময় তার সঙ্গে ছিলেন।
দুই ভাড়াটিয়ার ঝগড়া - গরম তেলে ঝলসে গেল মা-মেয়ে

দুই ভাড়াটিয়ার ঝগড়া - গরম তেলে ঝলসে গেল মা-মেয়ে

দুই ভাড়াটিয়ার ঝগড়া - গরম তেলে ঝলসে গেল মা-মেয়ে

রান্না নিয়ে দুই ভাড়াটিয়ার ঝগড়ায় নিক্ষিপ্ত গরম তেলে ঝলসে গেছে মা ও মেয়ে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চান্দরা পল্লীবিদ্যুৎ দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় অভিযুক্ত আমেনা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে আটক করেছে কালিয়াকৈর থানার পুলিশ।

কালিয়াকৈর থানার এসআই মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঝলসে যাওয়া আহতরা হলেন রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার মানিকবেরা এলাকার মাজেদুল ইসলামের স্ত্রী ইসমতারা বেগম (২২) এবং তার তিন বছরের শিশু কন্যা মাজেদা আক্তার মায়া।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আহত ইসমতারা তার স্বামীর সঙ্গে উপজেলার চান্দরা পল্লীবিদ্যুৎ দক্ষিণপাড়া এলাকার শওকত হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় এফবি ফুটওয়্যারে চাকরি করেন। একই বাড়িতে ভাড়া থাকেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার তাজনগর এলাকার আসাদ মিয়ার স্ত্রী আমেনা বেগম (৩৫)।

বৃহস্পতিবার ইফতারের আগে রান্না করা নিয়ে আমেনা ও ইসমতারার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে আমেনা বেগম উত্তেজিত হয়ে রান্না করা গরম তেল ইসমতারার দিকে ছুঁড়ে মারেন।

ওই গরম তেলে ইসমতারা ও তার কোলে থাকা মেয়ে মায়ার শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।

পরে আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ইসমতারাকে আটক করে।
চট্টগ্রাম থেকে বাংলা ভাইয়ের দুই সহযোগীকে আটকের দাবি পুলিশের

চট্টগ্রাম থেকে বাংলা ভাইয়ের দুই সহযোগীকে আটকের দাবি পুলিশের


চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) এর দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে সীতাকুণ্ড তাদের এলাকা থেকে আটক করা হয় বালে জানিয়ছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া জুলফিকার আলী ও আলাউদ্দিন রুবেল মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত জেএমবি কমান্ডার সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাইয়ের সহযোগী বলে দাবি করেছে পুলিশ।

এছাড়া রাউজান এলাকা থেকে আরও এক জেএমবি সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তবে তার নাম জানা যায় নি।