রোবট সম্পর্কে আমরা যতটুকু জানি সেটা হল যান্ত্রিক মানব। আমরা যেমন বলবো সেও তেমন বলবে। রোবট অনেকটা ‘তোতা’ পাখির মত, তাই না? আমরা আরও জানি রোবটের নিজের বুদ্ধিমত্তা নেই, কারন তার মগজ নেই। আসলেই কি তাই?
ভারতের ছেলে বিকাশ কুমার এবার সমস্ত পৃথিবীকে চমকে দেখিয়ে দিয়েছেন, আমরা রোবট সম্পর্কে যা ভাবি রোবট তার থেকেও বেশী কিছু। রোবট এখন চিন্তা করতে পারবে, নিজের মত করে চলতে পারবে। এছাড়াও সে উপলব্ধিও করতে পারবে কখন, কোথায় তার কিভাবে চলাচল করতে হবে এবং কিভাবে কার সাথে ব্যবহার করতে হবে।
বিকাশ কুমার এভাবেই তৈরি করে ফেললেন একটি ‘রোবটিক হ্যান্ড’ বা রোবট-হাত, যে দেখতে একদম মানুষের হাতের মত। এই রোবটকে প্রোগ্রামিং দিয়ে ‘তোতা’ বানানো হয়নি।
বিকাশ কুমার ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং এর একজন গবেষক। তার গবেষণাপত্রটির নাম- ‘দিস ফাইভ-ফিঙ্গার্ড রোবট হ্যান্ড লার্নস টু গেট আ গ্রিপ অন ইট্স ওন’। ‘রোবোটিক্স ও অটোমেশান’ সংক্রান্ত আইইইই ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে তার এই গবেষণাটি আগামী সপ্তাহে পেশ করা হবে।
একটা মানব শিশু যেমন চারপাশ দেখে সবকিছু আয়ত্ত করে তেমনি এই রোবটও তার হাতের পাঁচটি আঙ্গুল নিজেরাই নিজেদের মত পরিচালনা করতে পারবে এবং এই আঙ্গুলগুলো সে আমাদের মত মুড়াতেও পারবে।
এত দিন রোবটকে দিয়ে অনেক কিছুই করাতে পেরেছে মানুষ কিন্তু তার আঙ্গুল দিয়ে আঁকা এবং লিখার কাজটি পারতো না। কিন্তু বিকাশের এই রোবট হাত খুব শক্ত করে পেন, পেন্সিল, তুলি ধরতে পারবে। এছাড়াও আমাদের হাত যা যা করতে পারে বিকাশের বানানো রোবট তেমন সব কিছুই করতে পারবে এবং তার জন্য তাকে কোনও ‘কমান্ড’ পাঠাতে হবে না।
আমাদের উপর তাকে নির্ভর করতে হবে না। ওয়াশিংটন থেকে বিকাশের দাবি, এমন রোবট হাত এই প্রথম। এর আগে রোবট হাত দিয়ে অনেক কিছুই করানো যেত কিন্তু এই রোবট হাতের মত একটা খুব সহজ কাজ তার পাঁচটা আঙুলগুলোকে মুড়াতে পারত না।
আমরা যেভাবে আমাদের হাতকে ব্যবহার করি সেভাবে এতদিন বাহির থেকে ‘কমান্ড’ পাঠিয়েও রোবট হাতকে দিয়ে আমরা এত দিন ঠিকঠাক মত করাতে পারিনি। রোবট হাতের প্রতিটি নড়াচড়ার জন্য এতদিন আলদা আলাদা ভাবে ‘প্রোগ্রামিং’ করতে হয়েছে। এমন কোন ‘সিঙ্গল কমান্ড’ তৈরি করা সম্ভব হয়নি যা দিয়ে হাতের প্রতিটি ‘মুভমেন্ট’কে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
বিকাশ বলেছেন, এর আগেও অনেক চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু সেটা ঠিক মত করা সম্ভব হয়নি। কারন এর আগে রোবট-হাতের মধ্যমাটি (মিড্ল ফিঙ্গার) এত বেশি নড়াচড়া করত যে সেই হাতে পেন, পেন্সিল, তুলি ধরিয়ে দিলে তা পড়ে যেত।
তার মতে, আমরা রোবট-হাতকে দিয়ে সেটা করাতে চেয়েছিলাম বাইরে থেকে আলাদা আলাদা ভাবে কোনও ‘কমান্ড’ না পাঠিয়ে। আমরা সেটা প্রথমবারের মত করতে সফল হয়েছি। রোবট-হাত এখন নিজেই জেনে-বুঝে করতে পারছে তার ইচ্ছে মত কাজ। আর এর জন্য আপনার বানানো প্রোগ্রামিং দরকার হচ্ছে না।

ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এবং ল্যাবরেটরি-ডিরেক্টর এমো তোদোরভ বিকাশের সাথে সুর মিলিয়ে বলেছেন, ‘‘ধরে নিন, এই রোবট-হাতটা একটা অ্যানিমেটেড ফিল্ম। যেটা দেখার সময় মনে হচ্ছে, কী ভীষণ বাস্তব! অথচ সেটা বানানোর জন্য বেশ কয়েক জন অ্যানিমেটারকে লেগেছে। তাঁরা না থাকলে ওই অ্যানিমেটেড ফিল্ম বানানো যেত না। কিন্তু ফিল্মটা বানানো হয়ে যাওয়ার পর সেটা চলার সময় আর অ্যানিমেটারদের লাগে না। ফিল্মটা নিজের মতো করেই চলে। এই রোবট-হাতটাও তেমনই।’’
বিকাশ আরও বলেছেন, ‘‘যে ভাবে এক জন অ্যাথলিট জ্যাভলিন থ্রো করার কায়দা-কসরৎ শেখে অনেক দিন ধরে প্র্যাকটিস করে, এই রোবট-হাতকেও আমরা সেই একই অভ্যাসের ‘দাস’ বানিয়েছি। সেও দেখে আর ঠেকে শিখেছে।’’
তার মতে, আগামী দিনে আমরা অনেক কিছুই করাতে পারবো এই রোবট হাত দিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে, এই হাত ব্যবহার করা যেতে পারে সামুদ্রিক গবেষণায়, আমাদের কোন হাত কোনভাবে নষ্ট হয়ে গেলে এটা দিয়ে তৈরি করা যাবে ‘প্রোস্থেটিক আর্ম’। এছাড়াও বাসার ভিতরের কিছু কাজ যেমন কাপ, প্লেট, হাড়ি পাতিল পরিস্কার করা এবং ভ্যাকিউম ক্লিনারের কাজও করানো যাবে এই রোবট হাত দিয়ে।
বিকাশ কুমার এভাবেই তৈরি করে ফেললেন একটি ‘রোবটিক হ্যান্ড’ বা রোবট-হাত, যে দেখতে একদম মানুষের হাতের মত। এই রোবটকে প্রোগ্রামিং দিয়ে ‘তোতা’ বানানো হয়নি।
বিকাশ কুমার ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং এর একজন গবেষক। তার গবেষণাপত্রটির নাম- ‘দিস ফাইভ-ফিঙ্গার্ড রোবট হ্যান্ড লার্নস টু গেট আ গ্রিপ অন ইট্স ওন’। ‘রোবোটিক্স ও অটোমেশান’ সংক্রান্ত আইইইই ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে তার এই গবেষণাটি আগামী সপ্তাহে পেশ করা হবে।
একটা মানব শিশু যেমন চারপাশ দেখে সবকিছু আয়ত্ত করে তেমনি এই রোবটও তার হাতের পাঁচটি আঙ্গুল নিজেরাই নিজেদের মত পরিচালনা করতে পারবে এবং এই আঙ্গুলগুলো সে আমাদের মত মুড়াতেও পারবে।
এত দিন রোবটকে দিয়ে অনেক কিছুই করাতে পেরেছে মানুষ কিন্তু তার আঙ্গুল দিয়ে আঁকা এবং লিখার কাজটি পারতো না। কিন্তু বিকাশের এই রোবট হাত খুব শক্ত করে পেন, পেন্সিল, তুলি ধরতে পারবে। এছাড়াও আমাদের হাত যা যা করতে পারে বিকাশের বানানো রোবট তেমন সব কিছুই করতে পারবে এবং তার জন্য তাকে কোনও ‘কমান্ড’ পাঠাতে হবে না।
আমাদের উপর তাকে নির্ভর করতে হবে না। ওয়াশিংটন থেকে বিকাশের দাবি, এমন রোবট হাত এই প্রথম। এর আগে রোবট হাত দিয়ে অনেক কিছুই করানো যেত কিন্তু এই রোবট হাতের মত একটা খুব সহজ কাজ তার পাঁচটা আঙুলগুলোকে মুড়াতে পারত না।
আমরা যেভাবে আমাদের হাতকে ব্যবহার করি সেভাবে এতদিন বাহির থেকে ‘কমান্ড’ পাঠিয়েও রোবট হাতকে দিয়ে আমরা এত দিন ঠিকঠাক মত করাতে পারিনি। রোবট হাতের প্রতিটি নড়াচড়ার জন্য এতদিন আলদা আলাদা ভাবে ‘প্রোগ্রামিং’ করতে হয়েছে। এমন কোন ‘সিঙ্গল কমান্ড’ তৈরি করা সম্ভব হয়নি যা দিয়ে হাতের প্রতিটি ‘মুভমেন্ট’কে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
বিকাশ বলেছেন, এর আগেও অনেক চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু সেটা ঠিক মত করা সম্ভব হয়নি। কারন এর আগে রোবট-হাতের মধ্যমাটি (মিড্ল ফিঙ্গার) এত বেশি নড়াচড়া করত যে সেই হাতে পেন, পেন্সিল, তুলি ধরিয়ে দিলে তা পড়ে যেত।
তার মতে, আমরা রোবট-হাতকে দিয়ে সেটা করাতে চেয়েছিলাম বাইরে থেকে আলাদা আলাদা ভাবে কোনও ‘কমান্ড’ না পাঠিয়ে। আমরা সেটা প্রথমবারের মত করতে সফল হয়েছি। রোবট-হাত এখন নিজেই জেনে-বুঝে করতে পারছে তার ইচ্ছে মত কাজ। আর এর জন্য আপনার বানানো প্রোগ্রামিং দরকার হচ্ছে না।
ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর এবং ল্যাবরেটরি-ডিরেক্টর এমো তোদোরভ বিকাশের সাথে সুর মিলিয়ে বলেছেন, ‘‘ধরে নিন, এই রোবট-হাতটা একটা অ্যানিমেটেড ফিল্ম। যেটা দেখার সময় মনে হচ্ছে, কী ভীষণ বাস্তব! অথচ সেটা বানানোর জন্য বেশ কয়েক জন অ্যানিমেটারকে লেগেছে। তাঁরা না থাকলে ওই অ্যানিমেটেড ফিল্ম বানানো যেত না। কিন্তু ফিল্মটা বানানো হয়ে যাওয়ার পর সেটা চলার সময় আর অ্যানিমেটারদের লাগে না। ফিল্মটা নিজের মতো করেই চলে। এই রোবট-হাতটাও তেমনই।’’
বিকাশ আরও বলেছেন, ‘‘যে ভাবে এক জন অ্যাথলিট জ্যাভলিন থ্রো করার কায়দা-কসরৎ শেখে অনেক দিন ধরে প্র্যাকটিস করে, এই রোবট-হাতকেও আমরা সেই একই অভ্যাসের ‘দাস’ বানিয়েছি। সেও দেখে আর ঠেকে শিখেছে।’’
তার মতে, আগামী দিনে আমরা অনেক কিছুই করাতে পারবো এই রোবট হাত দিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে, এই হাত ব্যবহার করা যেতে পারে সামুদ্রিক গবেষণায়, আমাদের কোন হাত কোনভাবে নষ্ট হয়ে গেলে এটা দিয়ে তৈরি করা যাবে ‘প্রোস্থেটিক আর্ম’। এছাড়াও বাসার ভিতরের কিছু কাজ যেমন কাপ, প্লেট, হাড়ি পাতিল পরিস্কার করা এবং ভ্যাকিউম ক্লিনারের কাজও করানো যাবে এই রোবট হাত দিয়ে।
0 comments: