Showing posts with label খেলা. Show all posts
Showing posts with label খেলা. Show all posts

Friday, 17 June 2016

মেসিকে নিয়ে ঈর্ষায় পুড়ছেন পেলে ম্যারাডোনা!

মেসিকে নিয়ে ঈর্ষায় পুড়ছেন পেলে ম্যারাডোনা!

মেসিকে নিয়ে ঈর্ষায় পুড়ছেন পেলে ম্যারাডোনা!

দিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে আড্ডায় তার যেসব কথা হয়েছে, তারপর লিওনেল মেসিকে বিশ্বের সেরা ফুটবলার বললে বোধহয় আশ্চর্যের হতো!  
  
দিন কয়েক আগে প্যারিসে মেসি নিয়ে যা যা বলেছিলেন ম্যারাডোনা, সেসব শুনে পেলে উত্তর দিয়েছিলেন, ‘দিয়েগো ঠিকই বলেছ। আমরা যে রকম ছিলাম ছেলেটা তেমন নয়।’  
  
ম্যারাডোনার মতো খোলাখুলি আক্রমণে নামেননি, কিন্তু সমর্থন দিয়েছিলেন তাকে। এর পর বিশ্বের সেরা ফুটবলারের তাজ ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর বাইরে আর কার মাথায় পরিয়ে দিতেন পেলে?  
  
ব্রাজিল ফুটবলের সর্বকালের সেরা নক্ষত্র পরিষ্কার বলে দিলেন, এই মুহূর্তে পৃথিবীর সেরা ফুটবলারের নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো।  
  
বিশ্বের সর্বকালের সেরা ফুটবলার বলে দিলেন, এখনই তাকে একটা টিম করতে বললে তার প্রথম নামটাই রোনাল্ডো হতো! পেলে অলক্ষ্যে আরও একটা বিতর্কের জন্মও দিলেন। 
  
ম্যারাডোনার মন্তব্যের পর আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মতবাদ দু’ভাগ হয়ে গিয়েছিল। একদল বলেছিল, ম্যারাডোনা ঠিক। মেসির মধ্যে সত্যিই লিডারশিপের অভাব আছে।  
  
অন্য দলটা বলেছিল, হাস্যকর কথাবার্তা। ব্রাজিল বিশ্বকাপে মেসিকে দেখার পরও এসব কথা আসে কোথা থেকে?  
  
মঙ্গলবার পেলের মন্তব্যের পর দেখা গেল, এক ওয়েবসাইটে জনৈক আর্জেন্টিনার সমর্থক খোলা চিঠি লিখেছেন। যেখানে বলেছেন, মেসি আসার আগে পেলে আর ম্যারাডোনা যুগ্মভাবে ফুটবলের সর্বকালীন শ্রেষ্ঠত্ব উপভোগ করতেন। কিন্তু মেসি আসার পর ওই শ্রেষ্ঠত্বের সিংহাসন নিয়ে তৃতীয় দাবিদার তৈরি হয়ে গেছে। মেসির সহ্য হতে পারে, কিন্তু পেলে-ম্যারাডোনার সহ্য হবে কেন? 
  
সোজাসুজি, পেলে-ম্যারাডোনা নাকি ঈর্ষান্বিত। ঈর্ষায় পুড়ছেন তারা মেসিকে নিয়ে! পেলের মন্তব্যের পর সেই ধারণা যদি আরও ধূমায়িত হয়, কিছু করার নেই।  
  
‘আমি রোনাল্ডোকে সম্মান করি। আমাকে একটা জাতীয় টিম তৈরি করতে বলা হলে, প্রথম নামটাই ওর হতো’, বলেছেন পেলে।  
  
ক্রিশ্চিয়ানো নিয়ে ফুটবল কিংবদন্তির সার্টিফিকেট এখানেই শেষ হয়নি। ‘আমি তো বলব, বিশ্বের সেরা ফুটবলার এখন রোনাল্ডো। তবে হ্যাঁ, মেসি, আমার বা দিয়েগোর সঙ্গে রোনাল্ডোর তুলনা চলে না। চারজনের খেলার স্টাইল চার রকম। বরং ওর সঙ্গে আপনারা ব্রাজিলের রোনালদোর তুলনা করতে পারেন।’ 
  
কেন? ব্রাজিল মহাতারকার বিশ্লেষণে, রোনাল্ডো অনেকটাই সামনে খেলেন। প্রায় ফরোয়ার্ড হিসেবে। তার পজিশন অনেক বেশি সেন্ট্রাল, খেলার স্টাইল অনেক বেশি সরাসরি। যা গোল পাওয়ার সম্ভাবনা আরও বাড়িয়ে দেয়।  
  
‘আমাদের সবারই খেলার স্টাইল আলাদা। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হল, ও এমন একজন প্লেয়ার যে গোল করবে। ম্যাচের ভাগ্য ঠিক করে দেবে’, বলেছেন পেলে। সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘পেলে, ম্যারাডোনার সঙ্গে ক্রিশ্চিয়ানোর তুলনা হয় না কারণ আমরা পেছন থেকে উঠে আসতাম। ও সেখানে উপরে থাকে। মেসিও বেশির ভাগ খেলাটা মাঝমাঠে খেলে।’  
  
তবে ব্রাজিলীয় কিংবদন্তির মনে হচ্ছে, এখনকার ফুটবলের হাল খুবই খারাপ। গত পাঁচ বছরে বিশ্ব থেকে মাত্র দু’জন তারকা বেরিয়ে এসেছেন। ‘বেল, নেইমার আছে। কিন্তু সেটা যথেষ্ট নয়। আগে এক-একটা টিমে তিন-চারজন করে তারকা থাকত। এখন বিশ্বে বোধহয় তিন-চারজন আছে। যা লজ্জার’, বলেছেন পেলে। 
  
কিন্তু পরে কী বলেছেন না বলেছেন, তাতে আর কী এসে যায়? তার গুরুত্বও বা কতটুকু? আসলটা তো প্রথমেই বলে দিয়েছেন পেলে, বাকি যা কিছু সবই তো নিমিত্ত মাত্র।  
ওয়েবসাইট।
ব্রাজিলের নতুন কোচ হলেন তিতে

ব্রাজিলের নতুন কোচ হলেন তিতে

ব্রাজিলের নতুন কোচ তিতে

কোপা আমেরিকায় ব্যর্থতার জেরে কার্লোস দুঙ্গাকে সরিয়ে দেয়ার পর তিতেকে ব্রাজিলের নতুন কোচ করা হয়েছে।

করিন্থিয়ান্সের প্রেসিডেন্ট রোবার্তো ডি আন্দ্রেদে বুধবার বলেছেন, করিন্থিয়ান্সের দায়িত্ব ছেড়ে তিতে ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, কোপা আমেরিকার ব্যর্থতা কাটিয়ে তিতে ব্রাজিল দলকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে সক্ষম হবেন।

৫৫ বছর বয়সী এই কোচ ফ্লুমিনেসের বিপক্ষে বৃহস্পতিবারের ম্যাচে করিন্থিয়ান্সের ডাগআউটে থাকবেন না বলেও জানিয়েছেন করিন্থিয়ান্সের সভাপতি।

অবশ্য ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন (সিবিএফ) এখনও এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।

১৯৮৭ সালের পর এবারই প্রথম ল্যাটিন আমেরিকার সেরা প্রতিযোগিতার গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ে ব্রাজিল।

এ ব্যর্থতায় পরই দেশটির ফুটবল ফেডারেশন সিবিএফ গত মঙ্গলবার জাতীয় দলের সমন্বয়কারী জিলমার রিনালদি ও কোচ দুঙ্গাসহ পুরো কোচিং স্টাফকে ছাঁটাই করে। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দুঙ্গাকে ২০১৪ সালে ফের ব্রাজিলের কোচ করা হয়েছিল।

তারপর থেকেই করিন্থিয়ান্সকে সাফল্য এনে দেয়া তিতের ব্রাজিল দলের কোচ হওয়ার জোর সম্ভাবনা নিয়ে খবর বের হয়। মঙ্গলবার রাতেই সিবিএফ কর্তাদের সঙ্গে কথা বলতে সাও পাওলো থেকে রিও দি জেনেরিওতে যান তিতে।

তিন ঘণ্টার আলোচনা শেষে মধ্যরাতের দিকে সিবিএফের মুখমাত্র দগলাস লুনারদি জানান, প্রথম আলোচনা ভালো ছিল; তবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দুই পক্ষ শিগগিরই আবার আলোচনায় বসবে।

সাও পাওলোর সবচেয়ে বড় ক্লাব করিন্থিয়ান্সকে ২০১১ ও ২০১৫ সালে ব্রাজিলের শীর্ষ লিগ জিতিয়েছেন তিতে। ২০১২ সালে প্রথমবারের মতো জিতিয়েছেন কোপা লিবের্তাদোরেস ও ওয়ার্ল্ড ক্লাব কাপ।
'ডিফারেন্টলি অ্যাবল' শিশু-কিশোরদের পাশে মাশরাফি-মুস্তাফিজ

'ডিফারেন্টলি অ্যাবল' শিশু-কিশোরদের পাশে মাশরাফি-মুস্তাফিজ

'ডিফারেন্টলি অ্যাবল' শিশু-কিশোরদের পাশে মাশরাফি-মুস্তাফিজ

জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা অন্য রকম এক মানুষের নাম। তার কাছে মানুষে মানুষে কোনও ভেদাভেদ নেই। সব শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গেই নিজেকে মাতিয়ে রাখতে পারেন।
          
বৃহস্পতিবার পি.এফ.ডি.এ ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের 'ডিফারেন্টলি অ্যাবল' শিশু-কিশোরদের সঙ্গে সময় কাটালেন মাশরাফি। আর এবার তার সঙ্গে ছিলেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।

পি.এফ.ডি.এ ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের এক বিল্ডিংয়ের ছাদে 'ডিফারেন্টলি অ্যাবল' শিশু-কিশোরদের সঙ্গে ক্রিকেটও খেলেন এই ক্রিকেটাররা।

মাশরাফি-মুস্তাফিজকে পেয়ে আনন্দের বন্যা বইছিল সেন্টারে। 'ডিফারেন্টলি অ্যাবল' শিশু-কিশোরদের জন্য এমন আনন্দের ব্যবস্থা করেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পৃষ্ঠপোষক রবি।  

ছাদটাকে পুরোদস্তুর একটা স্টেডিয়াম বানানো হয়েছিল। যেখানে বোলার ছিলেন মাশরাফি এবং মুস্তাফিজ। আর ব্যাট হাতে ছিল এই শিশু-কিশোররা।

মাশরাফির বল তো কয়েকজন উড়িয়ে ছাদের বাইরেই ফেলে দিয়েছে। তবে মুস্তাফিজ ইচ্ছে করে মার খেতে চাইলেও যেন তাকে মারতে পারছিল না তারা।

এ সময় এই শিশু-কিশোরদের পাশে সবাইকে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান মাশরাফি।