Wednesday, 6 July 2016

ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে কয়েকটি ভুল ধারণা

ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে কয়েকটি ভুল ধারণা

ঋতুস্রাব বা মাসিক নিয়ে কয়েকটি ভুল ধারণা

কোনো নতুন খবর আছে নাকি? বিয়ের পর নতুন বউকে এ কথা জিজ্ঞেস করে থাকেন অনেকেই৷ এতে কোনো লজ্জাবোধ না থাকলেও, ঋতুস্রাব নিয়ে কথা বলতে লজ্জার যেন শেষ নেই৷ তাছাড়া এ মাসিক নিয়ে আমাদের সমাজে রয়েছে নানা কুসংস্কারও৷ চুল ধোয়া ঋতুস্রাব হলে বলা হয়, মেয়েদের দু’দিন চুল ধোয়া উচিত নয়৷ এটার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই৷ বরং চিকিৎসকরা বলে থাকেন মাথায় পানি দিলে মাসিকের ব্যথা অনেকটা কমে এবং এতে আরাম পাওয়া যায়৷ মাসিকের দিনে সাঁতার আগেরকার দিনে পুকুরে গোসল করতো অনেকেই৷ তাই হয়ত পানি নোংরা হওয়ার ভয়ে এ নিয়ম চালু হয়েছিল যে, মাসিক হলে গোসল করা যাবে না৷

কিন্তু এখনকার গোসলখানায় সে ধরনের কোনো অসুবিধা নেই৷ এমনকি ট্যাম্পন পরে অনেকে সাঁতারও কাটে এ সময়ে৷ অচ্ছুৎ ও অভিশপ্ত মাসিকের চারদিন মেয়েদের সাথে এমন ব্যবহার করা হয়, যেন তারা অচ্ছুৎ এবং অভিশপ্ত৷ তাদের গাছে পানিও দিতে দেয়া হয় না৷ আমাদের সমাজে প্রচলিত ধারণা, তাদের দেয়া পানিতে গাছ নাকি মরে যাবে৷ মসলাযুক্ত খাবার মাসিকের সময় হরমোন বেশি সক্রিয় থাকে৷ মসলাযুক্ত খাবার তাই না খাওয়া ভালো৷ কিন্তু অনেক বাড়িতে আচার ছুঁতে দেয়া হয় না মেয়েদের, এতে নাকি আচারও নষ্ট হয়ে যাবে৷ এমনকি আচার খেতেও দেয়া হয় না তাদের৷ যৌন সম্পর্ক নয় মাসিক চলাকালীন মেয়েদের শরীর কিছুটা দুর্বল থাকে৷ অনেকের খুব ব্যথা হয়৷ তাই এ সময়ে মেয়েদের বিশ্রাম করা দরকার৷ মনে করা হয়, এ সময় যৌন সম্পর্কে লিপ্ত না হওয়াই ভালো৷ স্বামীর উচিত স্ত্রীকে এ সময় বিশ্রাম দেয়া ও যত্ন নেয়া, যাতে তার কাজের চাপ বেশি না হয়৷

রান্নাঘরে ঢুকতে মানা অনেক হিন্দু পরিবারে মাসিক চলাকালীন মেয়েদের রান্না ঘরে ঢুকতে দেয়া হয় না৷ বিশেষ করে বড় পরিবারে এ ধরনের কুসংস্কার লক্ষ্য করা যায়, তারা মনে করে এতে খাবার দূষিত হয়৷ এই ধারণা একেবারেই ভুল৷ বিছানায় শুতে না দেয়া অনেক পরিবারে মাসিক চলাকালীন মেয়েদের বিছানায় শুতে দেয়া হয় না৷ মাটিতে শুতে বলা হয়৷ কোনো কোনো পরিবারে তো ঘরে নয়, বরং বাইরে,অর্থাৎ বারান্দায় শুতে দেয়া হয় তাদের৷ অথচ এতে যে ঐ মেয়েটির কষ্ট আরো বেড়ে যায়, তা কেউই লক্ষ্য করে না৷ নাপাক রক্ত! অনেকেই বলে থাকেন, মাসিকের রক্ত নাপাক, মানে অপবিত্র৷ তাদের ধারণা এই রক্ত দিয়ে জাদু, ঝাড়ফুকও করা যায়৷ আশ্চর্যের বিষয়, শুধুমাত্র অশিক্ষিত পরিবারে নয়, অনেক শিক্ষিত পরিবারেও এ ধারণা প্রচলিত আছে৷
সপ্তাহের কোন দিন মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সব থেকে বেশি?

সপ্তাহের কোন দিন মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সব থেকে বেশি?

সপ্তাহের কোন দিন মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সব থেকে বেশি?

সপ্তাহের শনিবার নারীরা বিছানায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন বলে দাবি করা হয়েছে সদ্য প্রকাশিত এক গবেষণায়। আড়াই হাজারেরও বেশি নারীর উপর জরিপ চালিয়ে এ তথ্য দিয়েছে হেলথ এন্ড বিউটি রিটেইলার ‘সুপারড্রাগ’।

জরিপের ফলাফলে বলা…

হয়, বেশিরভাগ নারীরই সপ্তাহের অন্তত: একটি রাতে যৌন চেতনা তীব্রতর হয়। আর সে রাতটি হলো শনিবার রাত। জরিপ ফলাফলে আরো বলা হয়, নিজেদের আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য নারীরা একাধিক পন্থা অবলম্বন করেন। এক্ষেত্রে উষ্ণ পানিতে গোসল তাদের বিশেষ পছন্দ। পছন্দের প্রথমে রয়েছে বডি স্প্রে’র ব্যবহার। তবে চুলের স্টাইল এবং মুখের হাসির প্রতিও তারা এ রাতে একটু বেশি যত্নশীল হন।

এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ‘সুপারড্রাগ’-এর সারা বোলওয়ারসন বলেন, ‘আমরা একটি ভোটের ব্যবস্থা করেছিলাম। সেই ভোটের ফলের ভিত্তিতে আমরা জরিপটি চালাই। তাতে দেখা গিয়েছে, নিজেদেরকে আকর্ষণীয় দেখাতে কী কী করতে হবে, সেটা নারীরাই সব থেকে ভালো বোঝেন। কিন্তু সাধারণত নারীরা সর্বদা সে সব করেন না। সপ্তাহে যে কোনো একটি বিশেষ দিনে তাঁরা সেই সব পন্থা নেন। এবং সেটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শনিবার।’

Sunday, 3 July 2016

নকল স্যামসাং ফোন কিভাবে চিনবেন?

নকল স্যামসাং ফোন কিভাবে চিনবেন?

নকল স্যামসাং ফোন কিভাবে চিনবেন?

বিভিন্ন বাজার এবং অনলাইন কেনাকাটার ওয়েবসাইটে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে স্যামসাংয়ের নকল স্মার্টফোন। দামি স্মার্টফোন গুলোর নকলই মূলত দেশের বাজারে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে অ্যাপলের আইফোন এবং স্যামসাংয়ের বিভিন্ন মডেলের নকল ফোন প্রকাশ্যে, এমনকি নকল ঘোষণা দিয়েই বিক্রি হচ্ছে। নকল হওয়া স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে স্যামসাংয়ের ফোনের সংখ্যাই বেশি। তবে সনি ও এইচটিসির দু-একটি মডেলের স্মার্টফোনের নকলও বাজারে দেখা যায়।

নকল স্যামসাং ফোন চিনবেন যেভাবে

পর্দার চারপাশে একটি কালো আকৃতির খালি অংশ থাকে।
আসল স্মার্টফোনের হোম বাটনটি পর্দার নিচে খুব কাছাকাছি থাকবে। নকলগুলোতে একটু নিচে থাকে, যা খেয়াল না করলে বোঝা যায় না।
নকল ফোনে স্যামসাংয়ের লোগোতে নখ বা অন্য কিছু দিয়ে আঁচড় কাটলে সেটি উঠে যায়।
নকল স্মার্টফোনের প্যাকেটের সঙ্গে সাধারণত একটি ফ্লিপ কভার বিনা মূল্যে দেওয়া হয়, যা আসল ফোনের সঙ্গে থাকে না।
ওপরের পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ করেও যদি বুঝতে না পারেন যে সেটি আসল না নকল ফোন সে ক্ষেত্রে ‘এলসিডি টেস্ট’ করে নিতে পারেন। ফোনটিতে *#০*# চাপুন। ফোন আসল হলে সঙ্গে সঙ্গে পর্দায় এলসিডি টেস্ট দেখা যাবে। নকল সেটে এটি কখনোই আসবে না।
আসল ফোনে *#১২৩৪# চাপলে ভার্সন এপি, সিপি ও সিএসসি সিরিয়াল নম্বর, *#০ *# চাপলে জেনারেল টেস্ট মোড এবং *# ০২২৮# দিয়ে ব্যাটারি স্ট্যাটাস দেখা যাবে। নকল ফোনে এসব ‘কোড’ কাজ করে না।
সহজেই এফএম (FM) ট্রান্সমিটার বানাবেন যেভাবে...

সহজেই এফএম (FM) ট্রান্সমিটার বানাবেন যেভাবে...

সহজেই এফএম (FM) ট্রান্সমিটার বানাবেন যেভাবে...

এফ এম কথার পুরো মানে হল ফ্রিকুয়েন্সি মডিউলেশন। সোজা কথায় একটা ফ্রিকুয়েন্সি কে আর একটা ফ্রিকুয়েন্সির প্যাকেটের ভিতর পুরে সাপ্লাই দেওয়া। এই ফ্রিকুয়েন্সির রেঞ্জ টা পড়ে ভেরী হাই ফ্রিকুয়েন্সী রেঞ্জে(VHF). ৮৮ থেকে ১০৮ মেগা সাইকেলস প্রতি সেকেন্ড।



পুরো সারকিট টা কে কয়েক টা ভাগে ভাগ করে নিলে বুঝতে সুবিধা হবে।
১।অসিলেটর পারট- এই পারট তা মূলত ক্যারিয়ার ফ্রিকুয়েন্সী  তৈরী করে। একটা ক্যাপাসিটর আর একটা ইন্ডাক্টার এর প্যারালাল কানেকশন এই কাজ টা করে থাকে। এটাই ট্রান্সমিটারের সবচেয়ে সেন্সিটিভ অংশ। এবার অসিলেটর এর ফ্রিকুয়েন্সী কত হবে সেটা বের করতে হবে নিচের সূত্র দিয়ে

f = 1 / 2 x √LC = Hz 
 Where f is the frequency in hertz, x is the coil length, C is the capacitance of trimmer in Farads, and L is the inductance of coil in Hendry.  
 
সাধারন মাল্টিমিটার গুলোতে ইন্ডাকটেন্স মাপার অপশন থাকে না। হাতে তৈরি কয়েল
(২২ গজ এর তার) এর ইন্ডাক্টেন্স বের করতে হবে নিচের সূত্র দিয়ে।
The inductance of the coil can be calculated using the formula 
L = n^2 r^2 / 9r + 10 x 
Where r is the inner radius of the coil, x is the length of the coil and n, number of turns. The resulting value is in Micro Henry. 
এখানে ক্যাপাসিটর টি ভেরিয়েবল।নব টি ঘুরিয়ে ফ্রিকুয়েন্সি ঠিক করে নিতে হবে।
এবার আসি ভয়েস ইনপুট অংশে। এখানে একটা কনডেন্সার মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়েছে, এটা শব্দ কে এসি সিগ্নালে পরিনত করে ট্রানজিস্টারের বেসে চালান করে। এই অংশে কয়েকটি ক্যাপাসিটর দেওয়া হয়েছে ডিকাপ্লিং এর জন্য। রেজিস্ট্যান্স গুলো ব্যবহার করা হয়েছে উপযুক্ত বায়াসিং করার জন্য।
মিক এর পজিটিভ প্রান্তের সাথে ভেরিয়েবল রেজিস্ট্যান্স টি দেওয়া হয়েছে সেন্সিটিভিটি নিয়ন্ত্রনের জন্য।
এবার আসি মডিউলেশনে ।একটি এন পি এন ট্রানজিস্টর এই কাজ টি করে থাকে। 2N 2222A  ট্রানজিস্টর টির গুনাবলি দেখে নিই
2N 2222A is the common NPN transmitter used in general purpose amplifications. It has maximum power rating of 0.5 Watts. Over powering of 2N 2222A can generate heat and destroy the device. So maximum power output should be around 125 milli watt.  Pin assignment of 2N 2222 A is 1 Emitter - 2 Base - 3 Collector (EBC) from the front side (Flat side on which the number is printed).
এই পরিমান পাওয়ার ৩০ থেকে ৫০ ফুট এরিয়া কভার করতে পারে, এর পরে সিগ্ন্যাল দুরবল হয়ে পড়ে।
এবার কাজ হল ট্রান্সমিটিং সেকশনের, একটা সাধারন তারকে বা টেলিস্কোপিক এন্টেনা কে এন্টেনা হিসাবে ব্যবহার করা জায়। এখানে এন্টেনার লেন্থ টা খুব ইম্পরট্যান্ট। এটা বের করার একটা রুল আছে
As a rule, the length of the antenna should be ¼ of the FM wave length. To determine the length of antenna, use the following equation. 
By multiplying the Wave frequency and wave length will give the speed of light. 
Speed of Light = Frequency of Oscillation x Wavelength = in Kms/ Sec 
Wave length = Speed of light / Frequency = in meters Antenna length = 0.25 x wavelength = in meters  ।

সবি তো হল হল এবার আসল জিনিসটাই বাকি , পাওয়ার সাপ্লাই। এর জন্য একটা ৯ ভোল্টের ব্যাটারি ব্যবহার করাই সবথেকে ভালো। ট্রান্সফরমার দিয়ে সাপ্লাই দিলে নয়েজ আসবে।

এবার যে কথাগুলো না বললেই নয়-

১।ঠিকঠাক ক্যালিব্রেট না করতে পারলে ফ্রিকুয়েন্সি এফ এম রেঞ্জ এর বাইরে চলে যেতে পারে।
২।ফ্রিকুয়েন্সির স্ট্যাবিলিটির জন্য কমারশিয়াল ট্রান্সমিটার গুলো তে ক্রীস্টাল অসিলেটর ব্যবহার করা হয়।

বেশি রেঞ্জ আর ক্লিয়ারিটির জন্য প্রয়োজন হয় মাল্টিস্টেজ এম্পলিফিকেশন, ফিল্টারিং আরও অনেক কিছু।এগুলি নিজের হাতে বানানো বেস কঠিন।তাও একবার আসুন চেস্টা করে দেখি।
স্লো কম্পিউটার ফাস্ট করার ছোট এবং খুবই কার্যকরী টিপস

স্লো কম্পিউটার ফাস্ট করার ছোট এবং খুবই কার্যকরী টিপস

স্লো কম্পিউটার ফাস্ট করার ছোট এবং খুবই কার্যকরী টিপস

বিস্ময়করভাবে কিছু প্রোগ্রাম স্টার্টআপের সময় চালু হয়, যেগুলো স্টার্টআপ ফোল্ডার লিস্টের বাইরে। এগুলো দেখতে চাইলে সিস্টেম কনফিগারেশন টুল রান করুন। এক্সপির ক্ষেত্রে Start→Run-এ ক্লিক করে MSconfig টাইপ করে এন্টার চাপতে হবে। উইন্ডোজ ৭ এবং ভিস্তার ক্ষেত্রে Start-এ ক্লিক করে সার্চ বক্সে MSconfig টাইপ করুন এন্টার চাপার আগে। এবার Startup ট্যাবে ক্লিক করুন সব স্টার্টআপ আইটেম উন্মোচন করার জন্য। স্টার্টআপের সময় চালু হয় এমন আইটেম থামানোর উদ্দেশ্যে বক্সের টিক অপসারণ করার জন্য ক্লিক করুন। কোনো আইটেম অপসারণ করার আগে চেক করে দেখুন প্রতিটি আইটেম কিসের জন্য। প্রোগ্রামের নামের জন্য ওয়েব সার্চ পারফরম করলে সাধারণত উন্মোচিত হয় আইটেমটি কী কাজ করে। যদি কোনো সন্দেহ থাকে, তাহলে ওই বিষয় এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

নুতন Computer কিনেছেন। কিনার সময় যে স্পিড ছিল তার অর্ধেকও নেই এখন। মানে আপনার PC Slow হয়ে গেছে। প্রোগ্রাম খুলতে দেরী করে, ক্লিক করার পর দীর্ঘক্ষণ ঝিমাতে থাকে, একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম খুলে কাজ করা যায়না যা আগে যেত, প্রায় সময় হ্যাং করে ইত্যাদি সমস্যায় ভুগেন প্রায় ইউজার। কম্পিউটারের এ আচরণ নিশ্চয় কারো ভাল লাগে না। কাউকে বললে RAM বাড়ানোর পরামর্শই দেন শুধু। আসুন কিছু কাজ করে দেখি।
Computer এর Speed বাড়ানোর জন্য যে কথাটি সর্বপ্রথম আসে তার নাম হলো RAM এবং Processor এবং তার সাথে সামঞ্জপূর্ণ মাদারবোর্ড। অর্থাৎRAM বাড়িয়েএবং Processor আপডেট করে স্পীড বাড়ানো যায়। RAM হয়তো কিছুটা বাড়ানো যায় কিন্তু Processorবাড়াতে গেলে আসে Motherboard এর কথা। কারণ পুরাতন Motherboard নতুন Processor কে সাপোর্ট নাও করতে পারে। তাই পুরাতনমডেলের পিসি যাতে RAM বা Processor আপডেট করার সুযোগ নেই তাতে নিচের কাজগুলো করা যেতে পারে। এতে Slow Computerবা Slow PC কিছুটা হলেও স্পীড পাবে।
Step 1:
১. Run এ গিয় লেখুন prefetch তারপর OK দিন। যা আসবে সব ডিলিট করুন। একইভাবে temp, %temp%, recent লিখে এন্টার দিনএবং সব ডিলিট করুন।
২. Search এগিয়েলেখুন  *.tmp এবং সার্চ দিন। যা পাবেন সব ডিলিট করেদিন। এভাবে  *bac,*.bak, *.bck, *.bk!, *.bk$ গুলোও সার্চদিয়ে Delete করুন। কাজটি উইন্ডোজ এবং নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টল করার পর সাধারণত একবার করলেই হয়। অবশ্য অনেক সময় উক্তফাইলগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজে লাগে। তবে তা এডভান্স ব্যাবহার কারীদের জন্য। RAM যদি বেশি হয় তাহলে একাজটি করে তেমনপার্থক্য বুঝা যাবেনা।

৩. সবড্রাইভে Disk Cleanup চালান।

৪. সব Drive এ Check Disk চালান।

৫. Defragment চালানপ্রতি Drive এ।

. .৬রেজিস্ট্রি ক্লিন করুন সপ্তাহে অন্তত একবার।

৭. CDROM এ কোন CD/DVD থাকলে বের করে ফেলুন।

Step 2:
১। Windows এর Automatic Update অপশন Enable থাকলে Disable করে দিন।

২। কোন ড্রাইভার বা সফটওয়ারেরর Automatic Update হচ্ছে কি না চেক করে দেখুন। Automatic Update অপশন Enable থাকলেDisable করে দিন।
বিশেষ করে নেট কানেকশন পাওয়ার পর পিসি স্লো হলে এ অপশনগুলোকে সন্দেহ করতে পারেন।


৩। পিসি যদি Virus, Mal-ware, Spyware ইত্যাদি Malicious Tools বা ক্ষতিকারক টুল দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে এগুলো পিসিতে ইউজারের অজান্তে বা গোপনে কাজ করে। ইউজার যতই সচেতন হোক তা বুঝতে পারে না। যতক্ষণ পিসি চালু থাকে এ কাজ চলতে থাকে এবং এতে পিসি স্লো হয়ে পড়ে। তাই পিসিতে শক্তিশালী Antivirus, Firewall ব্যবহার করতে হবে। এগুলো নিয়মিত Updateকরতে হবে এবং মাঝে মাঝে পিসি স্ক্যান করে দেখতে হবে।তাই আপনার পিসি স্ক্যান করে দেখুন। প্রয়োজনে নতুনভাবে Windows Setup করুন। তারপর অন্য কোন সফটওয়ার ইনস্টল করার আগে নতুন ডাউনলোড করা একটি Antivirus ইন্সটল করুন এবংAntivirusUpdate করে Full Scan দিন। তারপর ড্রাইভার সহ অন্যান্য সফটওয়ার ইনস্টল করুন।
৪। অপ্রয়োজনীয় সফটওয়ার Uninstall করে ফেলুন। C Drive বা Windows ড্রাইভে কমপক্ষে অর্ধেক জায়গা খালি রাখুন। প্রতিটি ড্রাইভে কমপক্ষে ১৫% জায়গা খালি রাখুন। অর্থাৎ কোন ড্রাইভ যেন ডাটায় Full হয়ে না যায়।
Step 3:
১। আপনার এন্টিভাইরাস অটোমেটিক স্ক্যান বা সিডিউল স্ক্যান হচ্ছে কি না চেক করে দেখুন। যদি এরকম হয় তাহলে সিডিউল স্ক্যান পুরোটা শেষ হতে দিন বা বন্ধ করে দিন। সিডিউল স্ক্যান একবারে পুরোটা হতে না পারলে পিসি চালু হওয়ার সাথে সাথে পুণরায় শুরু থেকে হতে পারে। এতে পিসি স্লো হয়ে পড়ে।সিডিউল স্ক্যান সাধারণত সপ্তাহে একবার হয়। যদিও বিভিন্ন এন্টিভাইরাসে বিভিন্ন রকম সেটিংস থাকে বা ইউজারেরা নিজের মত করে সেটিংস করে নেই। প্রয়োজনে এন্টিভাইরাসটা UnInstall করে দেখুন।

২। Motherboard এর ড্রাইভারগুলো সঠিকভাবে ইন্সটল না থাকলেও পিসি স্লো হতে পারে। বিশেষ করে Graphics আর Chip Set Driver।এ জন্য Device Manager চেক করে দেখুন।

৩। Start Menu থেকে Run এ গিয়ে (Windows+R) এ গিয়ে msconfig লিখে এন্টার চাপুন। ওখান থেকে Non Microsoft Service গুলো বন্ধ করে দিন। অপরিচিত সার্ভিস পেলে Google এ সার্চ দিয়ে জেনে নিন। তারপর Start-up থেকে অপ্রয়োজনীয় Shortcut গুলো বন্ধ করে দিন।
৪। অনেক সময় ভাইরাস, সফটওয়ার Install/Uninstall বা অন্যান্য কারণে উইন্ডোজের কিছু ফাইল করাপ্ট হয়। এতে হয়ত স্বাভাবিক কাজকর্ম করা যায় তবে কম্পিউটারের স্পিড কমে যায়। এ জন্য sfc কমান্ড চালান। কাজ না হলে Windows Repair বা নতুন করে উইন্ডোজ দিন। এতে ও আপনার কম্পিউটারে স্পিড আসবে।

Step 4:
১। পুরনো পার্টিশন ভেঙে হার্ডডিস্কটিকে নতুন করে পার্টিশন তৈরি করুন। তবে কাজটি করার আগে প্রয়োজনীয় ডাটা বেকআপ নিতে ভুলবেননা।
২। সবশেষে আপনার হার্ডডিস্কে Bad Sector চেক করুন এবং প্রয়োজনে হার্ডডিস্ক পরিবর্তন করুন।
এটিএম (ATM) বুথে নকল টাকা পেলে কী করবেন?

এটিএম (ATM) বুথে নকল টাকা পেলে কী করবেন?

বুথে নকল টাকা পেলে কী করবেন?

আমাদের দেশের অনেক এটিএম বুথে নকল টাকা পাওয়া যাচ্ছে। এই নকল টাকা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিপাকে পড়েছে অনেকে। তাই এটিএম থেকে টাকা তুলেই চলে আসবেন না। সেখানে কিছুক্ষণ দাড়িয়ে টাকা ঠিক আছে কিনা দেখে নিবেন।

বুথ থেকে টাকা তোলার পরপরই যদি নকল টাকার বিষয়ে জানতে পারেন, তাহলে তৎক্ষণাৎ আপনি কিছু ব্যবস্থা নিতে পারেন। এতে পরবর্তীতে ঝামেলা পোহাতে হবে না।

১. বুথের গার্ডকে জানান গার্ডের নিকট বুথের রেজিস্টার খাতা থাকে। আপনি তার সাথে কথা বলে ট্রান্সেকশন আইডি নাম্বার ও টাকার নাম্বার লিখে নিতে পারেন। এরপর সেখান থেকে দ্রুত ব্যাংকে যোগাযোগ করুন। আর টাকা তোলার রিসিপ্টও সাথে বহন করুন।

২. ব্যাংকে টাকা জমা দিলে ব্যাংকের নিজস্ব মেশিন থাকে যা নকল টাকা ধরতে পারে। ব্যাংকের নিকট জানালে আপনার সেই নকল টাকা তারা ছিরে ফেলবে এবং তার পরিবর্তে আসল টাকা ফেরত দিবে।

৩. যদি ব্যাংক মেনে নিতে রাজি না হয় অনেক সময় ব্যাংক কর্মকর্তারা উল্টো আপনাকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে। এরকম কিছু হলে সরাসরি আইনের আশ্রয় নিন। ব্যাংকের নামে ও কর্মকর্তাদের আচরণের ব্যাপারে একটি মামলা করে ফেলুন
সেকেন্ডে জেনে নিন আপনার এনআইডিতে (NID) কত সিম নিবন্ধিত?

সেকেন্ডে জেনে নিন আপনার এনআইডিতে (NID) কত সিম নিবন্ধিত?

সেকেন্ডে জেনে নিন আপনার এনআইডিতে (NID) কত সিম নিবন্ধিত?

সিম বায়োমেন্ট্রিক নিবন্ধন নিয়ে নানা অনিয়মের খবর পাওয়া যাচ্ছে। একজনের ন্যাশনাল আইডিতে নিবন্ধিত হয়ে যাচ্ছে আরেকজনের সিম! এমনকি নিবন্ধিত সিম কিনতে পাওয়া যাচ্ছে এমন প্রতিবেদন বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে কতটি সিম নিবন্ধন হয়েছে তা আগামী ৭ জুলাই থেকে জানা যাবে।

তবে তার আগে আপনি এ তথ্য জেনে নিতে পারেন মুহূর্তেই। প্রাথমিক অবস্থায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক এবং তৃতীয় বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড এ সেবা চালু করেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ব্যাপারে এখনও কোন ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এখন কোন গ্রাহকের আইডিতে অপরিচিত কোন সিম নিবন্ধিত হলে গ্রাহক চাইলে সেটা উত্তোলন বা বন্ধ করে দিতে পারবেন।

বাংলালিংক গ্রাহকরা তাদের মোবাইলে *1600*2# ডায়াল করলে ফিরতি একটি এসএমএস-এর মাধ্যমে জানতে পারবেন কোন কোন সিম একটি এনআইডির তত্ত্বাবধায়নে নিবন্ধিত হয়েছে। অন্যদিকে রবির গ্রাহকরা *1600*3# ডায়াল করলে মোবাইল স্ক্রিনেই দেখিয়ে দেবে এক আইডিতে কোন কোন সিম নিবন্ধিত হয়েছে। আপাতত এই দুটি অপারেটর সেবাটি চালু করলেও শিগগির অন্যান্য অপারেটররাও এ সেবাটি চালু করবে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিবন্ধিত সিম বিক্রির খবর পাওয়া যাচ্ছে। এক জনের সিম অন্য আরেকজনের নামে নিবন্ধনের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। নিবন্ধিত সিম জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাতের ঘটনাও জানা গেছে। তবে অপারেটরগুলো তাদের গ্রাহকদের এক এনআইডিতে কতগুলো এবং কোন কোন সিম নিবন্ধিত হয়েছে সে খবর জানিয়ে দিলে এ ধরণের সমস্যা সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সুত্র-বাংলাদেশ প্রতিদিন