Showing posts with label ফিচার. Show all posts
Showing posts with label ফিচার. Show all posts

Saturday, 18 June 2016

যৌনসম্পর্ক নিয়ে পবিত্র রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর কিছু বাধা নিষেধ…

যৌনসম্পর্ক নিয়ে পবিত্র রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর কিছু বাধা নিষেধ…

যৌনসম্পর্ক নিয়ে পবিত্র রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর কিছু বাধা নিষেধ…

রোজায় যে জিনিসগুলো থেকে বিরত থাকতে হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে যৌনসম্পর্ক বা সহবাস। কেউ যদি এই কাজটি রোজার দিন করে বসে তবে রোজা ভেঙ্গে যাবে। এর প্রমাণ হচ্ছে সূরা বাকারাতে আল্লাহ্‌র বক্তব্যঃ “রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে”। [আল-বাকারাঃ ১৮৭] এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে রোজার দিনে সহবাস হালাল হয় নি ।

যৌন সম্পর্ক বলতে শরি’আর ভাষায় বোঝানো হচ্ছে পুরুষাঙ্গের সাথে স্ত্রী-অঙ্গের মিলন। এক্ষেত্রে বীর্যপাত শর্ত নয়। অর্থাৎ এই দুই অঙ্গ সংস্পর্শে আসলেই রোজা ভেঙ্গে যাবে, বীর্যপাতের ঘটনা না ঘটলেও। শায়খ সালেহ ইবন আল-‘উসায়মীন এই মতটিই ব্যক্ত করেছেন। যৌন মিলনের দ্বারা কেউ রোজা ভাঙলে সেই রোজা পরবর্তীতে কাযা করতে হবে এবং “ভারী কাফ্‌ফারা” দিতে হবে। সেই প্রসঙ্গ পরে আসছে।

কোনো স্বামী যদি জোর করে স্ত্রীর সাথে যৌনসম্পর্ক করেন সেক্ষেত্রে স্বামীর রোজা ভেঙ্গে গেলেও স্ত্রীর রোজা ভাঙবে না। এর কারণ আমরা আগে উল্লেখ করেছি। আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) ইবন ‘আব্বাস বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেছেনঃ “নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ আমার উম্মতের ওপর থেকে ত্রুটিবিচ্যুতি, ভুলে যাওয়া ও জোর করিয়ে করানো কাজকে মার্জনা করেছেন”। [প্রসঙ্গত আজকাল যেহেতু খবর পাওয়া যাচ্ছে নারীরা জোর করে পুরুষদের বিয়ে করছেন, ভবিষ্যতে পুরুষদের জন্য অনুরূপ ফিকহি আলোচনা করতে হতে পারে।

৫.৮ শারীরিক স্পর্শ বা চুম্বন
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কামনাবসত শারীরিক স্পর্শ যেমন স্রেফ চুমুর কারণে রোজা ভাঙবে না। তবে এর ফলে যদি বীর্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে রোজা ভেঙ্গে যাবে। তাই রোজার সময় এগুলো পরিহার করাই উত্তম। চুম্বন যদি কামনাবশত না হয় সেক্ষেত্রে ক্ষতি নেই।

৫.৯ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বীর্যপাত ঘটানো
যদি কেউ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজের বীর্যপাত ঘটান সেক্ষেত্রে তার রোজা ভেঙ্গে যাবে। যেমন নিজে হস্তমৈথুনের মাধ্যমে অথবা স্ত্রী কর্তৃক হস্তমৈথুনের মাধ্যমে যদি বীর্যপাত ঘটে তাহলে রোজা ভাঙবে। কোনো ব্যক্তি যদি যৌনউত্তেজক কোনো কিছু দেখে, শোনে বা পড়ে – এক্ষেত্রে বীর্যপাত ঘটলে তার রোজা ভাঙবে। এক্ষেত্রে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে করা কোনো কাজের ফলে বীর্যপাত ঘটলে রোজা ভাঙবে।

এভাবে রোজা ভেঙ্গে গেলে কাযা করাই যথেষ্ট, যৌনমিলনের ক্ষেত্রে যে ভারী কাফ্‌ফারা দিতে হয় সেটি দিতে হবে না। স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ঘটানো বীর্যপাতের ফলে যে রোজা ভাঙবে তার প্রমাণ হচ্ছে হাদীস কুদসীতে আল্লাহ বলছেনঃ “সে (বান্দা) আমার জন্যই খাদ্য, পানীয় ও কামনা-বাসনা পরিত্যাগ করে”। [বুখারী] যুক্তিসংগত কারণেই যে ব্যক্তি নিজে উদ্যোগ নিয়ে বীর্যপাত ঘটায় সে কামনা-বাসনা বা “শাহওয়াহ” পরিত্যাগ করল না।

তবে বীর্যপাত যদি স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে না হয় সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না। যেমন স্বপ্নদোষের ফলে রোজা ভাঙবে না। কোনো ব্যক্তির চিন্তায় যদি আচমকা কোনো যৌন ভাবনা এসে উদয় হয় বা কোনো যৌন উত্তেজক চিন্তা চলে আসে যা সে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মাথায় আনেনি এবং এর ফলে যদি বীর্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না।

৫.৯ মাযী ও মানীর মাঝে পৃথকীকরণ
বীর্যপাত প্রসঙ্গে আমাদের দুটি তরলকে আলাদা করতে হবে। এদের একটি হচ্ছে মাযী (المذي)। এটি একটি স্বচ্ছ পিচ্ছিল পদার্থ যা যৌনসম্পর্ক স্তাপন করার চূড়ান্ত বীর্যপাতের আগে নিঃসরিত হয় ফোঁটায় ফোঁটায়। মাযী নিঃসরণের ফলে রোজা ভাঙে না (যদি না সেটা যৌনসম্পর্ক দ্বারা হয়ে থাকে, যেক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গের সাথে যোনির মিলনই যথেষ্ট রোজা ভাঙার জন্য)। শুধু মাযী নিঃসরণের ফলে যেহেতু রোজা ভাঙে না, কাযারও প্রশ্ন আসছে না। যদিও ইমাম মালেকের একটি বর্ণনা অনুযায়ী তিনি মাযী নিঃসরণকে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেছেন, কিন্তু অধিকাংশ ‘উলামা একে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেন না।

মানী হচ্ছে যাকে বাংলায় বীর্য। মানী বের হয়ে আসে চূড়ান্ত বীর্যপাতের সময় দফায় দফায়। এটির সাদা থিকথিকে একটি পদার্থ। মানী বের হলেই কেবল রোজা ভাঙবে উপরেল্লিখিত কারণগুলোতে। এ ব্যাপারে কোনো ইখতিলাফ নেই।

Friday, 17 June 2016

‘ইরানিয়ান হাল্ক’ - যা আপনার কল্পনারও বাইরে!

‘ইরানিয়ান হাল্ক’ - যা আপনার কল্পনারও বাইরে!

‘ইরানিয়ান হাল্ক’ - যা আপনার কল্পনারও বাইরে!

হাল্ক অনেকেই দেখেছেন৷ বাস্তবেও এরকম হাল্কদের দেখা পাওয়া যায়৷ যেমন আইসল্যান্ডের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ হাইফর জুলিয়াস বিয়র্নসন৷‘এইচবিও’ সিরিজ ‘গেম অফ থ্রোনসে’ অভিনয় করার সুবাদে ‘দ্য মাউন্টেন’ বলেই পরিচিত তিনি৷১৭৯ কেজির হাইফরকে দেখলে যতটা না দানবীয় দেখায় তার থেকে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর লাগে সাজাদ ঘারিবিকে৷

কে এই সাজাদ? এমনটাই প্রশ্ন জাগতে পারে৷বছর চব্বিশের পাওয়ার লিফ্টার সাজাদের ব্যাপের খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি৷তবে তার ছবি ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়তেই তিনি হয়ে গেছেন ইন্টারনেট সেনসেশন৷১৭৫ কেজি ওজন এই মধ্য প্রাচ্যের যুবকের৷‘পার্সিয়ান হারকিউলি’ বা ‘ইরানিয়ান হাল্ক’ বলেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি৷সাজাদের পরবর্তী অ্যাকশন দেখার জন্য এখন অনেকেই মুখিয়ে আছেন৷আপনিও ছবি দেখুন সাজাদের৷মাথা ঘুরে যেতে বাধ্য৷
বিশ্বের ১০টি বিতর্কিত ও সমালোচিত কিন্তু সুপারহিট মুভির জানা-অজানা!

বিশ্বের ১০টি বিতর্কিত ও সমালোচিত কিন্তু সুপারহিট মুভির জানা-অজানা!

সিনেমা অনেক ধরনের হয়। কখনও তা মন জিতে নেওয়ার, কখনও নিখাদ বিনোদনের, কখনও আবার ভাবিয়ে তোলার। আসুন এমন দশটা সিনেমার কথা বলি, যেগুলি দারুণ হিট, প্রশংসিত কিন্তু পরিবারের সবার সঙ্গে দেখার মতো নয়:

বিশ্বের ১০টি বিতর্কিত ও সমালোচিত কিন্তু সুপারহিট মুভির জানা-অজানা!

১০) গন গার্ল (২০১৪): সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বিষয়ে সেরা ছবিগুলির মধ্যে একটি হল বেন আফ্লেক অভিনীত এই সিনেমাটি। একটি মেয়ের হারিয়ে যাওয়া, স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কের চাপানউতোর নিয়ে তৈরি এই সিনেমার প্রতি মুহূর্তে টানাটান করা সব দৃশ্য, সংলাপ। যে কোনও মুডে দেখার পক্ষে সেরা। কিন্তু সিনেমায় এমন বেশ কিছু দৃশ্য আছে যা বাড়ির সবার সামনে বসে দেখলে অস্বস্তি হবেই। পরিচালক ডেভিড ফিঞ্চার নিজেই বলেছেন, এ ছবির বিষয়বস্তু সবাইকে আকৃষ্ট করবে, কিন্তু এটা সবার সঙ্গে বসে দেখার সিনেমা নয়।
৯) জিসম (২০০৩): বিপাশা বসু, জন আব্রাহামের এই সিনেমা বক্স অফিসে সাড়া ফেলে দেয়। এক বিবাহিত মহিলার প্রেমে মত্ত এক যুবকের প্রতারিত হওয়ার গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই সিনেমায়। কিন্তু সিনেমায় এত খোলাখুলি সব দৃশ্য আর সংলাপ রয়েছে যা বাড়ির সবার সঙ্গে দেখার পক্ষে কিছুটা বিপজ্জনক তো বটেই।
৮) আনফেথফুল (২০০২): হলিউডের অন্যতম সেরা জনপ্রিয় সিনেমা। গল্পের মোচড় অনেক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়। প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, শরীরী টানের বুনেটে তৈরি হওয়া এই সিনেমার গল্পটাই এমন যে, বাড়ির সবার সামনে দেখতে বসলে উঠে যাওয়া ছাড়া বিশেষ কিছু করার থাকে না।
৭) ফিফটি শেডস অফ গ্রে (২০১৫): ব্রিটিশ লেখিকা ই. এল. জেমসের সর্বাধিক বিক্রি হওয়া উপন্যাস ‘ফিফটি শেডস অব গ্রে’ অবলম্বনে তৈরি হয়েছে ছবিটি। চলতি বছরের সবচেয়ে বড় হিট। ১০০ মিনিটের এই সিনেমার পরতে পরতে আছে যৌনতা। তবে সিনেমাটা কিন্তু শুধু যৌনতার ওপর দাঁড়িয়ে নেই। সমালোচকরা এই সিনেমাকে নম্বর দিচ্ছেন যৌনতার বাইরে সিনেমার বিষয়বস্তুর জন্য। তাই যদি সিনেমাটা দেখতেই চান একটু ব্যক্তিগত পরিসরে দেখুন, না হলে…
৬) আমেরিকান বিউটি (১৯৯৯): মেয়ের বন্ধুর শরীরের প্রেমে পড়ে যাওয়া এক মধ্যবয়স্ক পুরুষের কাহিনি। সমালোচক, দর্শকদের কাছে বহু প্রশংসা আদায় করা এই সিনেমা জিতেছে অস্কারে সেরা সিনেমা, সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেতার পুরস্কার। অবশ্য ভুলেও পরিবারের সবার সঙ্গে বসে দেখার কথা ভাবা উচিত নয়, সে আপনি পরিবারের সঙ্গে যতই খোলামেলা হোন না কেন।
৫) দিল্লি বেলি (২০১১): দারুণ মজার ছবি। না দেখলে মিস করার ব্যাপার থাকে। তবে কী এমন কিছু সংলাপ আর দৃশ্য আছে সবার সঙ্গে দেখাটা একটু চাপের।
৪) ম্যাজিক মাইক (২০১২): একটু অন্য কারণে ছবিটি পরিবারের সবার সামনে বসে দেখা যায় না। ছবিটিতে অসমবয়সী নানা প্রেমের কথা রয়েছে যা কখন আপনার মাকে অস্বস্তিতে ফেলবে, আবার কখনও তা ফেলবে আপনাকে।
৩) সত্যম শিবম সুন্দরম (১৯৭০): বলিউডের চিরকালীন সেরা সিনেমার তালিকায় একেবারে প্রথমের দিকে থাকবে রাজ কাপুরের এই সিনেমা। অভিনয়, পরিচালনা, গল্প, গান সব কিছুতেই যুগের থেকে অনেকটা এগিয়ে সত্যম শিবম সুন্দরম। শশী কাপুর আর জিনত আমনের প্রেম সবাইকে মুগ্ধ করার মত। একটা সময় লোকে ভাবতে পারত না পরিবারের সবার সঙ্গে এই সিনেমা দেখার। তবে বেসরকারি টিভি চ্যানেলে অনেক কাটের পর বহুবার দেখানোর পর মানুষ এখন পরিবারের সঙ্গে দেখছে ঠিকই, কিন্তু একটু আমতা আমতা করে।
২) দ্য ব্যানডিট কুইন (১৯৯৪): পরিচালক শেখর কাপুর পরিচালিত এই ছবির গল্পে ফুলন দেবীর জীবন তুলে ধরা হয়েছিল৷ ছবিতে সেক্সুয়াল কনটেন্ট, নুড্যিটি এবং কিছু অশ্রাব্য ভাষার ব্যবহারের জন্য দ্য ব্যানডিট কুইনের মতো সিনেমাকে সেন্সর বোর্ড নিষিদ্ধ করে৷ কিন্তু ছবিটিতে বিতর্কের মাত্রা যোগ করেন ফুলন দেবী স্বয়ং৷ ফুলন দেবীর অভিযোগ ছিল, তাঁর জীবনের বেশ কিছু গুরুত্বপুর্ণ তথ্য বিকৃত করা হয়েছে৷ ছবিটা যতই ভাল হোক পরিবারের সবার সামনে দেখাটা একটু অস্বস্তির বৈকি।
১) বেসিক ইন্সটিংক্ট (১৯৯২): ইরটিক থ্রিলার ‘বেসিক ইন্সটিংক্ট’-এ শ্যারন স্টোনের আবেদনময়ী অবতারের কথা চলচ্চিত্রপ্রেমীরা আরও অনেক দিন মনে রাখবেন। ব্যবসায়ীক নিরিখে একেবারে আকাশছোঁয়া সাফল্য বলা চলে। শ্যারোন স্টোনের পাশাপাশি ছবির গল্পের মোচড়টাও বেশ আকর্ষণীয়। তবে সব জিনিস তো সব জায়গায় চলে না। তাই পরিবারের সবার সঙ্গে দেখা থেকে বিরত থাকেন সবাই।