Saturday, 18 June 2016

অশ্লীলতার অভিযোগে বিতর্কে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া (ভিডিও)

অশ্লীলতার অভিযোগে বিতর্কে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া (ভিডিও)

অশ্লীলতার অভিযোগে বিতর্কে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া (ভিডিও)

ভোজপুরি সিনেমায় জড়িয়ে বিতর্কের মুখে পড়লেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সম্প্রতি 'বাম বাম বোল রাহা হ্যায় কাশি' নামের এক ভোজপুরি সিনেমা প্রযোজনা করেন প্রিয়াঙ্কা। সেই সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ হওয়ার পরই বিতর্ক শুরু হয়েছে। সিনেমায় এমন কিছু দৃশ্য ও সংলাপ দেখানো হয় যা রীতিমত অশ্লীল বলে অভিযোগ ওঠেছে।

প্রিয়াঙ্কার মত পদ্মশ্রী জয়ী অভিনেত্রী কি করে এমন এক অশ্লীল ছবির প্রযোজনা করেন সেটা নিয়েই ওঠেছে প্রশ্ন। এই বিতর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রিয়াঙ্কাকে নিয়ে বিদ্রুপ শুরু হয়েছে। ভোজপুরিতে এটাই প্রযোজক প্রিয়াঙ্কার প্রথম সিনেমা।

এই ঘটনায় অনেকেই প্রিয়াঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারা অশ্লীলতার মাপকাঠি কি জানতে চেয়েছেন। প্রিয়াঙ্কার দাবি, এই সিনেমায় কোথাও অশ্লীলতা নেই। ভোজপুরি দর্শকদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখেই এই সিনেমা বানানো হয়েছে। ওদিকে জাতীয় পুরস্কার জয়ী সিনেমা নির্মাতা নীতিন এন চন্দ্রা দাবি করেছেন, এই ছবি বানিয়ে প্রিয়াঙ্কা পদ্ম পুরস্কারের অবমাননা করেছেন।

এই সিনেমার বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রচার পর্যন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই নেগেটিভ প্রচারে ছবিকে নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে ভোজপুরি সিনেমায় অশ্লীলতা নতুন নয়। এর আগে এই নিয়ে অবশ্য বহুবার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রিয়াঙ্কার সম্পৃক্ততায় যুক্ত হয়েছে নতুন আলোচনা।
যৌনসম্পর্ক নিয়ে পবিত্র রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর কিছু বাধা নিষেধ…

যৌনসম্পর্ক নিয়ে পবিত্র রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর কিছু বাধা নিষেধ…

যৌনসম্পর্ক নিয়ে পবিত্র রমজান মাসে স্বামী স্ত্রীর কিছু বাধা নিষেধ…

রোজায় যে জিনিসগুলো থেকে বিরত থাকতে হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে যৌনসম্পর্ক বা সহবাস। কেউ যদি এই কাজটি রোজার দিন করে বসে তবে রোজা ভেঙ্গে যাবে। এর প্রমাণ হচ্ছে সূরা বাকারাতে আল্লাহ্‌র বক্তব্যঃ “রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে”। [আল-বাকারাঃ ১৮৭] এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে রোজার দিনে সহবাস হালাল হয় নি ।

যৌন সম্পর্ক বলতে শরি’আর ভাষায় বোঝানো হচ্ছে পুরুষাঙ্গের সাথে স্ত্রী-অঙ্গের মিলন। এক্ষেত্রে বীর্যপাত শর্ত নয়। অর্থাৎ এই দুই অঙ্গ সংস্পর্শে আসলেই রোজা ভেঙ্গে যাবে, বীর্যপাতের ঘটনা না ঘটলেও। শায়খ সালেহ ইবন আল-‘উসায়মীন এই মতটিই ব্যক্ত করেছেন। যৌন মিলনের দ্বারা কেউ রোজা ভাঙলে সেই রোজা পরবর্তীতে কাযা করতে হবে এবং “ভারী কাফ্‌ফারা” দিতে হবে। সেই প্রসঙ্গ পরে আসছে।

কোনো স্বামী যদি জোর করে স্ত্রীর সাথে যৌনসম্পর্ক করেন সেক্ষেত্রে স্বামীর রোজা ভেঙ্গে গেলেও স্ত্রীর রোজা ভাঙবে না। এর কারণ আমরা আগে উল্লেখ করেছি। আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) ইবন ‘আব্বাস বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেছেনঃ “নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ আমার উম্মতের ওপর থেকে ত্রুটিবিচ্যুতি, ভুলে যাওয়া ও জোর করিয়ে করানো কাজকে মার্জনা করেছেন”। [প্রসঙ্গত আজকাল যেহেতু খবর পাওয়া যাচ্ছে নারীরা জোর করে পুরুষদের বিয়ে করছেন, ভবিষ্যতে পুরুষদের জন্য অনুরূপ ফিকহি আলোচনা করতে হতে পারে।

৫.৮ শারীরিক স্পর্শ বা চুম্বন
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কামনাবসত শারীরিক স্পর্শ যেমন স্রেফ চুমুর কারণে রোজা ভাঙবে না। তবে এর ফলে যদি বীর্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে রোজা ভেঙ্গে যাবে। তাই রোজার সময় এগুলো পরিহার করাই উত্তম। চুম্বন যদি কামনাবশত না হয় সেক্ষেত্রে ক্ষতি নেই।

৫.৯ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বীর্যপাত ঘটানো
যদি কেউ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজের বীর্যপাত ঘটান সেক্ষেত্রে তার রোজা ভেঙ্গে যাবে। যেমন নিজে হস্তমৈথুনের মাধ্যমে অথবা স্ত্রী কর্তৃক হস্তমৈথুনের মাধ্যমে যদি বীর্যপাত ঘটে তাহলে রোজা ভাঙবে। কোনো ব্যক্তি যদি যৌনউত্তেজক কোনো কিছু দেখে, শোনে বা পড়ে – এক্ষেত্রে বীর্যপাত ঘটলে তার রোজা ভাঙবে। এক্ষেত্রে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে করা কোনো কাজের ফলে বীর্যপাত ঘটলে রোজা ভাঙবে।

এভাবে রোজা ভেঙ্গে গেলে কাযা করাই যথেষ্ট, যৌনমিলনের ক্ষেত্রে যে ভারী কাফ্‌ফারা দিতে হয় সেটি দিতে হবে না। স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ঘটানো বীর্যপাতের ফলে যে রোজা ভাঙবে তার প্রমাণ হচ্ছে হাদীস কুদসীতে আল্লাহ বলছেনঃ “সে (বান্দা) আমার জন্যই খাদ্য, পানীয় ও কামনা-বাসনা পরিত্যাগ করে”। [বুখারী] যুক্তিসংগত কারণেই যে ব্যক্তি নিজে উদ্যোগ নিয়ে বীর্যপাত ঘটায় সে কামনা-বাসনা বা “শাহওয়াহ” পরিত্যাগ করল না।

তবে বীর্যপাত যদি স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে না হয় সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না। যেমন স্বপ্নদোষের ফলে রোজা ভাঙবে না। কোনো ব্যক্তির চিন্তায় যদি আচমকা কোনো যৌন ভাবনা এসে উদয় হয় বা কোনো যৌন উত্তেজক চিন্তা চলে আসে যা সে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মাথায় আনেনি এবং এর ফলে যদি বীর্যপাত ঘটে সেক্ষেত্রে রোজা ভাঙবে না।

৫.৯ মাযী ও মানীর মাঝে পৃথকীকরণ
বীর্যপাত প্রসঙ্গে আমাদের দুটি তরলকে আলাদা করতে হবে। এদের একটি হচ্ছে মাযী (المذي)। এটি একটি স্বচ্ছ পিচ্ছিল পদার্থ যা যৌনসম্পর্ক স্তাপন করার চূড়ান্ত বীর্যপাতের আগে নিঃসরিত হয় ফোঁটায় ফোঁটায়। মাযী নিঃসরণের ফলে রোজা ভাঙে না (যদি না সেটা যৌনসম্পর্ক দ্বারা হয়ে থাকে, যেক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গের সাথে যোনির মিলনই যথেষ্ট রোজা ভাঙার জন্য)। শুধু মাযী নিঃসরণের ফলে যেহেতু রোজা ভাঙে না, কাযারও প্রশ্ন আসছে না। যদিও ইমাম মালেকের একটি বর্ণনা অনুযায়ী তিনি মাযী নিঃসরণকে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেছেন, কিন্তু অধিকাংশ ‘উলামা একে রোজা ভাঙার কারণ হিসেবে দেখেন না।

মানী হচ্ছে যাকে বাংলায় বীর্য। মানী বের হয়ে আসে চূড়ান্ত বীর্যপাতের সময় দফায় দফায়। এটির সাদা থিকথিকে একটি পদার্থ। মানী বের হলেই কেবল রোজা ভাঙবে উপরেল্লিখিত কারণগুলোতে। এ ব্যাপারে কোনো ইখতিলাফ নেই।
হট আইটেম গান শ্রাবন্তির , শাকিবে মুগ্ধ কলকাতার দর্শক (ভিডিও)

হট আইটেম গান শ্রাবন্তির , শাকিবে মুগ্ধ কলকাতার দর্শক (ভিডিও)

হট আইটেম গান শ্রাবন্তির , শাকিবে মুগ্ধ কলকাতার দর্শক (ভিডিও)

কাল রাতে ইউটিউবে রিলিজ পেয়েছে বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ সিনেমা ‘শিকারি’র গান। ‘হারাবো তোকে’ শিরোনামে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন শান। গানটির সবচেয়ে শ্রাবন্তির নাচ, শানের সুরেলা কণ্ঠকে ছাপিয়ে দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুই ছিলো শাকিব খানের নতুন লুক আর সাবলিল অভিনয়।

ছবির ওপর ক্লিক করে ভিডিও দেখুন


যারা জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করবেন কিংবা হাতে পাননি তাদের জন্য সুখবর

যারা জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করবেন কিংবা হাতে পাননি তাদের জন্য সুখবর

নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে স্বল্প সময়ের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ত্রুটিপূর্ণ জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) কারণে নানা ধরনের সেবা পেতে সমস্যা হচ্ছে নাগরিকদের।

যারা জাতীয় পরিচয় পত্র সংশোধন করবেন কিংবা হাতে পাননি তাদের জন্য সুখবর

এ অবস্থায় এনআইডির তথ্য সংশোধন, ভোটার এলাকা স্থানান্তরসহ অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে নাগরিকদের থানা ও উপজেলা অফিস থেকেই সব সেবা দিতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের আওতাধীন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত দুই পৃষ্ঠার একটি চিঠি সব থানা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সেবা নিয়ে নাগরিক ভোগান্তির অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
এমনকি যারা জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করেছেন কিন্তু এখনো হাতে পাননি তারাও যেন কোন ভোগান্তিতে না পড়ে সেই ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সবকিছুই অতিদ্রুত শেষ করতে হবে।
কাক্সিক্ষত সেবা পেতে মাসের পর মাস ঘুরতে হয় সেবা গ্রহীতাদের। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল সিম রেজিস্ট্রেশনে লাখ লাখ নাগরিকের আঙুলের ছাপ না মেলায় তারাও ভোগান্তিতে পড়েন। এছাড়া নতুন বেতন স্কেলে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করায় জাতীয় পরিচয়পত্রে তথ্য ভুল থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেক সরকারি কর্মকর্তা। এমনকি কোথাও কোথাও এ সেবা দিতে টাকা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া এনআইডি কার্ড জালিয়াতির ঘটনা ঘটছে অহরহ। এমন পরিস্থিতিতে মাঠ পর্যায়ে নির্দিষ্ট সময়ে সেবা দেয়ার নির্দেশনা দিল ইসি। ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উপজেলা ও থানা অফিসে নতুন ভোটার নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, ভোটার এলাকা স্থানান্তর সংক্রান্ত আবেদনপত্র গ্রহণ এবং এ সংক্রান্ত সেবা দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ও প্রযুক্তিগত সুবিধা, এনআইডি এপ্লিকেশন্স এবং বিভিআরএস সফটওয়্যারের প্রয়োজনীয় আপডেট করে আপলোডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


এতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনের তফসিল হলেও যে কোনো আবেদন গ্রহণ করতে হবে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই ওই সব আবেদন প্রক্রিয়া করতে হবে। আবেদনকারীকে প্রাপ্তি রসিদ দিতে হবে এবং ওই রসিদে বিধি মোতাবেক সেবা প্রদানের সম্ভাব্য তারিখ উল্লেখ করতে হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, অনলাইনে জমাকৃত আবেদন উপজেলা বা থানা অফিসে জমা হলে তা গ্রহণ করে সাধারণ আবেদনের মতো ওই আবেদনকারীকে সেবা দিতে হবে।
প্রবাসীদের জন্য সুখবর !! সৌদি আরবে গ্রিনকার্ড দিচ্ছে। দেখুন কারা কারা পাবেন এই কার্ড

প্রবাসীদের জন্য সুখবর !! সৌদি আরবে গ্রিনকার্ড দিচ্ছে। দেখুন কারা কারা পাবেন এই কার্ড

প্রবাসীদের জন্য সুখবর !! সৌদি আরবে গ্রিনকার্ড দিচ্ছে। দেখুন কারা কারা পাবেন এই কার্ড

সৌদি আরবের বর্তমান উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিদেশি নাগরিকদের গ্রিন কার্ড দেয়ার ঘোষনার পর এ নিয়ে দুনিয়া জুড়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে সৃষ্টি হয়েছে বিশেষ আগ্রহের। আর সৌদি আরবে বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা এই ঘোষনার কার্যকারিতা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান। এপ্রিল মাসের শুরুতেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘ব্লুমবার্গে’র কাছে দীর্ঘ এর সাক্ষাৎকার দেন সৌদি আরবের বর্তমান উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান।
দীর্ঘ ৫ ঘন্টার আলোচনায় তিনি তেল নির্ভর অর্থনীতি থেকে সৌদি আরবের সরে আসার বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে তিনি বলেন, এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা বিদেশীদের স্থায়ীভাবে সৌদি আরবে বসবাসের সুযোগ বা নাগরিকত্ব দেয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে। নাগরিকত্ব সর্ম্পকিত তার এই ঘোষনা শুধু বিদেশে নয় সৌদি গনমাধ্যমেও আলোচিত হচ্ছে। ‘আরব নিউজ’ বা ‘সৌদি গেজেট’ নামের প্রভাবশালী পত্রিকাগুলো্ও এই পরিকল্পনার ভালো-মন্দ দিক নিয়ে পর্যালোচনা করছে। বিখ্যাত সাংবাদিক খালেদ আল মাইনা আল আরাবিয়ায় লিখেছেন গ্রিনকার্ডের এই ঘোষনা কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ।

সর্বশেষ একটি খবরে বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে ‘সৌদি গেজেট’ বলছে সৌদি আরবে বিদেশীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ বা গ্রীনকার্ড দেয়া হলে দেশটি থেকে রেমিটেন্স হিসেবে বিদেশে যে অর্থ যায় তার প্রায় ৩০ শতাংশ কমে যাবে। অর্থাৎ এতে সৌদি অর্থনীতির যতখানি ইতিবাচক পরিবর্তন হবে ঠিক ততখানিই নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে অন্য দেশগুলোর উপর যাদের কাছে সৌদি আরব একটি বড় শ্রম বাজার। সে হিসেবে ধরলে বাংলাদেশেও সৌদি থেকে আসা রেমিটেন্স এর পরিমাণ কমে যাবে।
সৌদি আরবের ফেডারেশন অফ লেবার কমিটির চেয়ারম্যান নিদাল রিদওয়ান ‘সৌদি গেজেট’কে বলেন, ‘এই গ্রীনকার্ড সৌদি আরবকে অবৈধ ছদ্মবেশী ব্যবসার (তাসাত্তুর) নেতিবাচক প্রভাব থেকে বাঁচাবে। সাথে সাথে স্পন্সরশীপের (ইকামার ক্ষেত্রে) মতো ব্যাপারও বিলুপ্ত হবে।’
গ্রীনকার্ড বা নাগরিকত্ব দেয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে অন্য দেশের লোকও এসে সৌদি আরবের নাগরিকদের মতোই সুবিধা ভোগ করবে। যেমন, চিকিৎসা এবং ব্যাংকিং সেবা। তিনি উদহারন দিয়ে বলেণ
‘আপনি জানেন যে, আমেরিকায় গ্রীনকার্ডধারীরা কি কি সুবিধা পায়। আমি বিশ্বাস করি, ঠিক একই রকম ঘটনা সৌদি আরবেও ঘটবে যদি এই নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়।’
নিদাল রিদওয়ানের কথায় সৌদি গ্রীনকার্ড বা নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। তিনি বলছেন,
‘যারা স্থায়ীভাবে সৌদি আরবে বসবাসের সুযোগ চান, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের জন্য সর্বনিম্ন একটা বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেয়া উচিত-যার মাধ্যমে স্বল্প মেয়াদেী এবং দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগের নিশ্চয়তা থাকবে।’
বিশ্লেষকরা মনে করেছেন তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেড়িয়ে আসতে নানা মুখী পরিকল্পনা নিতে হতে পারে। বিদেশিদের সৌদি আরবের প্রতি আকৃষ্ট করতে হবে।এ ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তির দিকে তারা নজর দিবে যেনো প্রকৃত অর্থে সৌদি অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে। পশ্চিমা দেশগুলো যেমন নাগরিকত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে মেধার দিকটি গুরুত্ব দিয়ে সৌদি আরবও এর ব্যতিক্রম হবে না। একই সাথে অর্থশালী লোকদেরও বিশেষ সুবিধা দেয়া হতে পারে।

সুত্রঃ সৌদি গেজেট
প্রতিবাদে থানায় পুলিশের সমানে নগ্ন হলেন নারী...

প্রতিবাদে থানায় পুলিশের সমানে নগ্ন হলেন নারী...

প্রতিবাদে থানায় পুলিশের সমানে নগ্ন হলেন নারী...

গ্রেপ্তার করায় পুলিশ কর্মকর্তাদের চোখের সামনেই নগ্ন হলেন এক নারী। এক এক করে পোশাক থেকে অন্তর্বাস, সবই খুলে ফেললেন নিমিষেই। থানার ভেতর পুলিশ কর্মকর্তারা তখন পালাবার পথ খুঁজে পাচ্ছেন না। সামনে কী হচ্ছে?

অন্যদিকে নগ্ন অবস্থাতেই টেবিল চাপড়ে চিৎকার করে চলেছেন ওই নারী। এমনকি কর্মকর্তাদের দিকে নিজের জিনিস খুলে ছুঁড়তেও দেখা যায় ওই নারীকে।

আশ্চর্যজনক এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের আহমেদাবাদের একটি পুলিশ স্টেশনে। কোনোরকমে যখন ওই নারীকে থানা থেকে বের করতে সক্ষম হন পুলিম কর্মকর্তারা, তখনও তার টপ আর হ্যান্ডব্যাগটা পড়ে থাকে থানার মেঝেতেই।

এক পুলিশ কর্মকর্তা না প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, ‘হাতকড়া পরিয়ে যখন ওই নারীকে থানার ভেতর নিয়ে আসা হয়েছিল, তখন কর্মকর্তারা ঘুণাক্ষরেও বোঝেননি কী হতে চলেছে। প্রথমে শুরু হয় কথা কাটাকাটি দিয়ে। তারপর যা হলো… চোখ হাত দিয়ে বসে পড়তে হলো কর্মকর্তাদেরই।’
অবশেষে সন্ধান মিলল অপু বিশ্বাসের !

অবশেষে সন্ধান মিলল অপু বিশ্বাসের !

অবশেষে সন্ধান মিলল অপু বিশ্বাসের !

কয়েক মাস যাবৎ একেবারেই লাইম লাইটে নেই ঢাকাই ছবির প্রথমসারির নায়িকা অপু বিশ্বাস। বলা যায় অনেকটা নিখোঁজ তিনি। এমনকি অপুর সন্ধান দিতে পারছেন না তার কাছের মানুষরাও। মুঠোফোন নাম্বার বন্ধ, গুলশানের বাসায় নেই, গ্রামের বাড়ি বগুড়াতে যাননি, এমনকি নিজস্ব ফেসবুকেও নেই অপু। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অনেকেই অপুর নিখোঁজ হওয়াটাকে আড় নজরে দেখছেন।
এই যখন অবস্থা ঠিক তখন নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজের `সম্রাট` ছবির নতুন একটি গান প্রকাশ পায় গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। সেই গানের মাধ্যমে সন্ধান মিলল অপুর। সবকিছু ছাপিয়ে আবারো আলোচনায় এসেছেন এই চিত্রনায়িকা। প্রকাশ হওয়া `রাতভোর` গানে অপুকে নির্মাতা রাজ আবিস্কার করেছেন মোহনীয় রূপে। একইসঙ্গে শাকিবের গেটআপ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।
গানটি প্রকাশের পর ২৪ ঘণ্টার আগেই ভিউ পড়েছে প্রায় ৬২ হাজার। যেটা ঢাকাই ছবির গানের ক্ষেত্রে একেবারেই বিরল! এছাড়া সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এবং ইউটিউব ঘাঁটলে দেখা যাবে গানের নানা প্রশংসামূলক ব্যঞ্জনা।
ইউটিউবে গানটি দেখার পর জুয়েল রানা নামে একজন মন্তবে লিখেছেন, গানটা, লোকেশন, শাকিব-অপুর লুক-এক্সপ্রেশন, ক্যামেরা স্ক্রিন, এককথায় বলতে গেলে খুবই চমৎকার লেগেছে। আমাদের দেশের শিল্পীরা অনেক ট্যালেন্ট কিন্তু সঠিকভাবে তাদের ব্যবহার না করার আমাদের দেশে ভাল ছবি হচ্ছে না। তবে রাজের `সম্রাট` ছবিটি দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
গানটি দেখার পর জীবন খান নামে একজন লিখেছেন, ভালো কে ভালো বলা উচিত। সত্যিই গানটি ভালো হয়েছে। গান শুনে এবং দেখে দুই জায়গাই মজা পাওয়া যাবে। অনেকটা পরিবর্তন এসেছে। এই ধারা অব্যহত থাকুক। এছাড়া চলচ্চিত্র সংশিষ্ট অনেকেই চার মিনিট এগার সেকেন্ডের এই গানে নির্মাতা রাজের নির্মাণ মুন্সিয়ানার ভূয়সী প্রশংসা করেন।
প্রসঙ্গত, ‘সম্রাট’ ছবির গল্প ও চিত্রনাট্য পরিচালক রাজের নিজের। চিত্রগ্রহণ করছেন চন্দন রায় চৌধুরী। রাতভোর গানটি লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ইমরান।
সম্রাট ছবিতে শাকিব ও অপু বিশ্বাসের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ রাজা চরিত্রে থাকছেন কলকাতার অভিনেতা ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। আরো রয়েছেন মিশা সওদাগর, শিমুল খান, ইমন, ডিজে সোহেল, সু্ব্রত প্রমুখ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ঈদে আলোচিত সম্রাট ছবিটি মুক্তি পাবে বলে জানান নির্মাতা রাজ।

Friday, 17 June 2016

‘ইরানিয়ান হাল্ক’ - যা আপনার কল্পনারও বাইরে!

‘ইরানিয়ান হাল্ক’ - যা আপনার কল্পনারও বাইরে!

‘ইরানিয়ান হাল্ক’ - যা আপনার কল্পনারও বাইরে!

হাল্ক অনেকেই দেখেছেন৷ বাস্তবেও এরকম হাল্কদের দেখা পাওয়া যায়৷ যেমন আইসল্যান্ডের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ হাইফর জুলিয়াস বিয়র্নসন৷‘এইচবিও’ সিরিজ ‘গেম অফ থ্রোনসে’ অভিনয় করার সুবাদে ‘দ্য মাউন্টেন’ বলেই পরিচিত তিনি৷১৭৯ কেজির হাইফরকে দেখলে যতটা না দানবীয় দেখায় তার থেকে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর লাগে সাজাদ ঘারিবিকে৷

কে এই সাজাদ? এমনটাই প্রশ্ন জাগতে পারে৷বছর চব্বিশের পাওয়ার লিফ্টার সাজাদের ব্যাপের খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি৷তবে তার ছবি ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে পড়তেই তিনি হয়ে গেছেন ইন্টারনেট সেনসেশন৷১৭৫ কেজি ওজন এই মধ্য প্রাচ্যের যুবকের৷‘পার্সিয়ান হারকিউলি’ বা ‘ইরানিয়ান হাল্ক’ বলেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি৷সাজাদের পরবর্তী অ্যাকশন দেখার জন্য এখন অনেকেই মুখিয়ে আছেন৷আপনিও ছবি দেখুন সাজাদের৷মাথা ঘুরে যেতে বাধ্য৷
ঈদের আগে কম বাজেটে নতুন ফোন

ঈদের আগে কম বাজেটে নতুন ফোন

ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন স্মার্টফোন ব্র্যান্ড দেশের বাজারে নিয়ে এসেছে তাদের বিভিন্ন মডেলের হ্যান্ডসেট। এর মধ্যে একেবারে এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোন থেকে শুরু করে মাঝারি বাজেটের ও বড় বাজেটের ফ্ল্যাগশিপ হ্যান্ডসেটও রয়েছে।

কম বাজেটের এসব ফোন দেশের বিভিন্ন মোবাইল মার্কেটে ইতোমধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। যারা ঈদের আগে খুব কম বাজেটে নতুন ফোন কিনতে চান তারা জেনে নিতে পারবেন এসব ফোনের স্পেসিফিকেশন। প্রথম কিস্তিতে গত কিছুদিনে দেশের বাজারে ১০ হাজার টাকার কমে যেসব ফোন এসেছে সেগুলো নিয়ে এই প্রতিবেদন। পরের কিস্তি থাকবে মাঝারি ও বড় বাজেটের স্মার্টফোন নিয়ে।

সিম্ফনি এইচ৪০০:
ঈদকে সামনে রেখে নয় হাজার ৯৯০ টাকা দামের এইচ৪০০ মডেলের একটি নতুন স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে দেশিয় ব্র্যান্ড সিম্ফনি।

স্বল্প বাজেটের এই ফোনটি সিম্ফনির প্রথম ফিঙ্গার প্রিন্ট নিরাপত্তার স্মার্টফোন। ২.৫ ডি কার্ভড শেপের হ্যান্ডসেটটিতে রয়েছে ৫ ইঞ্চি আইপিএস এইচডি ডিসপ্লে। পিছনে ১৩ মেগাপিক্সেল ও সামনে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।



অ্যানড্রয়েড ৬.০ মার্শমেলোর সঙ্গে রয়েছে ১.৩ গিগাহার্জ ৬৪ বিটের কোয়াড কোর প্রসেসর এবং ২ জিবি ডিডিআর ৩ র‍্যাম। এর অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ ১৬ গিগাবাইট যা বাড়ানো যাবে ৬৪ জিবি পর্যন্ত। ৩২০০ এমএএইচ লি-পলিমার ব্যাটারি।

সিম্ফনি আই১০:
এছাড়াও সিম্ফনি দশ হাজার বাজেটের মধ্যে ঈদের আগে নিয়ে আসছে সিম্ফনি আই১০ মডেলের আরেকটি ফোন। সাড়ে ছয় থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে এই ফোনটি।

অ্যানড্রয়েড ৬.০ মার্শমেলো অপারেটিং সিস্টেমের পাঁচ ইঞ্চি ডিসপ্লের ফোনটিতে রয়েছে সামনে পাঁচ ও পিছনে আট মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এক জিবি র‍্যাম ও ১৬ জিবি রমের এই হ্যান্ডসেটের ব্যাটারি ২৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার।

লেনোভো এ ১০০০
লেনোভো এ ১০০০ স্মার্টফোনে রয়েছে চার ইঞ্চির ডিসপ্লে, ১.৩ গিগাহার্ডজ কোয়াড কোর প্রসেসর। এক জিবি র‍্যাম ও ৮ জিবি ইন্টারন্যাল স্টোরেজ। পাঁচ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার ফোনটির দাম ৬ হাজার ৯৯টাকা।



লেনোভো ২০১০
ছয় হাজার ৯৯৯ টাকা দামের একেবারে এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোন মডেল লেনোভো ২০১০। এই মডেলে রয়েছে ৪.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে। এক জিবি র‍্যাম, ৮ জিবি রম, পিছনে পাঁচ ও সামনে দুই মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।

মাইক্রোম্যাক্স কিউ৩০১
মাত্র দুই হাজার ৯৯০ টাকা দামের একেবারে এন্ট্রি লেবেলের স্মার্টফোন নিয়ে এসেছে মাইক্রোম্যাক্স।
অ্যানড্রয়েড ৫.০, চার ইঞ্চি ডিসপ্লে, ১.০ গিগাহার্জ কোয়ার্ডকোর প্রসেসর, ৫১২ মেগাবাইট র‍্যাম, ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল, ব্যাটারি ১৪০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার।

মাইক্রোম্যাক্স কিউ৩৮৩
এন্ট্রি লেভেলের আরেকটি স্মার্টফোন মাইক্রোম্যাক্স কিউ৩৮৩। যার দাম মাত্র চার হাজার ৩৯০ টাকা।

এর স্পেসিফিকেশন বলতে গেলে, অ্যানড্রয়েড ৫.১, পাঁচ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ১.২ গিগাহার্জ কোয়ার্ডকোর প্রসেসর, ৫১২ মেগাবাইট র‍্যাম, ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল, ব্যাটারি ১৮০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার।



মাইক্রোম্যাক্স কিউ৩৮১
মাত্র চার হাজার ৮৯০ টাকা দামের মাইক্রোম্যাক্স কিউ৩৮১ মডেলের স্মার্টফোনটি ঈদের আগেই বাজারে এসেছে।

অ্যানড্রয়েড ৫.০, পাঁচ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ১.২ গিগাহার্জ কোয়ার্ডকোর প্রসেসর, এক জিবি র‍্যাম, ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল, ব্যাটারি ২০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার।

মাইক্রোম্যাক্স কিউ৩৫০
আরেকটি চার হাজার ৯৮০ টাকার স্মার্টফোন মাইক্রোম্যাক্স কিউ৩৫০। অ্যানড্রয়েড ৬.০ মার্শমেলো, ৫.০ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ১.৩ গিগাহার্জ কোয়ার্ডকোর প্রসেসর, এক জিবি র‍্যাম, পিছনে ৫ ও সামনে ২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ব্যাটারি ২০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার।
সাশ্রয়ী বাজেটে শাওমির নতুন স্মার্টফোন

সাশ্রয়ী বাজেটে শাওমির নতুন স্মার্টফোন

সাশ্রয়ী দামে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তির আরও একটি স্মার্টফোনউন্মুক্ত করেছে চীনের অ্যাপল নামে খ্যাত শাওমি। রেডমি ৩এস নামে নতুন ফোনটি পাওয়া যাবে মাত্র ১০৬ মার্কিন ডলার বা সাড়ে সাত হাজার টাকায়।

৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের ফোনটির রেজুলেশন ৭২০x১২৮০। অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৫.১ ললিপপের কাস্টমাইজ সংস্করণ। রয়েছে ১.১ গিগাহার্টজ অক্টো-কোর স্ন্যাপ্নড্রাগন ৪৩০ প্রসেসের। ২ গিগাবাইট র‍্যাম, ১৬ গিগাবাইট ও ৩২ গিগাবাইট মেমোরির দুটি সংস্করণে পাওয়া যাবে ফোনটি।



ছবি তোলার জন্য ডিভাইসটির পেছনে রয়েছে ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও এলইডি ফ্ল্যাশ। সেলফি ও ভিডিও চ্যাটের জন্য সামনে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। অধিক সময় ব্যাটারি সুবিধা দিতে ফোনটিতে রয়েছে ৪১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। আরও আছে ওয়াইফাই, ফোরজি, ব্লুটুথ, জিপিএস সুবিধা।

সিলভার ও গোল্ড রংয়ের ডিভাইসটির ২ গিগাবাইট সংস্করণটি পাওয়ার যাবে ১০৬ ডলারের ও ৩ গিগাবাইট সংস্করণটি পাওয়া যাবে ১৩৬ ডলারে। চীনের বাজারে ১৬ জুন থেকে বিক্রি শুরু হবে।

মূলত শাওমির রেডমি সিরিজের স্মার্টফোনগুলো সাশ্রয়ী দামের হওয়ায় গ্রাহকের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন ডিভাইসটি বাজারে এনেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফোন এরিনা অবলম্বনে তুসিন আহমেদ
টর্চলাইটসহ দীর্ঘ ব্যাকআপের পাওয়ার ব্যাংক

টর্চলাইটসহ দীর্ঘ ব্যাকআপের পাওয়ার ব্যাংক

টর্চলাইটসহ দীর্ঘ ব্যাকআপের পাওয়ার ব্যাংক

ভারতের মোবাইল অ্যাক্সেসরিজ নির্মাতা এমব্রেন বাজারে এনেছে টর্চলাইটসহ ১৩০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার পাওয়ার ব্যাংক। ভারতীয় বাজারে এটি ৯৪৯ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

পি১৩১০ মডেলের এই পাওয়ার ব্যাংকের দুটি ইউএসবি ২.০ পোর্ট, একটি মাইক্রো-ইউএসবি পোর্ট রয়েছে। এটি ৫ ভোল্ট/২.১ অ্যাম্পিয়ারে মোবাইল ডিভাইস চার্জ করতে সক্ষম। মোবাইল চার্জ সম্পূর্ণ হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ২৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন প্রায় ৪ বার ফুলচার্জ দেওয়া যাবে এই পাওয়ার ব্যাংকের মাধ্যমে।

গড়ে ১২ থেকে ১৩ ঘন্টা এটি দিয়ে চার্জ দেওয়া যাবে। দ্রুতগতির চার্জিং সুবিধার স্মার্টফোনেও এটি ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া ট্যাবলেট, ডিজিটাল ক্যামেরা, গেইমিং ডিভাইসও চার্জ দিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

নিরাপত্তায় রয়েছে নয় লেয়ার বিশিষ্ঠ সার্কিট প্রোটেকশন এবং চারটি এলইডি ইন্ডিকেটর।

শিগগিরই ভারতের বাইরের বাজারেও এটি পাওয়া যাবে বলে জানা গেছে।
সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ করল ৬৫ বছরের বৃদ্ধ

সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ করল ৬৫ বছরের বৃদ্ধ

সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণ করল ৬৫ বছরের বৃদ্ধ

কেরানীগঞ্জের মান্দাইল খালেরঘাট এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে কয়েক দফা  ধর্ষণ করেছে নুরুল ইসলাম নামে ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধ। 
  
শিশুটির মায়ের অভিযোগ, নুরুল ইসলাম জোর করে কয়েক দফা ধর্ষণ করে তার মেয়েকে। কিন্তু ভয়ে মেয়ে কাউকে কিছু বলেনি। 
  
সর্বশেষ বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশের মাঠে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণের সময় প্রতিবেশী আরেক শিশু ঘটনাটি দেখে ফেলে। ওই শিশুর মাধ্যমে ঘটনাটি জানাজানি হয়ে যায়। 
  
জঘন্য এ ঘটনার পর স্থানীয়দের চাপের মুখে অভিযুক্ত নুরুল ইসলাম পরিবারসহ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে। 
  
তবে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী এ ব্যাপারে বাইরের কারো কাছে মুখ খুলতে শিশুটির মাকে বারন করে দেন। 
  
তিন দিন পর শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় এক যুবক ঘটনাটি সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেন। 
  
সরেজমিন দেখা যায়, মান্দাইল খালেরঘাট এলাকার ফকিরের বাড়িতে ছোট একটি ঝুপড়ি ঘরে মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকেন স্বামী পরিত্যক্তা আঁখি। যন্ত্রনায় কাতর তার শিশু সন্তানটি বিছানায় শুয়ে কান্নাকাটি করছে। মেয়ের চিকিৎসার খরচ চালানোর সামর্থ্যও তার নেই। 
  
দুই বছর আগে আরেকটা বিয়ে করে এক মেয়েসহ আঁখিকে ফেলে মেয়ে চলে গেছেন তার স্বামী। একমাত্র মেয়েকে নিয়ে থাকেন তিনি। রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের একটি প্লাস্টিক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেন শিশুটির মা। 
  
আঁখি বলেন, নুরুল ইসলামকে তিনি চাচা বলে ডাকেন। আর মেয়ে নানাভাই বলে ডাকে। পাশাপাশি তারা ভাড়া থাকেন। কাজে গেলে মেয়েকে ঘরে রেখে যান। 
  
এ সুযোগে প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম প্রায়ই তার মেয়ের সঙ্গে আশালীন আচরণ করতো। কয়েকবার ধর্ষণও করে। 
  
তিনি বলেন, নুরুল ইসলামের ভয়ে মেয়ে কাউকে কিছু বলেনি। গত বুধবারও বস্তির পাশের মাঠে নিয়ে ধর্ষণ করে। তখন এক শিশু ঘটনাটি দেখে ফেলে। ওই শিশু এসে সব বলে দেয়। 
  
ঘটনা জানাজানি হলে পাশবিক নির্যাতনের শিকার শিশুটি আগাগোড়া সব  মায়ের কাছে বলে দেয়। 
  
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি ফেরদাউস হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তাছাড়া কেউ কোনো অভিযোগও করেনি।
যশোরে জোড়া লাগানো দুই কন্যার জন্ম

যশোরে জোড়া লাগানো দুই কন্যার জন্ম

যশোরে জোড়া লাগানো দুই কন্যার জন্ম

যশোরের চৌগাছা উপজেলার উজিরপুর গ্রামের মিন্টু হোসেন নামের এক কৃষকের স্ত্রী জোড়া লাগানো কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

কন্যা শিশু দুটির হাত, পা, মাথা আলাদা রয়েছে। তবে তাদের পেট জোড়া লাগানো রয়েছে।

রিনা খাতুন (৩৫) নামের ওই গৃহবধূ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে চৌগাছার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে অপারেশনের মাধ্যমে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। প্রসূতি ওই ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোড়া শিশুকে সকাল ১০টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জোড়া লাগানো শিশু সুস্থ আছে বলে জানিয়েছেন সেবিকা ও চিকিৎসকরা।

নবজাতকের চাচা আকতারুজ্জামান বলেন, কৃষক মিন্টু হোসেন ও গৃহিনী রিনা খাতুনের তিন সন্তান রয়েছে।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, জোড়া লাগানো শিশুকে এক নজর দেখার জন্য মানুষ শিশু ওয়ার্ডে ভিড় করছে।

শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা সেবিকা শারমিন নাহার বলেন, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহফুজুর রহমানসহ কয়েকজন ডাক্তার শিশুটিকে কয়েক দফায় দেখেছেন। তারা শিশুকে ঢাকায় নেয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন, শিশু দুটির শরীরের অর্গানগুলো যদি আলাদ থাকে, তবে তাদের ঢাকা নিয়ে আলাদা করা সম্ভব হবে।
বিশ্বের ১০টি বিতর্কিত ও সমালোচিত কিন্তু সুপারহিট মুভির জানা-অজানা!

বিশ্বের ১০টি বিতর্কিত ও সমালোচিত কিন্তু সুপারহিট মুভির জানা-অজানা!

সিনেমা অনেক ধরনের হয়। কখনও তা মন জিতে নেওয়ার, কখনও নিখাদ বিনোদনের, কখনও আবার ভাবিয়ে তোলার। আসুন এমন দশটা সিনেমার কথা বলি, যেগুলি দারুণ হিট, প্রশংসিত কিন্তু পরিবারের সবার সঙ্গে দেখার মতো নয়:

বিশ্বের ১০টি বিতর্কিত ও সমালোচিত কিন্তু সুপারহিট মুভির জানা-অজানা!

১০) গন গার্ল (২০১৪): সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বিষয়ে সেরা ছবিগুলির মধ্যে একটি হল বেন আফ্লেক অভিনীত এই সিনেমাটি। একটি মেয়ের হারিয়ে যাওয়া, স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কের চাপানউতোর নিয়ে তৈরি এই সিনেমার প্রতি মুহূর্তে টানাটান করা সব দৃশ্য, সংলাপ। যে কোনও মুডে দেখার পক্ষে সেরা। কিন্তু সিনেমায় এমন বেশ কিছু দৃশ্য আছে যা বাড়ির সবার সামনে বসে দেখলে অস্বস্তি হবেই। পরিচালক ডেভিড ফিঞ্চার নিজেই বলেছেন, এ ছবির বিষয়বস্তু সবাইকে আকৃষ্ট করবে, কিন্তু এটা সবার সঙ্গে বসে দেখার সিনেমা নয়।
৯) জিসম (২০০৩): বিপাশা বসু, জন আব্রাহামের এই সিনেমা বক্স অফিসে সাড়া ফেলে দেয়। এক বিবাহিত মহিলার প্রেমে মত্ত এক যুবকের প্রতারিত হওয়ার গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই সিনেমায়। কিন্তু সিনেমায় এত খোলাখুলি সব দৃশ্য আর সংলাপ রয়েছে যা বাড়ির সবার সঙ্গে দেখার পক্ষে কিছুটা বিপজ্জনক তো বটেই।
৮) আনফেথফুল (২০০২): হলিউডের অন্যতম সেরা জনপ্রিয় সিনেমা। গল্পের মোচড় অনেক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়। প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, শরীরী টানের বুনেটে তৈরি হওয়া এই সিনেমার গল্পটাই এমন যে, বাড়ির সবার সামনে দেখতে বসলে উঠে যাওয়া ছাড়া বিশেষ কিছু করার থাকে না।
৭) ফিফটি শেডস অফ গ্রে (২০১৫): ব্রিটিশ লেখিকা ই. এল. জেমসের সর্বাধিক বিক্রি হওয়া উপন্যাস ‘ফিফটি শেডস অব গ্রে’ অবলম্বনে তৈরি হয়েছে ছবিটি। চলতি বছরের সবচেয়ে বড় হিট। ১০০ মিনিটের এই সিনেমার পরতে পরতে আছে যৌনতা। তবে সিনেমাটা কিন্তু শুধু যৌনতার ওপর দাঁড়িয়ে নেই। সমালোচকরা এই সিনেমাকে নম্বর দিচ্ছেন যৌনতার বাইরে সিনেমার বিষয়বস্তুর জন্য। তাই যদি সিনেমাটা দেখতেই চান একটু ব্যক্তিগত পরিসরে দেখুন, না হলে…
৬) আমেরিকান বিউটি (১৯৯৯): মেয়ের বন্ধুর শরীরের প্রেমে পড়ে যাওয়া এক মধ্যবয়স্ক পুরুষের কাহিনি। সমালোচক, দর্শকদের কাছে বহু প্রশংসা আদায় করা এই সিনেমা জিতেছে অস্কারে সেরা সিনেমা, সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেতার পুরস্কার। অবশ্য ভুলেও পরিবারের সবার সঙ্গে বসে দেখার কথা ভাবা উচিত নয়, সে আপনি পরিবারের সঙ্গে যতই খোলামেলা হোন না কেন।
৫) দিল্লি বেলি (২০১১): দারুণ মজার ছবি। না দেখলে মিস করার ব্যাপার থাকে। তবে কী এমন কিছু সংলাপ আর দৃশ্য আছে সবার সঙ্গে দেখাটা একটু চাপের।
৪) ম্যাজিক মাইক (২০১২): একটু অন্য কারণে ছবিটি পরিবারের সবার সামনে বসে দেখা যায় না। ছবিটিতে অসমবয়সী নানা প্রেমের কথা রয়েছে যা কখন আপনার মাকে অস্বস্তিতে ফেলবে, আবার কখনও তা ফেলবে আপনাকে।
৩) সত্যম শিবম সুন্দরম (১৯৭০): বলিউডের চিরকালীন সেরা সিনেমার তালিকায় একেবারে প্রথমের দিকে থাকবে রাজ কাপুরের এই সিনেমা। অভিনয়, পরিচালনা, গল্প, গান সব কিছুতেই যুগের থেকে অনেকটা এগিয়ে সত্যম শিবম সুন্দরম। শশী কাপুর আর জিনত আমনের প্রেম সবাইকে মুগ্ধ করার মত। একটা সময় লোকে ভাবতে পারত না পরিবারের সবার সঙ্গে এই সিনেমা দেখার। তবে বেসরকারি টিভি চ্যানেলে অনেক কাটের পর বহুবার দেখানোর পর মানুষ এখন পরিবারের সঙ্গে দেখছে ঠিকই, কিন্তু একটু আমতা আমতা করে।
২) দ্য ব্যানডিট কুইন (১৯৯৪): পরিচালক শেখর কাপুর পরিচালিত এই ছবির গল্পে ফুলন দেবীর জীবন তুলে ধরা হয়েছিল৷ ছবিতে সেক্সুয়াল কনটেন্ট, নুড্যিটি এবং কিছু অশ্রাব্য ভাষার ব্যবহারের জন্য দ্য ব্যানডিট কুইনের মতো সিনেমাকে সেন্সর বোর্ড নিষিদ্ধ করে৷ কিন্তু ছবিটিতে বিতর্কের মাত্রা যোগ করেন ফুলন দেবী স্বয়ং৷ ফুলন দেবীর অভিযোগ ছিল, তাঁর জীবনের বেশ কিছু গুরুত্বপুর্ণ তথ্য বিকৃত করা হয়েছে৷ ছবিটা যতই ভাল হোক পরিবারের সবার সামনে দেখাটা একটু অস্বস্তির বৈকি।
১) বেসিক ইন্সটিংক্ট (১৯৯২): ইরটিক থ্রিলার ‘বেসিক ইন্সটিংক্ট’-এ শ্যারন স্টোনের আবেদনময়ী অবতারের কথা চলচ্চিত্রপ্রেমীরা আরও অনেক দিন মনে রাখবেন। ব্যবসায়ীক নিরিখে একেবারে আকাশছোঁয়া সাফল্য বলা চলে। শ্যারোন স্টোনের পাশাপাশি ছবির গল্পের মোচড়টাও বেশ আকর্ষণীয়। তবে সব জিনিস তো সব জায়গায় চলে না। তাই পরিবারের সবার সঙ্গে দেখা থেকে বিরত থাকেন সবাই।
বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে পা হারালেন ছোট ভাই

বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে পা হারালেন ছোট ভাই

বড় ভাইয়ের দায়ের কোপে পা হারালেন ছোট ভাই

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বড়ভাইয়ের দায়ের কোপে পা হারিয়েছেন ছোট ভাই খাজা মিয়া। 
  
মুমুর্ষ অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
  
বৃহষ্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার গোবর্ধনপুরে এ ঘটনা ঘটে। 
  
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের গোবর্ধনপুরের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে রাজা মিয়া (৬৩) ও খাজা মিয়া (৬০)। পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে বিরোধ চলছে। 
  
বৃহস্পতিবার বিকালে বড় ভাই রাজা মিয়া তার দুই ভাগিনা- শরিফুল ইসলাম ও আজিজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে ছোট ভাই খাজা মিয়াকে চককরিম গ্রামের পাথারে জমির মধ্যে ধরে ধারালো দা দিয়ে বাম পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রেখে যায়। 
  
স্থানীয়রা তাকে মুমুর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়। 
  
এ ব্যাপারে আরএমও ডা. জিয়াউল ইসলাম বলেন, প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় রোগীর অবস্থা আশংকাজনক। তাই তাকে রংপুরে প্রেরণ করা হয়েছে। 
  
পীরগঞ্জ থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কোচিং বিরোধী অভিযান, পালালেন শিক্ষকেরা

কোচিং বিরোধী অভিযান, পালালেন শিক্ষকেরা

কোচিং বিরোধী অভিযান, পালালেন শিক্ষকেরা

কোচিং বিরোধী অভিযান টের পেয়ে বাগেরহাটে কোচিং সেন্টারে তালা ঝুলিয়ে পালালেন বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। 
  
বৃহস্পতিবার সকালে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর আকস্মিকভাবে বাগেরহাটের বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে অভিযান চালালে এই চিত্র দেখতে পান কর্মকর্তারা। 
  
বাগেরহাটের সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের কয়েকজন শিক্ষক শহরের দশানী, সম্মিলন স্কুলের মোড়, পুরাতন পুলিশ লাইন, বালিকা বিদ্যালয় সড়ক, আমলাপাড়াসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় কোচিং সেন্টার গড়ে তুলে শিক্ষা বানিজ্য চালিয়ে আসছেন। 
  
এসব কোচিং সেন্টারের পরিচালকরা প্রতি শিক্ষার্থী মাসে এক থেকে দেড় হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন। তাদের বিরুদ্ধে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। 
  
বাগেরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অরুণ কুমার গোস্বামী, সেলিম, মহসিন আলী, কবীর হোসেন আকন, মোহম্মদ আলী, উত্তম কুমার দাস, দেবাশীষ দাস, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের আঞ্জুমান আরা, জুয়েল এবং যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের আলা উদ্দিনের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্য চালানোর অভিযোগ রয়েছে। 
  
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিভাবকরা বলেন, শহরের দুটি সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাশাপাশি প্রতিটি স্কুলের শিক্ষকরা কোচিং বানিজ্য জড়িয়ে পড়েছেন। স্কুলগুলোতে তারা ঠিক মতো ক্লাস নেন না। ফলে আমরা বাধ্য হয়ে ছেলে মেয়েদের কোচিং এ পড়াচ্ছি। 
  
কোচিং বিরোধী এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে অভিভাবকরা তা অব্যাহত রাখার দাবী জানান। 
  
বাগেরহাট সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রী  বলেন, আমরা বাধ্য হয়ে কোচিং সেন্টারে পড়ি। স্যারেরা ক্লাসে ঠিক মতো পড়ালে আর কোচিং সেন্টারে পড়ার প্রয়োজন হয়না। কোচিং সেন্টার বন্ধের দাবী জানান ওই শিক্ষার্থী। 
  
অভিযানের নেতৃত্ব দেয়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের উপ-পরিচালক টিএম জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধের জন্য আমরা কোচিং সেন্টারগুলোতে অভিযান শুরু করেছি। অভিযান টের পেয়ে কয়েকজন শিক্ষক তাদের কোচিং সেন্টার রেখে পালিয়ে যান। 
  
পর্যায়ক্রমে অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও কোচিং বানিজ্য বিরোধী অভিযান চালানো হবে বলে তিনি জানান। 
  
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর খুলনার সহকারী পরিচালক হেদায়েত হোসেন,বাগেরহাট শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিচালক ফয়সাল হাবিব, বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ আকরাম হোসেন, যদুনাথ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ অজয় চক্রবর্ত্তী এসময় তার সঙ্গে ছিলেন।
সালমান খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

সালমান খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

সালমান খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

শ্যুটিং থেকে ডেকে নিয়ে অভিনেত্রীকে ধর্ষণ করেছেন সালমান খান। বিস্ফোরক এ অভিযোগ করেছেন বিগবস খ্যাত ছোট পর্দার অভিনেত্রী মডেল পূজা মিশ্র। 
  
সালমন খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থে হয়ে এফআইআর দায়েরও করেছেন পূজা। 
  
পূজার অভিযোগ, দিল্লিত 'পার্টি তো আভি শুরু হুয়া হ্যায়'-এর শ্যুটিংয়ের সময় একান্তে ডেকে নিয়ে গিয়ে সালমন তাকে ধর্ষণ করেন। শত্রুঘ্নও নাকি তাকে ধর্ষণ করেছেন। পূজা টুইটে লেখেন সালমন ও তার পরিবার, সঙ্গে শত্রুঘ্ন ও তার পরিবার আমায় শ্যুটিংয়ের সময় ধর্ষণ করেন।   
  
এরপরই তিন ক্যামেরাম্যানের বিরুদ্ধেও গণধর্ষণের অভিযোগ তোলেন বিগ বস খ্যাত ছোট পর্দার এই অভিনেত্রী। এক নতুন শো-য়ের প্রচার এসে পূজার অভিযোগ, আট হাজার টাকার বিনিময়ে চুক্তির ভিত্তিতে তিনি তিনজন ক্যামেরম্যানকে কাজে নেন।


একরাতে শ্যুটিং শেষে এক পার্টিতে বাকি অনেকের সঙ্গে ওই তিন ক্যামেরাম্যানকেও ডাকেন পূজা। পূজার অভিযোগ পার্টিতেই তার ঠান্ডা পানীয়তে ওষুধ মিশিয়ে তাকে হোটেলের রুমে তিনজনে গণধর্ষণ করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
  
সূত্র : জিনিউজ।
বিছানা দৃশ্যে মিমির আপত্তি

বিছানা দৃশ্যে মিমির আপত্তি

বিছানা দৃশ্যে মিমির আপত্তি

মিমি চক্রবর্তী। নামটার সঙ্গেই একটা প্রতিবাদী ভাব জড়িয়ে আছে। সিনেমাতেও সব সময় প্রতিবাদী দেখা যায় মিমিকে। বাস্তব জীবনেও তিনি এর ব্যতিক্রম নন।

কিছুদিন আগে মেয়ে হয়ে একা সন্ত্রাসীদের পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছিলেন। তখন সর্বত্র আলোচিত ছিলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি।

এবার নায়িকা সাফ জানিয়ে দিলেন, কোনও বিছানার দৃশ্যে তিনি অভিনয় করতে চান না।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মিমি বলেন, বেড সিন (শয্যা দৃশ্য) করতে পারব না। অন্তরঙ্গ দৃশ্য করতে পারব না। এসব ব্যাপারে কোথাও গিয়ে আটকে যায়। জানি না, হয়তো পরে কেটে যাবে। কিন্তু আপাতত এগুলো আমার না এর তালিকায় রয়েছে।

মিমি বলেন, ভালো সিনেমার কথা বললে আমি ‘খাদ’ আর ‘প্রলয়’ করেছি। আরও অফার এসেছিল, কিন্তু কিছু ফিল্মে কিছু জিনিস ছিল যেগুলো আমি কিছুতেই করতে পারব না।
আরেক মডেলের আত্মহত্যা

আরেক মডেলের আত্মহত্যা

আরেক মডেলের আত্মহত্যা

আত্মহত্যা করেছেন মডেল সিনহা রাজ। মঙ্গলবার রাত ১২টায় মহাখালীর দক্ষিণপাড়ার ভাড়া বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন তিনি।

এ ঘটনায় সিনহার স্বামী অভিনেতা ও পরিচালক অভিজিৎ অভিকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১২টার পরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সিনহাকে দেখতে পেয়ে অভিজিৎ ও প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে। পরে তাকে মহাখালী মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

সিনহার বাবা সাবেক পুলিশ সুপার মতিউর রহমানের অভিযোগ, বিয়ের দুই বছর পার হলেও যৌতুকের জন্য সিনহাকে মারধর করতো অভিজিৎ। এ কারণেই সিনহা আত্মহত্যা করেছে।

প্রসঙ্গত, সিনহা ২০১৪ সালে ভিট মডেল প্রতিযোগী ছিলেন।

এর আগে গত ২৪ মে বেসরকারি গান বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলের মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ ও মডেল সাবিরা হোসাইন ফেসবুকে ভিডিও ছড়িয়ে মিরপুরের রূপনগরে সাবলেটের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
বিয়ে করে নরকে পা দিতে চাই না: জয়া

বিয়ে করে নরকে পা দিতে চাই না: জয়া

বিয়ে করে নরকে পা দিতে চাই না: জয়া

ছিলেন মডেল ও ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। সেখান থেকে ধীরে ধীরে পাকা করেছেন বড় পর্দার আসন। শুধু ঢাকাই চলচ্চিত্রে নন, নিজেকে টলিউডেও জাত অভিনেত্রী হিসেবে চিনিয়েছেন। তিনি জয়া আহসান।

বর্তমানে বড় পর্দার কাজ নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন নায়িকা।

সম্প্রতি মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের ইংরেজী দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার। সেখানে বিয়ে নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেছেন তিনি।

জয়া জানিয়েছেন, বিয়ে করে আর নরকে পা দিতে চান না। বিয়ে বিষয়টিকে তিনি ভয় পান বলেও জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, কলকাতার সিনেমা 'রাজকাহিনী'তে অভিনয় করার পর ছবির পরিচালক সৃজিতের সঙ্গে বিয়ের বিষয়ে জোরগুঞ্জন চলছিল। সৃজিত নাকি জয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ।

এ বিষয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জয়া বলেন, এটা সত্য নয়। সৃজিত আমার ভালো বন্ধু। বিয়ে নিয়ে আমার পরিকল্পনা কি তা জানতে চেয়েছিল সে। অন্যকিছু নয়।

তিনি বলেন, অধিকাংশ নারীর মতো আমিও বিয়ে বিষয়টিকে ভয় পাই। আমি একবার বিয়ে করেছি, কিন্তু তা কোনো কারণে টিকেনি বলে আমি বিয়েকে খারাপ বলছি, এটা কিন্তু না। আসলে বিয়েটা ভালো-মন্দের মিশ্রণই! আসলে আমি জেনেশুনে ফের বিয়ে করে নরকে পা দিতে চাই না।
রজনীকান্তের মৃত্যুর গুজব

রজনীকান্তের মৃত্যুর গুজব

রজনীকান্তের মৃত্যুর গুজব

আজ সকাল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর গুঞ্জন রজনীকান্তের শরীর খারাপের খবর নিয়ে। সকালে 'মাইক্রো নিউজ' নামের এক ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বলা হয় দক্ষিণের সুপারস্টার রজনীকান্ত লন্ডনের এক হাসপাতালে ভর্তি। তার নাকি হার্ট অ্যাটাক হয়েছে।

কিছুক্ষণ পরেই সেখানে লেখা হয় RIP রজনী। এরপরেই সেই ফেসবুক পোস্টটি বিদ্যুতের মত ছড়িয়ে পড়ে। দক্ষিণের বিভিন্ন তারকারা রজীনর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ পর্যন্ত করে ফেলেন।
  
পরে জানা যায় পুরোটাই গুজব। তবে গুজব হলেও ব্যাপরটা এমনভাবে প্রচার পেয়ে যায় এই বিষয়ে বিবৃতি দিতে হয় রজনীর অফিস থেকে। বলা হয় রজনীকান্ত একেবারে সুস্থ আছেন। তিনি এখন ব্যস্ত 'কাবিল' ও 'রোবট টু পয়েন্ট জিরো' সিনেমার কাজে।
  
সোশ্যাল মিডিয়ায় সেলেব্রিটিদের মৃত্যু গুজব একেবারে মতুন নয়। বরং এটা ট্রেন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিলীপ কুমার থেকে হানি সিং। লতা মঙ্গেশকর থেকে অমিতাভ বচ্চন। বারাক ওবামা থেকে নেলসন ম্যান্ডেলা। বিভিন্ন সময়ে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে মৃত্যু গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এর কারণটা হল লোককে ভুল খবর করে অর্থ রোজগার ও সস্তার জনপ্রিয়তা অর্জন। 
  
সূত্র : জিনিউজ
দুই ভাড়াটিয়ার ঝগড়া - গরম তেলে ঝলসে গেল মা-মেয়ে

দুই ভাড়াটিয়ার ঝগড়া - গরম তেলে ঝলসে গেল মা-মেয়ে

দুই ভাড়াটিয়ার ঝগড়া - গরম তেলে ঝলসে গেল মা-মেয়ে

রান্না নিয়ে দুই ভাড়াটিয়ার ঝগড়ায় নিক্ষিপ্ত গরম তেলে ঝলসে গেছে মা ও মেয়ে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চান্দরা পল্লীবিদ্যুৎ দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় অভিযুক্ত আমেনা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে আটক করেছে কালিয়াকৈর থানার পুলিশ।

কালিয়াকৈর থানার এসআই মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঝলসে যাওয়া আহতরা হলেন রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার মানিকবেরা এলাকার মাজেদুল ইসলামের স্ত্রী ইসমতারা বেগম (২২) এবং তার তিন বছরের শিশু কন্যা মাজেদা আক্তার মায়া।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আহত ইসমতারা তার স্বামীর সঙ্গে উপজেলার চান্দরা পল্লীবিদ্যুৎ দক্ষিণপাড়া এলাকার শওকত হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় এফবি ফুটওয়্যারে চাকরি করেন। একই বাড়িতে ভাড়া থাকেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার তাজনগর এলাকার আসাদ মিয়ার স্ত্রী আমেনা বেগম (৩৫)।

বৃহস্পতিবার ইফতারের আগে রান্না করা নিয়ে আমেনা ও ইসমতারার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে আমেনা বেগম উত্তেজিত হয়ে রান্না করা গরম তেল ইসমতারার দিকে ছুঁড়ে মারেন।

ওই গরম তেলে ইসমতারা ও তার কোলে থাকা মেয়ে মায়ার শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।

পরে আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ইসমতারাকে আটক করে।
বাসের ধাক্কায় গেল স্মৃতি, ফিরল বাইকের ধাক্কায়

বাসের ধাক্কায় গেল স্মৃতি, ফিরল বাইকের ধাক্কায়

বাসের ধাক্কায় গেল স্মৃতি, ফিরল বাইকের ধাক্কায়

পর্দার সিনেমা এবার বাস্তবে ঘটে গেল। সাত বছর আগের বাস দুর্ঘটনায় হারানো স্মৃতি ফিরে এলো আবার মোটরসাইকেলের ধাক্কায়। তারপর জ্যৈষ্ঠের নিশুথি সন্ধ্যায় কড়া নড়ে উঠল বাড়ির দরজায়। কপাট খুলেই চমকে উঠল পরিবার- ভূত নয়তো!

‘মৃত’ সন্তানকে এতদিন পর চোখের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আপ্লুত পিতা আর আবেগ সামলাতে পারলেন না। স্বামী-শ্বশুরের চোখের জল মুছতে আঁচল এগিয়ে দিলেন স্ত্রী নিরুপমা। নিথর দুই মেয়ে চিনতে পারছিলেন না রোগাক্লান্ত-জীর্ণশীর্ণ বাবাকে।

রাজস্থানের হরিদর এলাকায় ‘ধর্মবীর’র ফিরে আসার গল্পটি এখন ‘কিংবদন্তির প্রত্যাবর্তন’। দেরাদুনের মস্তিষ্ক বিশারদ রাম নীয়াজ বলেছেন, ‘স্মৃতিভ্রষ্ট হওয়ার পর কেউ আবার তা ফিরে পেয়েছে এমন নজির বিরল। স্মৃতি ফিরে পাওয়ার পর মাঝখানের সাত বছরের কথা তার মনে নেই এখন। কিন্তু সাত বছর আগের স্বাভাবিক জীবনের স্মৃতিগুলো পুরোটাই মনে আছে তার।’

এদিকে বৃহস্পতিবারের দ্য ইন্ডিয়া টাইমস জানিয়েছে, ২০০৯ সালে দেরাদুনের এক সেতু থেকে খাদে পড়ে যায় সামরিক বাহিনীর একটি গাড়ি। সেটি চালাচ্ছিলেন জওয়ান ধর্মবীর। দুর্ঘটনার পর তার দুই সহকর্মীকে উদ্ধার করা হলেও খুঁজে পাওয়া যায়নি তাকে। এরপর নিয়ম অনুসারে তিন বছর পর তথা ২০১২ সালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। অবসর পরবর্তী সুবিধাও বুঝিয়ে দেয়া হয় ধর্মবীরের পরিবারকে।

কিন্তু দেরাদুনের রাস্তার আরেকটি দুর্ঘটনাই বদলে দেয় সবকিছু। কয়েকদিন আগে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সেখানে আহত হয় এক উস্কোখুস্কো ফকির। এরপর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় ওই মোটরসাইকেল আরোহী। জ্ঞান ফেরার পর নিজেকে সামরিক বাহিনীর জাওয়ান বলে দাবি করেন আহত ফকির। সাত বছর আগের দুর্ঘটনার সময় তিনি যে বাহিনীর গাড়ি চালাচ্ছিলেন সে কথাও জানান সে সময়।

এরপর হাসপাতাল থেকে বের হয়ে সোজা বাড়ির উদ্দেশ্যে ট্রেনে উঠে পড়েন ওই ব্যক্তি। ঠিকঠাক মতো পৌঁছে যান রাজস্থানের বাড়িতে। স্ত্রী ও পিতাকে চিনলেও নিজের দুই মেয়েকে প্রথমে চিনতেই পারেননি তিনি। চিনবেনই বা কী কমর- সাত বছর আগের বাচ্চা মেয়েরা তো এখন পরিপূর্ণ তরুণী। স্মৃতিহারা সময়গুলোর কথা আর মনে নেই তার- যেন জীবনে কখনোই ছিল না মাঝখানের সময়গুলো!
নকলের ভিড়ে আসল চেনা দায়

নকলের ভিড়ে আসল চেনা দায়

নকলের ভিড়ে আসল চেনা দায়

রাজধানীর খিলগাঁও বাজার থেকে ‘ফগ’ ব্রান্ডের ব্ল্যাক বডি স্প্রে কেনেন নয়াপল্টনের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন। স্প্রের গন্ধ ঝাঁঝালো এবং স্প্রে করার ১০ মিনিটের মধ্যেই আর ঘ্রাণ থাকে না। অথচ তার ৬ মাস আগে তিনি অন্য একটি দোকান থেকে একই ব্র্যান্ডের যে বডিস্প্রেটি কিনেছিলেন তার ঘ্রাণ চমৎকার। আর সেটি থাকে প্রায় ১২ ঘণ্টা।
দুটি কৌটা নিয়ে ফগ পারফিউম ও বডি লোশন এবং ব্লুলেডি পারফিউমের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসবি ডিস্ট্রিবিউশনের বেগমবাজার অফিসে যান আনোয়ার। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক দেলোয়ার হোসাইন পরীক্ষা করে জানান, খিলগাঁও থেকে কেনা স্প্রেটি নকল। আগেরটি ছিল আসল। কারা এসব পণ্য নকল করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একাধিক চক্র এই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত। তাদের মধ্যে মুনস্টার মার্কেটিং কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের গোডাউন থেকে ৪০ ট্রাক ভেজাল কসমেটিকস জব্দ করেছিল শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক বেলায়েত হোসেন ওরফে বেলাল ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে আদালত থেকে সেগুলো ফেরত পাওয়ার পক্ষে রায় নেন। ভেজাল হিসেবে জব্দ পণ্যগুলোই তিনি আবার পুলিশের সহযোগিতায় রাতারাতি গোডাউনে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে বাজারে বিক্রির জন্য ছেড়ে দেন। শুল্ক গোয়েন্দা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
শুধু বডি স্প্রে নয় বাজারে নকল হচ্ছে দেশী-বিদেশী নামিদামি প্রায় সব ব্র্যান্ডের কসমেটিকস। বিশেষ করে যেসব কসমেটিকস বাজারে বেশি চলে সেগুলোই নকল করছে ভেজাল কারবারিরা। তাদের কারখানায় বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল কসমেটিকস জব্দ করেছে র‌্যাব-পুলিশ। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এর সঙ্গে জড়িতদের দেয়া হয়েছে কারাদণ্ড ও জরিমানা। কিন্তু তাতেও এসব পণ্য উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ হচ্ছে না। বিশেষ করে ঈদের মতো উৎসব আয়োজন সামনে রেখে অন্যান্য পণ্যের মতো কসমেটিকস আইটেমেও ভেজালের মহোৎসব শুরু হয়ে যায়।
ভেজাল কসমেটিকস উৎপাদন ও বিক্রি করে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী পকেট ভারি করলেও এর খেসারত দিতে হচ্ছে এসব পণ্য ব্যবহারকারীদের। অনেক দাম দিয়ে নামি ব্র্যান্ডের মোড়কে ভেজাল কসমেটিকস পণ্য কিনে অজান্তেই চরম স্বাস্থ্যগত সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন তারা। ফার্মাসিস্টদের বিভিন্ন গবেষণা সূত্রে জানা গেছে, ভেজাল ও কিছু অনুমোদিত প্রসাধনীতেও নানা ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। প্রসাধন সামগ্রীতে সাধারণত প্যারাবেন, ডাই ইথানল এমিন (ডিইএ), ডাইবিউটাইল থ্যালেট, বিউটিলেটেড হাইড্রক্সি এসিনল (বিএইচএ), লোকটার ডাই, কৃত্রিম ফ্রাগ্রানেস, পলি ইথিলিন গ্রাইকল, পেট্রোলিয়াম জেলি, খনিজ তেল, সোডিয়াম সালফেট জাতীয় কেমিক্যাল নির্দিষ্ট মাত্রায় ব্যবহৃত হয়। এগুলো বেশি মাত্রায় প্রয়োগ হলে মানবদেহে ক্যান্সার, এলার্জি, ত্বকের প্রদাহ, কিডনির ক্ষতিসহ বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হয়।
ভেজাল কসমেটিকসের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আবু সারা শামসুর রউফ মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, ‘ভেজাল কারবারিরা বেশির ভাগ ক্ষতিকারক উপাদান দিয়ে কসমেটিকস তৈরি করে। যে পরিমাণ ফরমালডিহাইড থাকলে ত্বকের ক্ষতি হবে না, তারা সেটা মানে না। তারা কসমেটিসকে অনেক বেশি পরিমাণে প্রিজারভেটিভ এবং এন্টি অক্সিডেন্ট ব্যবহার করে। এসব কসমেটিক ব্যবহার করলে এর প্রথম উপসর্গ হিসেবে ব্যবহারকারীর অ্যালার্জি দেখা দেবে। দেশীয় কিছু বৈধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানও তাদের পণ্যে এসব উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম মানে না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এমন নিখুঁতভাবে পণ্য নকল করা হয় যে, দোকানে উঠানোর পর আসল-নকল চেনা কঠিন হয়ে পড়ে।’
অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশে নকল পণ্যের বিপণনের সবচেয়ে বড় বাজার রাজধানীর চকবাজার ও বেগমবাজার। এখানকার অধিকাংশ দোকানেই আসল পণ্যের পাশাপাশি নকল পণ্য পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে যত কসমেটিকস পাওয়া যায় তার ৫০ শতাংশের বেশিই নকল। বর্তমানে যেসব পণ্য বাজারে বেশি নকল হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী ক্রিম, নিভিয়া, গার্নিয়ার, পন্ডস পাউডার, সানসিল্ক শ্যাম্পু, ভাটিকা শ্যাম্পু, প্যান্টিন শ্যাম্পু, ডাভ শ্যাম্পু ও সাবান, হেডস অ্যান্ড শোল্ডার, হিমালয়া ফেসওয়াশ; তেলের মধ্যে ভাটিকা, কুমারিকা, আমলা, নবরত্ন, কুল; বডিস্প্রের মধ্যে ফগ, ব্লুলেডি, রয়্যাল মেরিজ, অ্যান্ট্যায়ার লাভ; জনসন সাবান, জনসন শ্যাম্পু, বেবি শ্যাম্পু, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লিপজেল, ভেসলিন, হেয়ারঅয়েল, হেয়ার জেল, হেয়ার কালার, লিপস্টিক, বডিওয়াশ, শেভিং জেল, ফোম, শেভিং লোশন, ফেসওয়াশ, টিউব মেহেদি ইত্যাদি। চকবাজার থেকে এসব ভেজাল পণ্য ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মূলত অতিলাভের আশায় অসাধু ব্যবসায়ীরা নকল পণ্য উৎপাদন করেন। ১০০ গ্রাম ওজনের একটি জনসন বেবি সোপের দাম পড়ে ৭০ টাকা। সেখানে ভেজালকারীদের উৎপাদন খরচ মাত্র ৫-৬ টাকা। তারা এগুলো পাইকারি বিক্রি করে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। আর খুচরা দোকানিরা বিক্রি করে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। কেউ কেউ পুরো ৭০ টাকায়ই নিয়ে নেন। অর্থাৎ আসল আর নকল পণ্যের মানে যতই পার্থক্য থাকুক দামে তেমন ফারাক থাকে না। শুধু লাভ আর লাভ। একটি ফগ ২৫০ এমএল কনটেইনার বডি স্প্রের দাম পড়ে ২৫০ টাকা। আমদানি মূল্য পড়ে ১৯০ টাকা। দোকানে দেয়া হয় ২২০ থেকে ২২৫ টাকায়। একই পণ্য তৈরিতে ভেজালকারীদের খরচ পড়ে ৪০ টাকার মতো। পাইকারি বিক্রি করে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। আর খুচরা দোকানি বিক্রি করেন ২০০ টাকা। ৫০০ এমএল সানসিল্ক শ্যাম্পু বাজারে দাম ৪৫০ টাকা। আমদানি খরচ পড়ে ৩৫০ টাকা, পাইকারি বিক্রি ৩৮০ টাকা। কিন্তু নকল ৫০০ এমএল শ্যাম্পু উৎপাদনে ব্যয় হয় মাত্র ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ১৫০ টাকা পাইকারি বিক্রি করলেও নকল উৎপাদনকারীর দ্বিগুণের বেশি লাভ হয়। খুচরা বিক্রেতারা দুই থেকে তিনগুণ লাভের আশায় নকল পণ্য বিক্রিতে উৎসাহ বোধ করেন।
কয়েকদিন আগে চকবাজারে দেবীদাস ঘাট লেনের শাহীন কসমেটিকসে অভিযান চালায় ঢাকা জেলা প্রশাসন ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। সেখানে দেখা যায় ইউনিলিভার, স্কয়ার, কোহিনুর, তিব্বত, জনসনসহ বিভিন্ন নামিদামি কোম্পানির প্রসাধনী নকল করে বাজারজাত করছিল প্রতিষ্ঠানটি। কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয় ভেজাল ও বিষাক্ত উপাদান যা দিয়ে তারা তৈরি করে স্কিন কেয়ার ক্রিম, কোল্ড ক্রিম, বেবি অয়েল, ভেসলিন, মেহেদি, হেয়ারঅয়েল, ফেসওয়াশ, চুলের তেল, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি, ফেয়ার অ্যান্ড বিউটি, এলিট রাঙ্গাপরী মেহেদি ও মেরিল ভেসলিন। এখান থেকে নিুমানের সাবান কেটে জনসন সাবান তৈরির ছাঁচ, সাবান ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
চকবাজারের হেকিম হাবিবুর রহমান লেন এবং ছোট কাটারা মেসার্স মিনু পারফিউমারি ওয়ার্কসে অভিযান চালিয়ে ভারতের নির্মা কোম্পানির আলতা ও ক্রিম হুবহু নকল করে বাজারজাত করতে দেখা যায়। এসব পণ্যের মোড়কে সবকিছুই হিন্দি ও ইংরেজিতে লেখা ছিল। মোম, ফিটকিরি, জেলি, নাইট্রিক এসিড ও রং মিশিয়ে তৈরি করা ‘কিরণমালা’ নামক টিউব মেহেদি। এছাড়া বংশালে ময়না হাজীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভেজাল জনসন সাবানসহ ৫ ট্রাক পণ্য জব্দ করা হয়। ওই অভিযানে দেখা গেছে, বাজারে সাধারণ সাবান ছাঁচে ভরে কেটে জনসন বেবি সোপ তৈরি করা হচ্ছিল।  
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে যে পরিমাণ কসমেটিকসের চাহিদা রয়েছে তার ১৫ শতাংশ পূরণ হচ্ছে দেশীয় বৈধ কোম্পানির উৎপাদনে। আর ১৫ শতাংশ আমদানি করা বিদেশী পণ্য। বাকি ৭০ শতাংশ কসমেটিকস নকল ও ক্ষতিকারক উপাদান দিয়ে তৈরি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা। ওই গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, পুরান ঢাকার চকবাজার, জিঞ্জিরা, ইসলামপুর এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা শহরে এই নকল কসমেটিকস তৈরির কারখানা গড়ে উঠেছে।
নকল কসমেটিকস তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান কতটা ক্ষতি করতে পারে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্ম ও যৌনব্যাধি বিভাগের অধ্যাপক এবং উপ-উপাচার্য ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার যুগান্তরকে বলেন, ‘মানহীন প্রসাধনী ব্যবহারে মুখের ত্বকে এবং শরীরের কোমল ত্বকে কালো দাগ, র‌্যাশ, গোটা, লাল হয়ে যাওয়া এলার্জি হয়। ব্যথা ও ইনফেকশন হতে পারে। স্থায়ী দাগ পড়তে পারে। অনেক ক্ষেত্রে চামড়া সাদা হয়ে যায়। ক্ষেত্রবিশেষ চুল পড়ে যায়, আবার যেখানে চুল হওয়ার কথা নয়; সেখানে চুল গজায়। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে কিডনি ও ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে।’
একই হাসপাতালের অপর চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ লে. কর্নেল (অব.) অধ্যাপক ডা. আবদুল ওহাব বলেন, ‘চর্মরোগীদের কাছে আমরা যখন জানতে চাই কি ব্যবহার করেন, তখন তারা কিছু ক্রিম, লোশনের কথা বলে। যার কিছু নমুনা আমরা পরীক্ষা করে দেখেছি। সেগুলোতে মারাত্মক ক্ষতিকর উপাদান বিদ্যমান ছিল। রোগীদের পক্ষে অনেক ক্ষেত্রেই জানা সম্ভব না তারা কি ব্যবহার করছে। নকল কসমেটিক ব্যবহারে ইমিডিয়েট এলার্জিক রিঅ্যাকশনে ব্যবহারকারী মারাও যেতে পারে। এমন ঘটনা আমরা দেখেছি। এছাড়া দীর্ঘদিন এসব ব্যবহারে ত্বকসহ কিডনি এবং শরীরে অন্য অংশে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’
বিএসটিআইয়ের সাবেক পরিচালক কমল প্রসাদ দাস যুগান্তরকে বলেন, ‘কিছু কসমেটিকস আছে বিএসটিআইয়ের তালিকাভুক্ত নয়। কিছু আছে তালিকাভুক্ত। তালিকার বাইরেও অনেক ভালো মানের কসমেটিকস তৈরি হয়। তবে বিএসটিআই থেকে যেগুলোর লাইসেন্স নিতে হয় সেগুলো নকল হলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিএসটিআই আইন অনুযায়ী জরিমানা ও দণ্ড দেয়া হয়।’
ভেজাল কসমেটিকস নিয়ে ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যুগান্তরকে বলেন, ‘মূলত অতিলাভের লোভে ব্যবসায়ীরা নকল কসমেটিকস তৈরি ও বাজারজাত করছেন। তারা বিদেশী ও দেশীয় নামি ব্র্যান্ডের কসমেটিকগুলো নকল করেন। রাজধানীর চকবাজারকেন্দ্রিক ভেজাল পণ্যের ব্যবসা বেশি হয়। বিভিন্ন অভিযানে দেখা গেছে, বাজারে যত ধরনের দেশী-বিদেশী কসমেটিক আছে তার ৫০ শতাংশেরও বেশি ভেজাল। যার অধিকাংশই বহুজাতিক কোম্পানি ও দেশীয় নামিদামি কোম্পানির।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাজারে নবজাতক শিশুদের জন্য কসমেটিকের যে প্যাকেট পাওয়া যায় সেগুলোতেই ভেজাল পাওয়া গেছে। এসব ভেজাল পণ্য ব্যবহারে শিশু বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তার শরীরের জ্বালাযন্ত্রণা হলেও সে বলতে পারে না।’
সম্প্রতি ভেজাল প্রতিরোধের বিষয়টি বিবেচনায় এনে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর দেশে উৎপাদিত এবং আমদানিকৃত সব প্রসাধনীর মান নির্ণয় করে একটি নীতিমালা প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছে, যা প্রণীত হলে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএন্ডসি’র মতো বাংলাদেশেও প্রসাধনীর মান নিয়ন্ত্রণ করবে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর, যা বর্তমানে সীমিত পরিসরে করে বিএসটিআই। প্রস্তাবিত নীতিমালায় প্রসাধন সামগ্রীতে কেমিক্যালের মাত্রা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
প্রস্তাবিত নীতিমালার উদ্দেশ্যে ‘জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে আমদানি ও দেশে উৎপাদিত পণ্যের মান নিশ্চিত করা। প্রসাধনীতে ব্যবহৃত নানা ধরনের রাসায়নিকের ব্যবহার মাত্রা ও তার ক্ষতি সম্পর্কে উল্লেখ থাকবে। এছাড়া কোন রাসায়নিক পদার্থ কি পরিমাণ ব্যবহার করা যাবে ওইসব নির্দেশনাও থাকে। ২২ ধরনের প্রসাধনীর প্রায় ৮০টি পণ্যে মান নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা হবে। নীতিমালার উপসংহারে বলা হয়েছে, সব প্রসাধনী উৎপাদককে নীতিমালায় বর্ণিত প্যারামিটার মেনে চলতেই হবে। পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো মানসম্পন্ন নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। নীতিমালা লংঘনকারীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও থাকবে।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. একে লুতফুল কবির যুগান্তরকে বলেন, দেরিতে হলেও ভেজাল কসমেটিক বাজারজাতকরণ প্রতিরোধ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি ভালো। উন্নত দেশগুলোতে খাদ্যপণ্য এবং ওষুধের মতো প্রসাধনীর মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আর এসব পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ করে একটি প্রতিষ্ঠান। যেমন আমেরিকায় মান নিয়ন্ত্রণ করে এফডি এন্ড সি (ফুড, ড্রাগ অ্যান্ড কসমেটিকস)। ক্ষতিকর রাসায়নিক সমৃদ্ধ মানহীন প্রসাধনী ব্যবহারে শুধু ক্যান্সার হতে পারে তাই নয়। এসব থেকে হতে পারে স্নায়বিক দুর্বলতা, এমনকি বিকল হতে পারে কিডনি।
ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের পরিচালক মো. গোলাম কিবরিয়া যুগান্তরকে বলেন, দেশে প্রস্তুত ও আমদানিকৃত প্রসাধন সামগ্রী পরীক্ষার জন্য নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রস্তুতকরণের জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হলে প্রসাধনীও ওষুধের মতো নিয়ন্ত্রণের আওতায় আসবে।
মুক্তির আগেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লো বলিউড মুভি উড়তা পাঞ্জাব!

মুক্তির আগেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লো বলিউড মুভি উড়তা পাঞ্জাব!

মুক্তির আগেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লো বলিউড মুভি উড়তা পাঞ্জাব!

দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে শাহিদ কাপূর, কারিনা কাপূর এবং আলিয়া ভাট অভিনীত আলোচিত সিনেমা 'উড়তা পাঞ্জাব'।

তবে সিনেমা মুক্তির দু্ই দিন আগেই ইন্টারনেটে ফাঁস হয়ে গেছে আনকাট 'উড়তা পাঞ্জাব'। ২ ঘণ্টা ২০ মিনিটের এই ছবির পুরোটাই নাকি ডাউনলোডও করা যাচ্ছে! ভিডিওতে বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশে বাদ যাওয়া শাহিদ কপূরের একটি বিতর্কিত দৃশ্যও রয়েছে বলে জানা গেছে।

অর্থাৎ মুক্তির আগেই ডাউনলোড করা যাচ্ছে আনকাট 'উড়তা পঞ্জাব'! এই খবর দাবানলের মতো ছড়াতে থাকে বলিউডের নানা মহলে।

তবে বুধবার এ ব্যপারে মুম্বাইয়ের বান্দ্রা থানায় একটি এফআইআর দায়ের করেছেন ছবির পরিচালক অভিষেক চৌবে।

সিনেমার এক সদস্য জানান, তারা অনলাইনে এই ছবি দেখা বন্ধ করার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ফাঁস হয়ে যাওয়া লিঙ্কগুলি মুছে ফেলা হয়েছে।

ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের যুব সমাজের ড্রাগে আচ্ছন্ন থাকার বিষয়টি সিনেমার মূল বিষয়।

ছবির মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন শাহিদ কাপূর। টমি সিং নামের এক রকস্টারের চরিত্রে তাকে দেখা যাবে। সিনেমায় আলিয়া ভাট ও কারিনা কাপূর ছাড়াও অভিনয় করেছেন পাঞ্জাবী সিনেমার প্রথম সারির অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ।